শৃঙ্গার রসকে বৈষ্ণব পদাবলিতে কী রস বলে?
শৃঙ্গার রসকে বৈষ্ণব পদাবলিতে মধুর রস বলা হয়। বৈষ্ণব পদাবলিতে মোট ৫টি রসের উল্লেখ পাওয়া যায়; এগুলো হলো— শান্ত, দাস্য, সখ্য, বাৎসল্য ও মধুর রস। শ্রীকৃষ্ণ এবং তাঁর প্রেয়সীভাবাপন্ন ভক্তদের মধ্যে যে মধুর সম্পর্ক এবং এই প্রিয় সম্পর্কজনিত কারণে পরস্পরের মধ্যে যে সম্ভোগ ভাব বিরাজ করে, মূলত তাকেই পদাবলি সাহিত্যে মধুর রস হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।
Related Questions
'সমভিব্যাহারে' শব্দটি ক্রিয়া বিশেষণ, যার অর্থ - সঙ্গে ; একযোগে বা সংঘদ্ধ হয়ে । যেমন - মন্ত্রী অমাত্য সমভিব্যাহারে রাজা শিকারে চললেন।
লিম আল দীন (Selim Al Deen) একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশী নাট্যকার ও গবেষক। স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশের নাট্য আন্দোলনে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তিনি নাটকের আঙ্গিক ও ভাষার উপর গবেষণা করেছেন। বাংলা নাটকের শিকড় সন্ধানী এ নাট্যকার ঐতিহ্যবাহী বাংলা নাট্যের বিষয় ও আঙ্গিক নিজ নাট্যে প্রয়োগের মাধ্যমে বাংলা নাটকের আপন বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেছেন।
- তার প্রকৃত নাম মইনুদ্দিন আহমেদ।
সেলিম আল দীন রচিত নাট্যগ্রন্থ:
- সর্প বিষয়ক গল্প ও অন্যান্য,
- বাসন,
- কেরামতমঙ্গল,
- কীর্তন খোলা,
- চাকা,
- যৈবতী কন্যার মন,
- হরগজ,
- হাতহদাই,
- শকুন্তলা,
- মুনতাসীর ফ্যান্টাসি,
- জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন,
- নিমজ্জন ইত্যাদি।
নিক্কণ, সূচগ্র, অনুর্ধ্ব শব্দগুচ্ছের সবগুলো বানানই অশুদ্ধ। এগুলোর সঠিক রূপ হলো:
নিক্কণ-এর পরিবর্তে শুদ্ধ বানান হবে নিক্বণ
সূচগ্র-এর পরিবর্তে শুদ্ধ বানান হবে সূচ্যগ্র
অনুর্ধ্ব-এর পরিবর্তে শুদ্ধ বানান হবে অনূর্ধ্ব
হাসান হাফিজুর রহমান:
# হাসান হাফিজুর রহমান সাপ্তাহিক বেগম পত্রিকায় ১৯৫২ সালে তিনি তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন। এরপর তিনি একাধারে সওগাত (১৯৫৩), ইত্তেহাদ (১৯৫৫-৫৪) ও দৈনিক পাকিস্তান (১৯৬৫) এ সহকারী সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং স্বাধীনতার পর দৈনিক বাংলায় সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি নিযুক্ত হন। সাংবাদিকতার পাশাপাশি তিনি ১৯৫৭-১৯৬৪ সাল পর্যন্ত জগন্নাথ কলেজে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের অধ্যাপক ছিলেন। এছাড়াও তিনি ১৯৭৩ সালে মস্কোস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে প্রেস কাউন্সিলর পদে দায়িত্ব পালন করেন।
# ১৯৪৬ সালে তিনি যখন স্কুলছাত্র তখন তার ছোট গল্প “অশ্রুভেজা পথ চলাতে” প্রকাশিত হয় সওগাত পত্রিকায়। এরদুবছর পর সোনার বাংলায় তার প্রথম কবিতা প্রকাশিত হয়। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে তিনি সক্রিয় অবদান রাখেন। একুশের চেতনার ওপর ভিত্তি করে তাঁর কবিতা অমর একুশে প্রকাশিত হয় ১৯৫২ সালেই। এটিসহ আরোও কিছু লেখা একত্র করে ১৯৫৩ সালে তিনি তার প্রথম বই একুশে ফেব্রুয়ারী প্রকাশ করেন।
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বিষয়ক গ্রন্থ ------------লেখক
- বাংলা সাহিত্যের কথা (২ খণ্ডে পক্রাশিত)-------ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
- বঙ্গভাষা ও সাহিত্য (ইতিহাস বিষয়ক প্রথম গ্রন্থ )----ড. দীনেশচন্দ্র সেন
- বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস (৫ খণ্ডে প্রকাশিত)------ড. সুকুমার সেন
- বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত -------মুহম্মদ আবদুল হাই এবং সৈয়দ আলী আহসান
- বাংলা সাহিত্যের রুপরেখা -------গোপাল হায়দার
- বাংলা সাহিত্যের পুরাবৃত্ত ------ড. গোপাল হায়দার
- বাঙালি ও বাংলা সাহিত্য -----ড. আহমদ শরীফ
- লাল নীল দীপাবলি -------হুমায়ুন আজাদ
জব সলুশন