কৃদন্ত পদের পূর্ববর্তী পদকে কী বলে ?

ক) উপপদ
খ) প্রাতিপদিক
গ) প্রপদ
ঘ) পূর্বপদ
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

ধাতু বা ক্রিয়ামূল দ্বারা গঠিত কৃদন্ত পদের পূর্ববর্তী পদকে অর্থাৎ ধাতুর পূর্ববর্তী পদকে উপপদ বলা হয়।
যেমন: পঙ্ক-√জন্+অ = পঙ্কজ।
প্রদত্ত ‘পঙ্কজ’ শব্দে ‘পঙ্ক’ হলো উপপদ, ‘√জন’ হলো ধাতু, ‘অ’ হলো প্রত্যয়।

ধাতু ও প্রত্যয় সাধিত পদকেই কৃদন্ত পদ বলে। পঙ্কে জন্মে যা = পঙ্কজ।
এখানে ‘পঙ্কে’ উপপদ, জন্মে- কৃদন্ত পদ।

বিভক্তিহীন নাম শব্দকে প্রাতিপদিক বলে।
যেমন: মিঠা+আই = মিঠাই। এখানে ‘মিঠা’ হলো প্রাতিপদিক ৷

Related Questions

ক) একটি
খ) দুটি
গ) তিনটি
ঘ) ভুল নেই
Note :

 এই বাক্যে ৩ টি বানান ভুল রয়েছে যেগুলো হলো- 

সুনামী→ সুনামি 

তান্ডব→ তাণ্ডব

সর্বশান্ত→ সর্বস্বান্ত 

ক) প্রবীণ
খ) জেঠামি
গ) সরোজ
ঘ) মিতালি
Note :

যে সকল শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ একই রকম, সেগুলোকে যৌগিক শব্দ বলে।
যেমন: মিতা+আলি = মিতালি। এখানে ‘মিতা' অর্থ বন্ধু, সখা, সুহৃদ; ‘মিতালি’ অর্থ মিত্রতা, সখ্য, বন্ধুত্ব।
সুতরাং, ‘মিতালি’ শব্দটির ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ একই, যা যৌগিক শব্দের সকল শর্ত পূরণ করেছে।

-'প্রবীণ’ শব্দটির প্রকৃত অর্থ প্রকৃষ্টরূপে বীণা বাজাতে পারেন যিনি। কিন্তু ‘প্রবীণ’ শব্দটি অভিজ্ঞতা সম্পন্ন বয়স্ক ব্যক্তি অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা রূঢ়ি শব্দ।
-সরোবরে জন্মে যা- সরোজ; শৈবাল, শালুক, পদ্ম প্রভৃতি নানাবিধ উদ্ভিদ সরোবরে জন্মে। কিন্তু ‘সরোজ’ শব্দটি একমাত্র ‘পদ্ম’ অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা যোগরূঢ় শব্দ।
-জেঠা+আমি = জেঠামি। ‘জেঠা’ শব্দটির অর্থ পিতার বড় ভাই। কিন্তু ‘জেঠামি’ শব্দটি দ্বারা নিন্দা জ্ঞাপনে মাতব্বরি বা পাকামি অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা রূঢ়ি শব্দ।

ক) পদান্বয়ী অব্যয়
খ) অনুসর্গ অব্যয়
গ) অনন্বয়ী অব্যয়
ঘ) অনুকার অব্যয়
Note :

যে সকল অব্যয় বাক্যের অন্য পদের সঙ্গে কোনো সম্বন্ধ না রেখে স্বাধীনভাবে নানাবিধ ভাব প্রকাশে ব্যবহৃত হয়, তাদের অনন্বয়ী অব্যয় বলে।

যেমন: তুমি তো ভারি সুন্দর ছবি আঁক!'
প্রদত্ত উদাহরণে ‘তো’ হলো অনন্বয়ী অব্যয়, যা অন্য কোনো বাক্য বা পদের সাথে সম্বন্ধ না রেখে স্বাধীনভাবে আবেগসূচক ভাব প্রকাশ করেছে।

ক) পান-ব্যবসায়ী
খ) পর্ণকার
গ) তামসিক
ঘ) বারুই
Note :

সংস্কৃত শব্দ  'তাম্ভূলিক' (তাম্বুল+ইক) বিশেষ্য পদটির সমার্থক শব্দ: পান ব্যবসায়ী, পর্ণকার, বারুই।

সংস্কৃত শব্দ 'তামসিক' (তমস্+ইক+ঈ) বিশেষণ পদটির অর্থ মেঘাচ্ছন্ন, তমোভাবপূর্ণ।

ক) অ
খ) আ
গ) অ‍্যা
ঘ) এ
Note :

যে স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় জিহ্বা উচ্চ-মধ্য অবস্থানে থাকে সেগুলি উচ্চমধ্য স্বরধ্বনি বলে। যেমন- এ,ও। যে স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় জিহ্বা নিম্ন মধ্য অবস্থানে থাকে, সেগুলি নিম্নমধ্য স্বরধ্বনি। যেমন- অ‍্যা,অ।

ক) মানোএল দ্য আসসুম্পসাঁও
খ) রাজা রামমোহন রায়
গ) রামেন্দ্র সুন্দর ত্রিবেদী
ঘ) নাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড
Note :

-ভারতীয় উপমহাদেশে খ্রিস্ট ধর্ম প্রচারের লক্ষ্যে গাজীপুরের ভাওয়ালগড়ে অবস্থানকালে পতুর্গিজ ক্যাথলিক পাদ্রী মনোএল দ্য আসসুম্পসাঁউ রোমান হরফে পর্তুগিজ ভাষায় ‘Vocabulario Em Idioma Bengalla, E Portuguez. -Dividido Em Duas Partes' গ্রন্থটি রচনা করেন, যা বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ গ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত।
-এটি ১৭৪৩ সালে লিসবন থেকে প্রকাশিত হয়। গ্রন্থটি মূলত একটি অভিধান।
-বাংলাভাষী জনগণের মধ্যে খ্রিস্ট ধর্ম প্রচারের সুবিধার্থে তিনি পর্তুগিজ ভাষায় রোমান হরফে ‘কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ' (১৭৪৩) রচনা করেন, যা বাংলা কথ্যভাষার আদি গদ্যগ্রন্থ হিসেবে পরিচিত।
-রাজা রামমোহন রায় রচিত 'Bengali Grammar in English Language' ১৮২৬ সালে প্রকাশিত হয়।
-এটি পরবর্তীতে ১৮৩৩ সালে তিনি ‘গৌড়ীয় ব্যাকরণ’ নামে অনূদিত করেন, যা বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম ব্যাকরণ গ্রন্থ হিসেবে পরিচিত।
-নাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড রচিত বাংলা ভাষার দ্বিতীয় ব্যাকরণ গ্রন্থ ‘A Grammar of the Bengal Language', যা ১৭৭৮ সালে ইংরেজিতে প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে চার্লস উইলকিনসের হুগলির মুদ্রণযন্ত্র থেকে গ্রন্থটির অংশবিশেষ বাংলায় মুদ্রিত হয়।
-রামেন্দ্র সুন্দর ত্রিবেদী রচিত ব্যাকরণ বিষয়ক গ্রন্থ ‘শব্দকথা (১৯১৭)।

জব সলুশন

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন - ল্যাবরেটরি অ্যাটেনডেন্ট (31-07-2026)

বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন- পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়- সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ১৪-০৭-২০২৬

সমন্বিত ব্যাংক — অফিসার (ক্যাশ) 03-07-2026

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর — অফিস সহায়ক ২৭-০৬-২০২৬

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড — সেকশন ইঞ্জিনিয়ার 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — কারিগরি কর্মকর্তা 19-06-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন