‘চর্যাচর্যবিনিশ্চয়’-এর অর্থ কী?
বাংলা একাডেমি ব্যবহারিক বাংলা অভিধান অনুযায়ী চর্যা শব্দের অর্থ– নিয়ম পালন; পালনীয় নিয়ম বা আচার।
-চর্যাচর্য অর্থ- আচরণীয় ও অনাচরণীয়; পালনীয় ও বর্জনীয়।
-চর্যাচর্যবিনিশ্চয় অর্থ – কী করা উচিত এবং কী করা অনুচিত।
-ধর্ম সম্বন্ধীয় বিধি নিষেধগুলোর নাম চর্যাচর্যবিনিশ্চয় । অর্থাৎ- ধর্ম সাধনার ব্যাপারে কোনগুলো আচরণীয় এবং কোনগুলো আচরণীয় নয় তারই নির্দেশ চর্যাচর্যবিনিশ্চয়।
-উল্লেখ্য, বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন চর্যাপদের মূল নাম চর্যাচর্যবিনিশ্চয়।
Related Questions
বাংলা সাহিত্যে তিন ধরনের গীতিকা রয়েছে।
যথা :
- নাথ গীতিকা
- মৈমনসিংহ-গীতিকা
- পূর্ববঙ্গ গীতিকা
• পূর্ববঙ্গ গীতিকা নামে পরিচিত গীতিকাগুলোর কিছু পূর্ব ময়মনসিংহ থেকে এবং অবশিষ্ট গীতিকা নোয়াখালী, চট্টগ্রাম অঞ্চল থেকে সংগৃহীত এ সকল গীতিকার মধ্যে উল্লেখযোগ্য।
এর সংগ্রাহক— ড. দীনেশচন্দ্র সেন ও চন্দ্রকুমার দে।
গীতিকাসমূহের নাম— ‘নিজাম ডাকাতের পালা’, ‘কাফন চোরা’, ‘ আয়না বিবি’, ‘কমলা রাণীর গান’, ‘চৌধুরীর লড়াই’, ‘ভেলুয়া’, ‘কমল সরদার’ ইত্যাদি।
‘ভেলুয়া’ পালায় নারী হৃদয়ের আর্তি প্রকাশ পেয়েছে।
ভাষাবিজ্ঞানী ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ (১৮৮৫ - ১৯৬৯) সম্পাদিত চর্যাপদ বিষয়ক গ্রন্থ - 'Buddhist Mystic Songs' (১৯৬০) । তার কয়েকটি উল্লেখযোগ্য অনুবাদ গ্রন্থ: দীওয়ান হাফিজ, অমিয়শতক, রুবাইয়াত - ই - ওমর খ্যায়াম , বিদ্যাপতি শতক, মহররম শরীফ, Hundred Sayings of the Holy Prophet ।
শৃঙ্গার রসকে বৈষ্ণব পদাবলিতে মধুর রস বলা হয়। বৈষ্ণব পদাবলিতে মোট ৫টি রসের উল্লেখ পাওয়া যায়; এগুলো হলো— শান্ত, দাস্য, সখ্য, বাৎসল্য ও মধুর রস। শ্রীকৃষ্ণ এবং তাঁর প্রেয়সীভাবাপন্ন ভক্তদের মধ্যে যে মধুর সম্পর্ক এবং এই প্রিয় সম্পর্কজনিত কারণে পরস্পরের মধ্যে যে সম্ভোগ ভাব বিরাজ করে, মূলত তাকেই পদাবলি সাহিত্যে মধুর রস হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।
'সমভিব্যাহারে' শব্দটি ক্রিয়া বিশেষণ, যার অর্থ - সঙ্গে ; একযোগে বা সংঘদ্ধ হয়ে । যেমন - মন্ত্রী অমাত্য সমভিব্যাহারে রাজা শিকারে চললেন।
লিম আল দীন (Selim Al Deen) একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশী নাট্যকার ও গবেষক। স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশের নাট্য আন্দোলনে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তিনি নাটকের আঙ্গিক ও ভাষার উপর গবেষণা করেছেন। বাংলা নাটকের শিকড় সন্ধানী এ নাট্যকার ঐতিহ্যবাহী বাংলা নাট্যের বিষয় ও আঙ্গিক নিজ নাট্যে প্রয়োগের মাধ্যমে বাংলা নাটকের আপন বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেছেন।
- তার প্রকৃত নাম মইনুদ্দিন আহমেদ।
সেলিম আল দীন রচিত নাট্যগ্রন্থ:
- সর্প বিষয়ক গল্প ও অন্যান্য,
- বাসন,
- কেরামতমঙ্গল,
- কীর্তন খোলা,
- চাকা,
- যৈবতী কন্যার মন,
- হরগজ,
- হাতহদাই,
- শকুন্তলা,
- মুনতাসীর ফ্যান্টাসি,
- জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন,
- নিমজ্জন ইত্যাদি।
জব সলুশন