শীতলক্ষ্যা নদী উৎপন্ন হয়েছে ---

ক) যমুনা নদী হতে
খ) মেঘনা নদী হতে
গ) পদ্মা নদী হতে
ঘ) ব্রহ্মপুত্র নদী হতে
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

শীতলক্ষ্যা নদী (Shitalakshya River) পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে উৎপন্ন। গাজীপুর জেলার টোক নামক স্থানে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র দুটি ধারায় বিভক্ত হয়ে একটি ধারা বানার নামে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে প্রবাহিত হয়ে লাকপুর নামক স্থানে শীতলক্ষ্যা নাম ধারণ করে বৃহত্তর ঢাকা জেলার পূর্ব পাশ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। শীতলক্ষ্যা কলাগাছিয়ার কাছে ধলেশ্বরী নদীতে পড়েছে। নদীটির মোট দৈর্ঘ্য ১১০ কিমি, প্রস্থ নারায়ণগঞ্জের কাছে ৩০০ মিটার, কিন্তু উপরের দিকে আস্তে আস্তে কমে গিয়ে হয়েছে প্রায় ১০০ মিটার। ডেমরায় সর্বোচ্চ ২,৬০০ কিউমেক প্রবাহ পরিমাপ করা হয়েছে। নদীটি নাব্য এবং সারা বছরই নৌ চলাচলের উপযোগী। শীতলক্ষ্যার ভাঙন প্রবণতা কম।

Related Questions

ক) আটগুণ
খ) চারগুণ
গ) তিনগুণ
ঘ) দ্বিগুণ
Note :

সূর্য চন্দ্র অপেক্ষা ২.৬০ কোটি গুণ বড় হলেও পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব থেকে অনেক বেশি। তাই পৃথিবীর উপর চাঁদের আকর্ষণ শক্তি সূর্য অপেক্ষা প্রায় দ্বিগুণ। পৃথিবীর উপর চাঁদের আকর্ষণ তাই হল মাধ্যাকর্ষণ শক্তি। এ মধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে জোয়ার ভাটা হয়।

ক) ভৈরব বাজারে
খ) চাঁদপুরের কাছে
গ) গোয়ালন্দে
ঘ) নারায়ণগঞ্জে
Note :

মেঘনা নদী কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব বাজার-এর কাছে ব্রহ্মপুত্রের সাথে মিলিত হয়েছে। এছাড়া, ব্রহ্মপুত্রের প্রধান শাখা (পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদ) ঢাকার কাছে মেঘনা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে। 

ক) চন্দ্র
খ) সূর্য
গ) বৃহস্পতি
ঘ) কোনোটিই নয়
Note :

জীবজগতের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর রশ্মি হচ্ছে অতিবেগুনী রশ্মি ,যা সূর্য থেকে পৃথিবীতে আসে ।তবে বায়ুমণ্ডলের ওজোন স্তর এ রশ্মিকে পৃথিবীতে আসতে বাধা দেয় । এ রশ্মি পৃথিবীতে আসলে সমস্ত প্রাণীকুল ধ্বংস হয়ে যেত এবং সমস্ত মানুষ অন্ধ হয়ে যেত ।

ক) কচ্ছপ
খ) সিল মাছ
গ) ক্যাটল ফিস
ঘ) হাঙ্গর
Note :

সামুদ্রিক প্রাণী ক্যাটল ফিস (Cuttlefish)-এর দেহে তিনটি আলাদা হৃৎপিণ্ড থাকে। 

ক) বাইরে এসে মাটিতে উপুড় হয়ে শুয়ে পড়বেন
খ) বাইরে এসে আকাশের দিকে মুখ করে দাঁড়িয়ে থাকবেন
গ) কোনো বড় গাছের নিচে আশ্রয় নিবেন
ঘ) গাড়ির মধ্যেই বসে থাকবেন
Note :

গাড়ির ভিতরে থাকা এবং ধাতব অংশগুলিকে স্পর্শ করা এড়াতে, কারণ ধাতু বিদ্যুৎ সঞ্চালন করতে পারে। গাড়ির ধাতব ফ্রেম এবং বডিওয়ার্ক একটি "ফ্যারাডে খাঁচা" হিসাবে কাজ করবে, যা আপনাকে বজ্রপাত থেকে রক্ষা করবে। আপনার মোবাইল ফোনের মতো ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলিও এড়ানো উচিত কারণ তারা বজ্রপাতকে আকর্ষণ করতে পারে। সরাকারি নির্দেশনা অনুযায়ী যখন বজ্রপাত হয় সবসময় ভিতরে বসে থাকা ও একেবারে নিচু কোন জায়গার মধ্যে যেটি আশে পাশের কোন কিছু আশ্রয়ের তুলনায় যেমন বাড়ি, ছাদ বা গাছ ইত্যাদি। এইভাবে আপনি নিজেকে বাঁচাতে পারবেন।

" বাইরে এসে মাটিতে উপুড় হয়ে শুয়ে থাকবেন" এটা সঠিক নয় কারণ, বজ্রপাতের সময় যদি একটি শক ওয়েভ তৈরি হয় তার বাতাসের মধ্য দিয়ে ভ্রমণ করতে পারে এবং মাটিতে বা কাছাকাছি বস্তু এবং লোকেদের আঘাত করতে পারে। যখন বজ্রপাত মাটিতে আঘাত করে, তখন বৈদ্যুতিক প্রবাহ  মাটির মধ্য দিয়ে ভ্রমণ করতে পারে এবং যা "গ্রাউন্ড কারেন্ট" নামে পরিচিত তা উৎপন্ন করতে পারে।

আমাদের প্রচলিত বইগুলোতে উত্তর " বাইরে এসে মাটিতে উপুড় হয়ে শুয়ে থাকবেন" যা ভুল।

জব সলুশন

বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন- পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়- সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ১৪-০৭-২০২৬

সমন্বিত ব্যাংক — অফিসার (ক্যাশ) 03-07-2026

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর — অফিস সহায়ক ২৭-০৬-২০২৬

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড — সেকশন ইঞ্জিনিয়ার 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — কারিগরি কর্মকর্তা 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — প্রমোশন অফিসার 19-06-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন