পরিচলন বৃষ্টি হয় কোন অঞ্চলে?
Related Questions
শীতলক্ষ্যা নদী (Shitalakshya River) পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে উৎপন্ন। গাজীপুর জেলার টোক নামক স্থানে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র দুটি ধারায় বিভক্ত হয়ে একটি ধারা বানার নামে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে প্রবাহিত হয়ে লাকপুর নামক স্থানে শীতলক্ষ্যা নাম ধারণ করে বৃহত্তর ঢাকা জেলার পূর্ব পাশ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। শীতলক্ষ্যা কলাগাছিয়ার কাছে ধলেশ্বরী নদীতে পড়েছে। নদীটির মোট দৈর্ঘ্য ১১০ কিমি, প্রস্থ নারায়ণগঞ্জের কাছে ৩০০ মিটার, কিন্তু উপরের দিকে আস্তে আস্তে কমে গিয়ে হয়েছে প্রায় ১০০ মিটার। ডেমরায় সর্বোচ্চ ২,৬০০ কিউমেক প্রবাহ পরিমাপ করা হয়েছে। নদীটি নাব্য এবং সারা বছরই নৌ চলাচলের উপযোগী। শীতলক্ষ্যার ভাঙন প্রবণতা কম।
গাড়ির ভিতরে থাকা এবং ধাতব অংশগুলিকে স্পর্শ করা এড়াতে, কারণ ধাতু বিদ্যুৎ সঞ্চালন করতে পারে। গাড়ির ধাতব ফ্রেম এবং বডিওয়ার্ক একটি "ফ্যারাডে খাঁচা" হিসাবে কাজ করবে, যা আপনাকে বজ্রপাত থেকে রক্ষা করবে। আপনার মোবাইল ফোনের মতো ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলিও এড়ানো উচিত কারণ তারা বজ্রপাতকে আকর্ষণ করতে পারে। সরাকারি নির্দেশনা অনুযায়ী যখন বজ্রপাত হয় সবসময় ভিতরে বসে থাকা ও একেবারে নিচু কোন জায়গার মধ্যে যেটি আশে পাশের কোন কিছু আশ্রয়ের তুলনায় যেমন বাড়ি, ছাদ বা গাছ ইত্যাদি। এইভাবে আপনি নিজেকে বাঁচাতে পারবেন।
" বাইরে এসে মাটিতে উপুড় হয়ে শুয়ে থাকবেন" এটা সঠিক নয় কারণ, বজ্রপাতের সময় যদি একটি শক ওয়েভ তৈরি হয় তার বাতাসের মধ্য দিয়ে ভ্রমণ করতে পারে এবং মাটিতে বা কাছাকাছি বস্তু এবং লোকেদের আঘাত করতে পারে। যখন বজ্রপাত মাটিতে আঘাত করে, তখন বৈদ্যুতিক প্রবাহ মাটির মধ্য দিয়ে ভ্রমণ করতে পারে এবং যা "গ্রাউন্ড কারেন্ট" নামে পরিচিত তা উৎপন্ন করতে পারে।
আমাদের প্রচলিত বইগুলোতে উত্তর " বাইরে এসে মাটিতে উপুড় হয়ে শুয়ে থাকবেন" যা ভুল।
জব সলুশন