চর্যাপদের তিব্বতি অনুবাদ প্রকাশ করেন কে?

ক) প্রবোধচন্দ্র বাগচী
খ) যতীন্দ্র মোহন বাগচী
গ) প্রফুল্ল মোহন বাগচী
ঘ) প্রণয়ভূষণ বাগচী
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

- মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবার (রয়েল লাইব্রেরি) থেকে ‘চর্যাপদ’ আবিষ্কার করেন।
- চর্যাপদ তিব্বতি ভাষায় অনুবাদ করেছিলেন কীর্তিচন্দ্র।
- ১৯৩৮ সালে প্রবোধচন্দ্র বাগচী তিব্বতি ভাষায় অনূদিত চর্যাপদ আবিষ্কার করে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের জার্নালে প্রকাশ করেন।

Related Questions

ক) পদ
খ) পদমর্যাদা
গ) মাত্রা
ঘ) উচ্চতা
Note :

Qqqq poblem

ক) কুটিল
খ) জটিল
গ) বক্র
ঘ) গরল
Note :

সরল শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ 'গরল' বাদে অপশনের বাকি তিনটিই । তবে এরা ভিন্নার্থে ব্যবহৃত হয় । গরল হলো অমৃত শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ । 

ক) প্রশ্নবাচক
খ) অব্যয়
গ) সর্বনাম
ঘ) বিশেষণ
Note :

-প্রশ্ন তৈরির জন্য প্রশ্নবাচক সর্বনাম প্রয়োগ করা হয়।
-কি, কী, কে, কারা, কাকে, কিসে প্রভৃতি প্রশ্নবাচক সর্বনাম।
-সর্বনাম হিসেবে ব্যবহৃত ‘কী’ শব্দটির বানানে দীর্ঘ-ঈ- কার হয়।
যেমন:
-তোমার নাম কী?
-তুমি কী খেয়েছো?
-দৃষ্টিশক্তি বাড়াবার পন্থাটা কী?
-আমি নিজে কী করি?

তবে অব্যয় হিসেবে ব্যবহৃত ‘কি’ শব্দের বানানে হ্রস্ব-ই-কার হয়।

ক) উপপদ
খ) প্রাতিপদিক
গ) প্রপদ
ঘ) পূর্বপদ
Note :

ধাতু বা ক্রিয়ামূল দ্বারা গঠিত কৃদন্ত পদের পূর্ববর্তী পদকে অর্থাৎ ধাতুর পূর্ববর্তী পদকে উপপদ বলা হয়।
যেমন: পঙ্ক-√জন্+অ = পঙ্কজ।
প্রদত্ত ‘পঙ্কজ’ শব্দে ‘পঙ্ক’ হলো উপপদ, ‘√জন’ হলো ধাতু, ‘অ’ হলো প্রত্যয়।

ধাতু ও প্রত্যয় সাধিত পদকেই কৃদন্ত পদ বলে। পঙ্কে জন্মে যা = পঙ্কজ।
এখানে ‘পঙ্কে’ উপপদ, জন্মে- কৃদন্ত পদ।

বিভক্তিহীন নাম শব্দকে প্রাতিপদিক বলে।
যেমন: মিঠা+আই = মিঠাই। এখানে ‘মিঠা’ হলো প্রাতিপদিক ৷

ক) একটি
খ) দুটি
গ) তিনটি
ঘ) ভুল নেই
Note :

 এই বাক্যে ৩ টি বানান ভুল রয়েছে যেগুলো হলো- 

সুনামী→ সুনামি 

তান্ডব→ তাণ্ডব

সর্বশান্ত→ সর্বস্বান্ত 

ক) প্রবীণ
খ) জেঠামি
গ) সরোজ
ঘ) মিতালি
Note :

যে সকল শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ একই রকম, সেগুলোকে যৌগিক শব্দ বলে।
যেমন: মিতা+আলি = মিতালি। এখানে ‘মিতা' অর্থ বন্ধু, সখা, সুহৃদ; ‘মিতালি’ অর্থ মিত্রতা, সখ্য, বন্ধুত্ব।
সুতরাং, ‘মিতালি’ শব্দটির ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ একই, যা যৌগিক শব্দের সকল শর্ত পূরণ করেছে।

-'প্রবীণ’ শব্দটির প্রকৃত অর্থ প্রকৃষ্টরূপে বীণা বাজাতে পারেন যিনি। কিন্তু ‘প্রবীণ’ শব্দটি অভিজ্ঞতা সম্পন্ন বয়স্ক ব্যক্তি অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা রূঢ়ি শব্দ।
-সরোবরে জন্মে যা- সরোজ; শৈবাল, শালুক, পদ্ম প্রভৃতি নানাবিধ উদ্ভিদ সরোবরে জন্মে। কিন্তু ‘সরোজ’ শব্দটি একমাত্র ‘পদ্ম’ অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা যোগরূঢ় শব্দ।
-জেঠা+আমি = জেঠামি। ‘জেঠা’ শব্দটির অর্থ পিতার বড় ভাই। কিন্তু ‘জেঠামি’ শব্দটি দ্বারা নিন্দা জ্ঞাপনে মাতব্বরি বা পাকামি অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা রূঢ়ি শব্দ।

জব সলুশন

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন - ল্যাবরেটরি অ্যাটেনডেন্ট (31-07-2026)

বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন- পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়- সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ১৪-০৭-২০২৬

সমন্বিত ব্যাংক — অফিসার (ক্যাশ) 03-07-2026

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর — অফিস সহায়ক ২৭-০৬-২০২৬

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড — সেকশন ইঞ্জিনিয়ার 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — কারিগরি কর্মকর্তা 19-06-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন