‘অলৌকিক ইস্টিমার’ গ্রন্থের রচয়িতা কে?
'অলৌকিক ইস্টিমার' বাংলাদেশী অন্যতম প্রথাবিরোধী কবি হুমায়ুন আজাদের লেখা প্রথম কাব্যগ্রন্থ। ১৯৭৩ সালে খান ব্রাদার্স অ্যান্ড কোং, ঢাকা, বাংলাদেশ থেকে এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
Related Questions
∎রামপ্রসাদ সেন:
রামপ্রসাদ সেন ছিলেন অষ্টাদশ শতাব্দীর এক বিশিষ্ট বাঙালি শাক্ত কবি ও সাধক। বাংলা ভাষায় দেবী কালীর উদ্দেশ্যে ভক্তিগীতি রচনার জন্য তিনি সমধিক পরিচিত; তাঁর রচিত "রামপ্রসাদী" গানগুলি আজও সমান জনপ্রিয়। রামপ্রসাদের জীবন সংক্রান্ত নানা বাস্তব ও অলৌকিক কিংবদন্তি বাংলার ঘরে ঘরে প্রবাদবাক্যের মতো প্রচারিত।
- বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে নাথধর্মের কাহিনি অবলম্বনে রচিত শেখ ফয়জল্লার একটি উল্লেখযােগ্য কাব্যগ্রন্থ ' গােরক্ষ বিজয় ' ।
- এ কাব্যের কাহিনিতে নাথবিশ্বাস - জাত যােগের মহিমা এবং নারী - ব্যভিচারপ্রধান সমাজচিত্র রূপায়িত হয়েছে ।
- শেখ ফয়জুল্লার আরাে কয়েকটি গ্রন্থ : গাজীবিজয় , সত্যপীর , রাগনামা , জয়নালের চৌতিশা ।
- উল্লেখ্য , বৌদ্ধধর্মের সঙ্গে শৈবধর্ম মিশে নাথধর্মের উৎপত্তি হয়েছে বলে মনে করা হয় ।
বাংলা একাডেমি ব্যবহারিক বাংলা অভিধান অনুযায়ী চর্যা শব্দের অর্থ– নিয়ম পালন; পালনীয় নিয়ম বা আচার।
-চর্যাচর্য অর্থ- আচরণীয় ও অনাচরণীয়; পালনীয় ও বর্জনীয়।
-চর্যাচর্যবিনিশ্চয় অর্থ – কী করা উচিত এবং কী করা অনুচিত।
-ধর্ম সম্বন্ধীয় বিধি নিষেধগুলোর নাম চর্যাচর্যবিনিশ্চয় । অর্থাৎ- ধর্ম সাধনার ব্যাপারে কোনগুলো আচরণীয় এবং কোনগুলো আচরণীয় নয় তারই নির্দেশ চর্যাচর্যবিনিশ্চয়।
-উল্লেখ্য, বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন চর্যাপদের মূল নাম চর্যাচর্যবিনিশ্চয়।
বাংলা সাহিত্যে তিন ধরনের গীতিকা রয়েছে।
যথা :
- নাথ গীতিকা
- মৈমনসিংহ-গীতিকা
- পূর্ববঙ্গ গীতিকা
• পূর্ববঙ্গ গীতিকা নামে পরিচিত গীতিকাগুলোর কিছু পূর্ব ময়মনসিংহ থেকে এবং অবশিষ্ট গীতিকা নোয়াখালী, চট্টগ্রাম অঞ্চল থেকে সংগৃহীত এ সকল গীতিকার মধ্যে উল্লেখযোগ্য।
এর সংগ্রাহক— ড. দীনেশচন্দ্র সেন ও চন্দ্রকুমার দে।
গীতিকাসমূহের নাম— ‘নিজাম ডাকাতের পালা’, ‘কাফন চোরা’, ‘ আয়না বিবি’, ‘কমলা রাণীর গান’, ‘চৌধুরীর লড়াই’, ‘ভেলুয়া’, ‘কমল সরদার’ ইত্যাদি।
‘ভেলুয়া’ পালায় নারী হৃদয়ের আর্তি প্রকাশ পেয়েছে।
ভাষাবিজ্ঞানী ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ (১৮৮৫ - ১৯৬৯) সম্পাদিত চর্যাপদ বিষয়ক গ্রন্থ - 'Buddhist Mystic Songs' (১৯৬০) । তার কয়েকটি উল্লেখযোগ্য অনুবাদ গ্রন্থ: দীওয়ান হাফিজ, অমিয়শতক, রুবাইয়াত - ই - ওমর খ্যায়াম , বিদ্যাপতি শতক, মহররম শরীফ, Hundred Sayings of the Holy Prophet ।
শৃঙ্গার রসকে বৈষ্ণব পদাবলিতে মধুর রস বলা হয়। বৈষ্ণব পদাবলিতে মোট ৫টি রসের উল্লেখ পাওয়া যায়; এগুলো হলো— শান্ত, দাস্য, সখ্য, বাৎসল্য ও মধুর রস। শ্রীকৃষ্ণ এবং তাঁর প্রেয়সীভাবাপন্ন ভক্তদের মধ্যে যে মধুর সম্পর্ক এবং এই প্রিয় সম্পর্কজনিত কারণে পরস্পরের মধ্যে যে সম্ভোগ ভাব বিরাজ করে, মূলত তাকেই পদাবলি সাহিত্যে মধুর রস হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।
জব সলুশন