বাংলাদেশের চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গেছে ---
বাংলাদেশের নেত্রকোণা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার বিজয়পুরে সবচেয়ে বড় চীনামাটির (সাদামাটি বা কেওলিন) খনি ও সন্ধান পাওয়া গেছে। ১৯৫৭ সালে পাকিস্তান ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর প্রথম এই সন্ধান পায়।
Related Questions
কম্পিউটার হার্ডওয়্যার বলতে মূলত কম্পিউটার এবং এর সাথে সম্পর্কিত সকল বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ ভৌত বা যান্ত্রিক সরঞ্জামকে বোঝায়, যা খালি চোখে দেখা যায় এবং স্পর্শ করা যায়।
যখন কোনো বস্তুকে বিষুবরেখা (নিরক্ষরেখা) থেকে মেরুতে নিয়ে যাওয়া হয়, তখন তার ওজন বাড়ে । পৃথিবী পুরোপুরি গোল না হওয়ায় এর বিষুবীয় অঞ্চল স্ফীত এবং মেরু অঞ্চল কিছুটা চাপা। এর ফলে বিষুবরেখায় পৃথিবীর ব্যাসার্ধ সবচেয়ে বেশি এবং মেরু অঞ্চলে সবচেয়ে কম। যেহেতু ব্যাসার্ধ কম, মেরু অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণ (\(g\)) এর মান বিষুবরেখার চেয়ে বেশি হয়।
ওজনের সূত্রটি হলো—
\(\text{ওজন } (W) = \text{ভর } (m) \times \text{অভিকর্ষজ ত্বরণ } (g)\)
ত্বরণের মান বেড়ে যাওয়ার কারণে মেরু অঞ্চলে বস্তুর ওজনও বৃদ্ধি পায়।
বাংলা নববর্ষ বা পহেলা বৈশাখ চালু করেছিলেন মুঘল সম্রাট আকবর । কৃষকদের কাছ থেকে খাজনা আদায়ের সুবিধার্থে এবং হিজরি বর্ষপঞ্জির সাথে ফসলি সনের সমন্বয় করতে সম্রাট আকবর ১৫৮৪ খ্রিষ্টাব্দে (মতান্তরে ১৫৫৬ খ্রিষ্টাব্দে) এই নতুন বর্ষপঞ্জি প্রবর্তন করেন। এটি কার্যকর করা হয়েছিল আকবরের সিংহাসন আরোহণের বছর থেকে ।
সমুদ্রকে নীল দেখানোর সঠিক উত্তরটি হলো বিক্ষেপণ।
সূর্য থেকে আসা সাদা আলোর মধ্যে সাতটি রঙ থাকে। যখন এই আলো সমুদ্রের পানিতে পড়ে, তখন পানি লাল, কমলা ও হলুদের মতো দীর্ঘ তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো শোষণ করে নেয়। অপরদিকে, নীল রঙের তরঙ্গদৈর্ঘ্য ছোট হওয়ায় তা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে বা বিক্ষিপ্ত হয়, যার ফলে আমাদের চোখে সমুদ্রের পানি নীল রঙের দেখায়।
মরক্কোর বিখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতা ১৩৪৫ সালে (স্বাধীন সুলতান ফখরুদ্দিন মোবারক শাহের আমলে) সোনারগাঁও এসেছিলেন। তাঁর ভ্রমণকাহিনীতে তিনি এই অঞ্চলকে একটি অত্যন্ত সমৃদ্ধ ও গুরুত্বপূর্ণ নগরী হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
বিখ্যাত মরক্কোর পরিব্রাজক ইবনে বতুতা সোনারগাঁও ভ্রমণ করেছিলেন। তিনি ১৩৪৫-৪৬ খ্রিস্টাব্দে ফখরুদ্দিন মুবারক শাহের আমলে সোনারগাঁওয়ে আসেন এবং তার ভ্রমণ কাহিনীতে (রেহলা) এই স্থানটিকে একটি সমৃদ্ধ নগরী ও প্রধান বন্দর হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
জব সলুশন