মংলা বন্দর কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
মোংলা বন্দর বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে খুলনা বিভাগে অবস্থিত একটি সমুদ্র বন্দর। এটি বাংলাদেশের ২য় বৃহত্তম এবং ২য় ব্যস্ততম সমুদ্র বন্দর। এটি খুলনা মহানগরীর দক্ষিণ-পূর্বে পশুর নদীর তীরে অবস্থিত। বন্দরটি ১৯৫০ সালের ১ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়।
Related Questions
সূর্যের তাপে ভূপৃষ্ঠের বায়ু গরম হয়ে ওপরে উঠে শীতল হওয়ার মাধ্যমে প্রধানত নিরক্ষীয় অঞ্চলে (Equatorial Region) পরিচলন বৃষ্টি সবচেয়ে বেশি হয়। বিষুবরেখার কাছাকাছি অঞ্চল, যেমন—আমাজন অববাহিকা ও কঙ্গো অববাহিকায় সারা বছর প্রচুর তাপ ও আর্দ্রতা থাকে বলে প্রায় প্রতিদিন বিকেলে এই বৃষ্টিপাত ঘটে। ক্রান্তীয় অঞ্চলেও গ্রীষ্মকালে এটি হয়ে থাকে।
শীতলক্ষ্যা নদী (Shitalakshya River) পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে উৎপন্ন। গাজীপুর জেলার টোক নামক স্থানে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র দুটি ধারায় বিভক্ত হয়ে একটি ধারা বানার নামে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে প্রবাহিত হয়ে লাকপুর নামক স্থানে শীতলক্ষ্যা নাম ধারণ করে বৃহত্তর ঢাকা জেলার পূর্ব পাশ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। শীতলক্ষ্যা কলাগাছিয়ার কাছে ধলেশ্বরী নদীতে পড়েছে। নদীটির মোট দৈর্ঘ্য ১১০ কিমি, প্রস্থ নারায়ণগঞ্জের কাছে ৩০০ মিটার, কিন্তু উপরের দিকে আস্তে আস্তে কমে গিয়ে হয়েছে প্রায় ১০০ মিটার। ডেমরায় সর্বোচ্চ ২,৬০০ কিউমেক প্রবাহ পরিমাপ করা হয়েছে। নদীটি নাব্য এবং সারা বছরই নৌ চলাচলের উপযোগী। শীতলক্ষ্যার ভাঙন প্রবণতা কম।
সূর্য চন্দ্র অপেক্ষা ২.৬০ কোটি গুণ বড় হলেও পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব থেকে অনেক বেশি। তাই পৃথিবীর উপর চাঁদের আকর্ষণ শক্তি সূর্য অপেক্ষা প্রায় দ্বিগুণ। পৃথিবীর উপর চাঁদের আকর্ষণ তাই হল মাধ্যাকর্ষণ শক্তি। এ মধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে জোয়ার ভাটা হয়।
মেঘনা নদী কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব বাজার-এর কাছে ব্রহ্মপুত্রের সাথে মিলিত হয়েছে। এছাড়া, ব্রহ্মপুত্রের প্রধান শাখা (পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদ) ঢাকার কাছে মেঘনা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে।
জীবজগতের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর রশ্মি হচ্ছে অতিবেগুনী রশ্মি ,যা সূর্য থেকে পৃথিবীতে আসে ।তবে বায়ুমণ্ডলের ওজোন স্তর এ রশ্মিকে পৃথিবীতে আসতে বাধা দেয় । এ রশ্মি পৃথিবীতে আসলে সমস্ত প্রাণীকুল ধ্বংস হয়ে যেত এবং সমস্ত মানুষ অন্ধ হয়ে যেত ।
সামুদ্রিক প্রাণী ক্যাটল ফিস (Cuttlefish)-এর দেহে তিনটি আলাদা হৃৎপিণ্ড থাকে।
জব সলুশন