'তোমার নাম কী?'—এখানে 'কী' কোন প্রকারের পদ?
-প্রশ্ন তৈরির জন্য প্রশ্নবাচক সর্বনাম প্রয়োগ করা হয়।
-কি, কী, কে, কারা, কাকে, কিসে প্রভৃতি প্রশ্নবাচক সর্বনাম।
-সর্বনাম হিসেবে ব্যবহৃত ‘কী’ শব্দটির বানানে দীর্ঘ-ঈ- কার হয়।
যেমন:
-তোমার নাম কী?
-তুমি কী খেয়েছো?
-দৃষ্টিশক্তি বাড়াবার পন্থাটা কী?
-আমি নিজে কী করি?
তবে অব্যয় হিসেবে ব্যবহৃত ‘কি’ শব্দের বানানে হ্রস্ব-ই-কার হয়।
Related Questions
ধাতু বা ক্রিয়ামূল দ্বারা গঠিত কৃদন্ত পদের পূর্ববর্তী পদকে অর্থাৎ ধাতুর পূর্ববর্তী পদকে উপপদ বলা হয়।
যেমন: পঙ্ক-√জন্+অ = পঙ্কজ।
প্রদত্ত ‘পঙ্কজ’ শব্দে ‘পঙ্ক’ হলো উপপদ, ‘√জন’ হলো ধাতু, ‘অ’ হলো প্রত্যয়।
ধাতু ও প্রত্যয় সাধিত পদকেই কৃদন্ত পদ বলে। পঙ্কে জন্মে যা = পঙ্কজ।
এখানে ‘পঙ্কে’ উপপদ, জন্মে- কৃদন্ত পদ।
বিভক্তিহীন নাম শব্দকে প্রাতিপদিক বলে।
যেমন: মিঠা+আই = মিঠাই। এখানে ‘মিঠা’ হলো প্রাতিপদিক ৷
এই বাক্যে ৩ টি বানান ভুল রয়েছে যেগুলো হলো-
সুনামী→ সুনামি
তান্ডব→ তাণ্ডব
সর্বশান্ত→ সর্বস্বান্ত
যে সকল শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ একই রকম, সেগুলোকে যৌগিক শব্দ বলে।
যেমন: মিতা+আলি = মিতালি। এখানে ‘মিতা' অর্থ বন্ধু, সখা, সুহৃদ; ‘মিতালি’ অর্থ মিত্রতা, সখ্য, বন্ধুত্ব।
সুতরাং, ‘মিতালি’ শব্দটির ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ একই, যা যৌগিক শব্দের সকল শর্ত পূরণ করেছে।
-'প্রবীণ’ শব্দটির প্রকৃত অর্থ প্রকৃষ্টরূপে বীণা বাজাতে পারেন যিনি। কিন্তু ‘প্রবীণ’ শব্দটি অভিজ্ঞতা সম্পন্ন বয়স্ক ব্যক্তি অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা রূঢ়ি শব্দ।
-সরোবরে জন্মে যা- সরোজ; শৈবাল, শালুক, পদ্ম প্রভৃতি নানাবিধ উদ্ভিদ সরোবরে জন্মে। কিন্তু ‘সরোজ’ শব্দটি একমাত্র ‘পদ্ম’ অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা যোগরূঢ় শব্দ।
-জেঠা+আমি = জেঠামি। ‘জেঠা’ শব্দটির অর্থ পিতার বড় ভাই। কিন্তু ‘জেঠামি’ শব্দটি দ্বারা নিন্দা জ্ঞাপনে মাতব্বরি বা পাকামি অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা রূঢ়ি শব্দ।
যে সকল অব্যয় বাক্যের অন্য পদের সঙ্গে কোনো সম্বন্ধ না রেখে স্বাধীনভাবে নানাবিধ ভাব প্রকাশে ব্যবহৃত হয়, তাদের অনন্বয়ী অব্যয় বলে।
যেমন: তুমি তো ভারি সুন্দর ছবি আঁক!'
প্রদত্ত উদাহরণে ‘তো’ হলো অনন্বয়ী অব্যয়, যা অন্য কোনো বাক্য বা পদের সাথে সম্বন্ধ না রেখে স্বাধীনভাবে আবেগসূচক ভাব প্রকাশ করেছে।
সংস্কৃত শব্দ 'তাম্ভূলিক' (তাম্বুল+ইক) বিশেষ্য পদটির সমার্থক শব্দ: পান ব্যবসায়ী, পর্ণকার, বারুই।
সংস্কৃত শব্দ 'তামসিক' (তমস্+ইক+ঈ) বিশেষণ পদটির অর্থ মেঘাচ্ছন্ন, তমোভাবপূর্ণ।
যে স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় জিহ্বা উচ্চ-মধ্য অবস্থানে থাকে সেগুলি উচ্চমধ্য স্বরধ্বনি বলে। যেমন- এ,ও। যে স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় জিহ্বা নিম্ন মধ্য অবস্থানে থাকে, সেগুলি নিম্নমধ্য স্বরধ্বনি। যেমন- অ্যা,অ।
জব সলুশন