উপসর্গের সঙ্গে প্রত্যয়ের পার্থক্য-
যেসব অব্যয় শব্দ বা ধাতুর পূর্বে বসে মূল শব্দের অর্থের পরিবর্তন ঘটায় ও নতুন শব্দ গঠন করে তাকে উপসর্গ । অন্যদিকে যেসব বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি ধাতু বা শব্দের পরে বসে নতুন শব্দ গঠন করে তাকে প্রত্যয় বলে। যেমন - কাঁদ্ + অন = কাঁদন এখানে 'অন' প্রত্যয়'। সুতরাং উপরিউক্ত প্রশ্নে (গ) - ই যথার্থ উত্তর।
Related Questions
- ‘অক্ষির সমীপে’ এর সংক্ষেপণ হলো সমক্ষ।
- অন্যদিকে,
- ‘অক্ষির সম্মুখে’ হলো প্রত্যক্ষ,
- ‘অক্ষির অগোচরে’ হলো পরোক্ষ এবং
- ‘পক্ষপাতহীন বা মুখাপেক্ষী নয় এমন’ হলো নিরপেক্ষ।
একই শব্দকে বিভিন্ন বাক্যে বিভিন্ন অর্থে ব্যবহার করা যায়। উপরিউক্ত বাক্যে 'মাথা' শব্দটি আরো কিছু ব্যবহার হলো - অঙ্গবিশেষ - তার মাথার চুল কাল। জ্ঞান - ছাত্রটির অংকে ভালো মাথা আছে। মনের অবস্থা - রাগের মাথায় কোনো কাজ করা ঠিক নয়। দিব্যি দেয়া - মাথা খাও , চিঠি দিতে ভুল করো না। দিব্যি দেয়া - মাথা খাও, চিঠি দিতে ভুল করো না। আস্কারা পাওয়া - ছেলেটি আদর পেয়ে একেবারে মাথায় উঠেছে।
-প্রদত্ত বাক্যে ‘না’ এর ব্যবহার ‘হ্যাঁ' বোধক।
-কারণ, মনে রাখবেন- নেতিবাচক/না বোধক বাক্য দ্বারা ‘প্রশ্ন করলে’ সবসময় হ্যাঁ-বাচক অর্থ প্রকাশ করে। যেমনঃ
- রবীন্দ্রনাথের বই যে ভাল, তা কি আমি জানি না? -এখানে বক্তা আসলে জানেন যে, রবীন্দ্রনাথের বই ভাল।
-এরূপ- উক্ত বাক্যে আগামী কাল আসার বিষয়টির নিশ্চয়তা প্রকাশে না এর ব্যবহার হয়েছে, যা মূলত নিশ্চয়তা জ্ঞাপক বিবৃতি প্রকাশ করছে। তাই শুদ্ধ উত্তর হ্যাঁ- বাচক।
এরূপ- বিভিন্ন অর্থে ‘না’ অব্যয়টি ব্যবহৃত হতে পারে। যেমন-
নিষেধ অর্থেঃ এখন যেও না (ক্রিয়া বিশেষণ) ।
বিকল্প প্রকাশে : তিনি যাবেন, না হয় আমি যাব।
আদর প্রকাশে বা অনুরোধে : আর একটি মিষ্টি খাও না খোকা। আর একটা গান গাও না।
সম্ভাবনায় : তিনি না কি ঢাকায় যাবেন।
বিস্ময়ে : কী করেই না দিন কাটাচ্ছ!
তুলনায় : ছেলে তো না, যেন একটা হিটলার।
জব সলুশন