কার মাথায় হাত বুলিয়েছে- এখানে ‘মাথা’ শব্দের অর্থ-

ক) স্বভাব নষ্ট করা
খ) স্পর্ধা বাড়া
গ) ফাঁকি দেওয়া
ঘ) কোনো উপায়ে
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

একই শব্দকে বিভিন্ন বাক্যে বিভিন্ন অর্থে ব্যবহার  করা যায়। উপরিউক্ত বাক্যে 'মাথা' শব্দটি আরো কিছু ব্যবহার  হলো  -  অঙ্গবিশেষ  - তার মাথার চুল কাল। জ্ঞান  - ছাত্রটির  অংকে ভালো মাথা আছে। মনের অবস্থা -  রাগের মাথায় কোনো কাজ করা ঠিক নয়। দিব্যি দেয়া  -  মাথা খাও , চিঠি দিতে ভুল করো না। দিব্যি দেয়া  -  মাথা খাও, চিঠি দিতে ভুল করো না। আস্কারা পাওয়া  -  ছেলেটি আদর পেয়ে  একেবারে মাথায় উঠেছে।

Related Questions

ক) না-বাচক
খ) হ্যাঁ-বাচক
গ) প্রশ্নবোধক
ঘ) বিস্ময়সূচক
Note :

-প্রদত্ত বাক্যে ‘না’ এর ব্যবহার ‘হ্যাঁ' বোধক।
-কারণ, মনে রাখবেন- নেতিবাচক/না বোধক বাক্য দ্বারা ‘প্রশ্ন করলে’ সবসময় হ্যাঁ-বাচক অর্থ প্রকাশ করে। যেমনঃ
- রবীন্দ্রনাথের বই যে ভাল, তা কি আমি জানি না? -এখানে বক্তা আসলে জানেন যে, রবীন্দ্রনাথের বই ভাল।
-এরূপ- উক্ত বাক্যে আগামী কাল আসার বিষয়টির নিশ্চয়তা প্রকাশে না এর ব্যবহার হয়েছে, যা মূলত নিশ্চয়তা জ্ঞাপক বিবৃতি প্রকাশ করছে। তাই শুদ্ধ উত্তর হ্যাঁ- বাচক।

এরূপ- বিভিন্ন অর্থে ‘না’ অব্যয়টি ব্যবহৃত হতে পারে। যেমন-

নিষেধ অর্থেঃ এখন যেও না (ক্রিয়া বিশেষণ) ।
বিকল্প প্রকাশে : তিনি যাবেন, না হয় আমি যাব।
আদর প্রকাশে বা অনুরোধে : আর একটি মিষ্টি খাও না খোকা। আর একটা গান গাও না
সম্ভাবনায় : তিনি না কি ঢাকায় যাবেন।
বিস্ময়ে : কী করেই না দিন কাটাচ্ছ!
তুলনায় : ছেলে তো না, যেন একটা হিটলার।

ক) সন্ধিজনিত
খ) প্রত্যয়জনিত
গ) উপসর্গজনিত
ঘ) বিভক্তিজনিত
Note :

উৎকৃষ্ট শব্দটি একটি বিশেষণ, যার বিশেষ্য রূপ উৎকর্ষ। উৎকর্ষ শব্দটি নিজেই বিশেষ্য। তাই এর শেষে সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয় “তা” যোগ করে একে নতুন করে বিশেষ্য বানানোর কোনো প্রয়োজন নেই। এ ধরনের ভুলকে বাহুল্য দোষ বলা হয়, এ কারণেই উৎকর্ষতা শব্দটি অশুদ্ধ।

ক) 29
খ) 59
গ) 49
ঘ) 69
Note :

a ²+b ²+3ab
=a ²+b ²+2ab+ab
=(a+b)²+ab
=(7)²+10
=49+10
=59

ক) (x-3)(2x-5)
খ) ( x+3) (2x+5)
গ) ( x+3) (2x-5)
ঘ) ( x- 3) (2x+5)
ক) ০.০০০০০৯
খ) ০.০০০০৯
গ) ০.০০০৯
ঘ) ০.০০৯
Note :

(০.০০৩)²=  ০.০০৩×০.০০৩ = ০.০০০০০৯

ক) ১৫০
খ) ১০৫
গ) ১০১
ঘ) ৭৫
Note :

প্রদত্ত  ধারাটি লক্ষ্য করি:
৮, ১১, ১৭, ২৯, ৫৩, ……

এখানে,
২য় পদ - ১ম পদ = ১১ - ৮ = ৩
৩য় পদ - ২য় পদ = ১৭ - ১১ = ৬ = ৩ × ২
৪র্থ পদ - ৩য় পদ = ২৯ - ১৭ = ১২ = ৬ × ২
৫ম পদ - ৪র্থ পদ = ৫৩ - ২৯ = ২৪ = ১২ × ২

আমরা দেখতে পাচ্ছি যে, প্রতিবার পদের পার্থক্য আগের পার্থক্যের দ্বিগুণ হচ্ছে।
অর্থাৎ, পার্থক্যগুলো যথাক্রমে: ৩, ৬, ১২, ২৪।
সুতরাং, পরবর্তী পার্থক্যটি হবে = ২৪ × ২ = ৪৮।
অতএব, পরবর্তী সংখ্যাটি হবে = ৫ম সংখ্যা + ( পরবর্তী পার্থক্য )
= ৫৩ + ৪৮
= ১০১

জব সলুশন

বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন- পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়- সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ১৪-০৭-২০২৬

সমন্বিত ব্যাংক — অফিসার (ক্যাশ) 03-07-2026

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর — অফিস সহায়ক ২৭-০৬-২০২৬

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড — সেকশন ইঞ্জিনিয়ার 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — কারিগরি কর্মকর্তা 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — প্রমোশন অফিসার 19-06-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন