কোনটি কবি জৈনুদ্দিনের কাব্যগ্রন্থ?
জয়েন উদ্দীন (পঞ্চদশ শতক) মধ্যযুগের বাংলার একজন বিখ্যাত কবি। তিনি গৌড়ের সুলতান ইউসুফ শাহের (১৪৭৪ - ১৪৮১) সভাকবি ছিলেন। তার রসুল-বিজয় মৌলিক রচনা নয়, কোনো ফার্সি গ্রন্থের অনুসরণে লিখিত। তার এই কাব্যটি প্রাচীন বাংলা সাহিত্যে মুসলমান রচিত বিজয়-কাব্যধারার অন্যতম পথিকৃৎ।
Related Questions
সৈয়দ নূরুদ্দীন ছিলেন একজন বাংলাদেশী সাংবাদিক। সাংবাদিকতায় অবদানের জন্য তিনি ১৯৮৬ সালে মরণোত্তর বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত হন।
সৈয়দ নূরুদ্দীন যুদ্ধকাব্যের রচয়িতা নন।
-যশোরাজ খানের প্রকৃত নাম দামোদর সেন।
-তিনি গৌড়ের শাসক সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহের পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলাদেশে প্রথম ব্রজবুলি ভাষায় বৈষ্ণবপদ রচনা করেন।
-তিনি ‘শ্রীকৃষ্ণমঙ্গল’ কাব্য রচনা করে ‘যশোরাজ খান’ উপাধি লাভ করেন।
-এ গ্রন্থে তিনি সুলতানকে ‘শাহু হুসেন জগত-ভূষণ' বলে সম্বোধন করেন।
-তাঁর একটি মাত্র পদ পাওয়া গেছে।
যথা:
এক পয়োধর চন্দনে লোপিত
আরে সহজেই গোর।
হিম ধরাধর কোলে মিলল
ভূধরাধর যোর ॥
মাধব, তুয়া দরশন কাজে।
আধ পদ চালান করিঞা সুন্দরী
বাহির দেহলী মাঝে ॥
নীল ধবল কমল দুঅ চান্দ
পূজল কত কোটি কাম ৷
জয়দেব ছিলেন লক্ষ্মণসেনের রাজসভার পঞ্চরত্নের অন্যতম। জয়দেবের বিখ্যাত রচনা গীতগোবিন্দম্। এটি একটি সংস্কৃত গীতিকাব্য। ২৮৬টি শ্লোক এবং ২৪টি গীতের সমন্বয়ে ১২ সর্গে এটি রচিত। বৈষ্ণব সহজিয়াগণ জয়দেবকে আদিগুরু এবং নবরসিকের অন্যতম বলে মর্যাদা দিয়ে থাকেন।
- জয়দেব, বিদ্যাপতি ও চন্ডীদাস মধ্যযুগের ও বৈষ্ণব পদাবলির কবি
- মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবার (রয়েল লাইব্রেরি) থেকে ‘চর্যাপদ’ আবিষ্কার করেন।
- চর্যাপদ তিব্বতি ভাষায় অনুবাদ করেছিলেন কীর্তিচন্দ্র।
- ১৯৩৮ সালে প্রবোধচন্দ্র বাগচী তিব্বতি ভাষায় অনূদিত চর্যাপদ আবিষ্কার করে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের জার্নালে প্রকাশ করেন।
সরল শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ 'গরল' বাদে অপশনের বাকি তিনটিই । তবে এরা ভিন্নার্থে ব্যবহৃত হয় । গরল হলো অমৃত শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ ।
জব সলুশন