“বিদ্যাসাগর ও বাঙালি সমাজ” গ্রন্থের রচয়িতা কে?
‘কালপেঁচা’ ছদ্মনামে পরিচিত বিনয় ঘোষ রচিত তিন খণ্ডে বিভক্ত প্রবন্ধগ্রন্থ ‘বিদ্যাসাগর ও বাঙালি সমাজ (১৯৫৭)।
-১৯৫৬ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় শতবর্ষ উদ্যাপনের অঙ্গরূপে ‘বিদ্যাসাগর বক্তৃতামালা'র আয়োজন করে ।
-এ আয়োজনে বিনয় ঘোষ প্রথম বক্তা হিসেবে আমন্ত্রণ পান। এখানে তিনি মোট ৬টি লিখিত ভাষণ দেন। এ ৬টি ভাষণের পরিমার্জিত রূপ ‘বিদ্যাসাগর ও বাঙালি সমাজ গ্রন্থটি।
-এতে প্রাধান্য পেয়েছে উনিশ শতকের বাংলার সামাজিক ইতিহাসের পটভূমিতে বিদ্যাসাগরের জীবনদর্শন।
তাঁর রচিত অন্যান্য প্রবন্ধগ্রন্থ: ‘শিল্প সংস্কৃতি ও সমাজ’ (১৯৪০), ‘আন্তর্জাতিক রাজনীতি' (১৯৪১), ‘সোভিয়েত সভ্যতা (১৯৪১), ‘ফ্যাসিজম ও জনযুদ্ধ' (১৯৪২), ‘কালপেঁচার নকশা’ (১৯৫১), 'কালপেঁচার দুকলম' (১৯৫২), ‘জনসভার সাহিত্য' (১৯৫৫), ‘কালপেঁচার বৈঠক’ (১৯৫৭), 'পশ্চিমবঙ্গের সংস্কৃতি' (১৯৫৭), ‘বিদ্রোহী ডিরোজিও’ (১৯৬১), ‘বাংলার সামাজিক ইতিহাসের ধারা (১৯৬৮) 'সাময়িকপত্রে বাংলার সমাজচিত্র' (১৯৬৮), মেট্রোপলিটন মন, মধ্যবিত্ত ও বিদ্রোহ' (১৯৭৩), 'বাংলার বিদ্বৎসমাজ (১৯৭৩), 'কলকাতা শহরের ইতিবৃত্ত' (১৯৭৫), ‘অটোমেটিক জীবন ও সমাজ' (১৯৭৮), 'নববাবু চরিত্র' (১৯৭৯), ‘বাংলার লোকসংস্কৃতি ও সমাজতত্ত্ব' (১৯৮৩)।
বিনয় ঘোষ রচিত ছোটগল্প সংকলন ‘ডাস্টবিন’ ।
Related Questions
জয়েন উদ্দীন (পঞ্চদশ শতক) মধ্যযুগের বাংলার একজন বিখ্যাত কবি। তিনি গৌড়ের সুলতান ইউসুফ শাহের (১৪৭৪ - ১৪৮১) সভাকবি ছিলেন। তার রসুল-বিজয় মৌলিক রচনা নয়, কোনো ফার্সি গ্রন্থের অনুসরণে লিখিত। তার এই কাব্যটি প্রাচীন বাংলা সাহিত্যে মুসলমান রচিত বিজয়-কাব্যধারার অন্যতম পথিকৃৎ।
সৈয়দ নূরুদ্দীন ছিলেন একজন বাংলাদেশী সাংবাদিক। সাংবাদিকতায় অবদানের জন্য তিনি ১৯৮৬ সালে মরণোত্তর বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত হন।
সৈয়দ নূরুদ্দীন যুদ্ধকাব্যের রচয়িতা নন।
-যশোরাজ খানের প্রকৃত নাম দামোদর সেন।
-তিনি গৌড়ের শাসক সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহের পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলাদেশে প্রথম ব্রজবুলি ভাষায় বৈষ্ণবপদ রচনা করেন।
-তিনি ‘শ্রীকৃষ্ণমঙ্গল’ কাব্য রচনা করে ‘যশোরাজ খান’ উপাধি লাভ করেন।
-এ গ্রন্থে তিনি সুলতানকে ‘শাহু হুসেন জগত-ভূষণ' বলে সম্বোধন করেন।
-তাঁর একটি মাত্র পদ পাওয়া গেছে।
যথা:
এক পয়োধর চন্দনে লোপিত
আরে সহজেই গোর।
হিম ধরাধর কোলে মিলল
ভূধরাধর যোর ॥
মাধব, তুয়া দরশন কাজে।
আধ পদ চালান করিঞা সুন্দরী
বাহির দেহলী মাঝে ॥
নীল ধবল কমল দুঅ চান্দ
পূজল কত কোটি কাম ৷
জয়দেব ছিলেন লক্ষ্মণসেনের রাজসভার পঞ্চরত্নের অন্যতম। জয়দেবের বিখ্যাত রচনা গীতগোবিন্দম্। এটি একটি সংস্কৃত গীতিকাব্য। ২৮৬টি শ্লোক এবং ২৪টি গীতের সমন্বয়ে ১২ সর্গে এটি রচিত। বৈষ্ণব সহজিয়াগণ জয়দেবকে আদিগুরু এবং নবরসিকের অন্যতম বলে মর্যাদা দিয়ে থাকেন।
- জয়দেব, বিদ্যাপতি ও চন্ডীদাস মধ্যযুগের ও বৈষ্ণব পদাবলির কবি
- মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবার (রয়েল লাইব্রেরি) থেকে ‘চর্যাপদ’ আবিষ্কার করেন।
- চর্যাপদ তিব্বতি ভাষায় অনুবাদ করেছিলেন কীর্তিচন্দ্র।
- ১৯৩৮ সালে প্রবোধচন্দ্র বাগচী তিব্বতি ভাষায় অনূদিত চর্যাপদ আবিষ্কার করে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের জার্নালে প্রকাশ করেন।
জব সলুশন