কবি যশোরাজ খান বৈষ্ণবপদ রচনা করেন কোন ভাষায়?
-যশোরাজ খানের প্রকৃত নাম দামোদর সেন।
-তিনি গৌড়ের শাসক সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহের পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলাদেশে প্রথম ব্রজবুলি ভাষায় বৈষ্ণবপদ রচনা করেন।
-তিনি ‘শ্রীকৃষ্ণমঙ্গল’ কাব্য রচনা করে ‘যশোরাজ খান’ উপাধি লাভ করেন।
-এ গ্রন্থে তিনি সুলতানকে ‘শাহু হুসেন জগত-ভূষণ' বলে সম্বোধন করেন।
-তাঁর একটি মাত্র পদ পাওয়া গেছে।
যথা:
এক পয়োধর চন্দনে লোপিত
আরে সহজেই গোর।
হিম ধরাধর কোলে মিলল
ভূধরাধর যোর ॥
মাধব, তুয়া দরশন কাজে।
আধ পদ চালান করিঞা সুন্দরী
বাহির দেহলী মাঝে ॥
নীল ধবল কমল দুঅ চান্দ
পূজল কত কোটি কাম ৷
Related Questions
জয়দেব ছিলেন লক্ষ্মণসেনের রাজসভার পঞ্চরত্নের অন্যতম। জয়দেবের বিখ্যাত রচনা গীতগোবিন্দম্। এটি একটি সংস্কৃত গীতিকাব্য। ২৮৬টি শ্লোক এবং ২৪টি গীতের সমন্বয়ে ১২ সর্গে এটি রচিত। বৈষ্ণব সহজিয়াগণ জয়দেবকে আদিগুরু এবং নবরসিকের অন্যতম বলে মর্যাদা দিয়ে থাকেন।
- জয়দেব, বিদ্যাপতি ও চন্ডীদাস মধ্যযুগের ও বৈষ্ণব পদাবলির কবি
- মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবার (রয়েল লাইব্রেরি) থেকে ‘চর্যাপদ’ আবিষ্কার করেন।
- চর্যাপদ তিব্বতি ভাষায় অনুবাদ করেছিলেন কীর্তিচন্দ্র।
- ১৯৩৮ সালে প্রবোধচন্দ্র বাগচী তিব্বতি ভাষায় অনূদিত চর্যাপদ আবিষ্কার করে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের জার্নালে প্রকাশ করেন।
সরল শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ 'গরল' বাদে অপশনের বাকি তিনটিই । তবে এরা ভিন্নার্থে ব্যবহৃত হয় । গরল হলো অমৃত শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ ।
-প্রশ্ন তৈরির জন্য প্রশ্নবাচক সর্বনাম প্রয়োগ করা হয়।
-কি, কী, কে, কারা, কাকে, কিসে প্রভৃতি প্রশ্নবাচক সর্বনাম।
-সর্বনাম হিসেবে ব্যবহৃত ‘কী’ শব্দটির বানানে দীর্ঘ-ঈ- কার হয়।
যেমন:
-তোমার নাম কী?
-তুমি কী খেয়েছো?
-দৃষ্টিশক্তি বাড়াবার পন্থাটা কী?
-আমি নিজে কী করি?
তবে অব্যয় হিসেবে ব্যবহৃত ‘কি’ শব্দের বানানে হ্রস্ব-ই-কার হয়।
ধাতু বা ক্রিয়ামূল দ্বারা গঠিত কৃদন্ত পদের পূর্ববর্তী পদকে অর্থাৎ ধাতুর পূর্ববর্তী পদকে উপপদ বলা হয়।
যেমন: পঙ্ক-√জন্+অ = পঙ্কজ।
প্রদত্ত ‘পঙ্কজ’ শব্দে ‘পঙ্ক’ হলো উপপদ, ‘√জন’ হলো ধাতু, ‘অ’ হলো প্রত্যয়।
ধাতু ও প্রত্যয় সাধিত পদকেই কৃদন্ত পদ বলে। পঙ্কে জন্মে যা = পঙ্কজ।
এখানে ‘পঙ্কে’ উপপদ, জন্মে- কৃদন্ত পদ।
বিভক্তিহীন নাম শব্দকে প্রাতিপদিক বলে।
যেমন: মিঠা+আই = মিঠাই। এখানে ‘মিঠা’ হলো প্রাতিপদিক ৷
জব সলুশন