যখন কোনো বস্তুকে বিষুবরেখা থেকে মেরুতে নিয়ে যাওয়া হয়, তখন তার ওজন ---

ক) কমে
খ) বাড়ে
গ) একই থাকে
ঘ) অর্ধেক হয়ে যায়
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

যখন কোনো বস্তুকে বিষুবরেখা (নিরক্ষরেখা) থেকে মেরুতে নিয়ে যাওয়া হয়, তখন তার ওজন বাড়ে । পৃথিবী পুরোপুরি গোল না হওয়ায় এর বিষুবীয় অঞ্চল স্ফীত এবং মেরু অঞ্চল কিছুটা চাপা। এর ফলে বিষুবরেখায় পৃথিবীর ব্যাসার্ধ সবচেয়ে বেশি এবং মেরু অঞ্চলে সবচেয়ে কম। যেহেতু ব্যাসার্ধ কম, মেরু অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণ (\(g\)) এর মান বিষুবরেখার চেয়ে বেশি হয়। 

ওজনের সূত্রটি হলো—
\(\text{ওজন } (W) = \text{ভর } (m) \times \text{অভিকর্ষজ ত্বরণ } (g)\) 

ত্বরণের মান বেড়ে যাওয়ার কারণে মেরু অঞ্চলে বস্তুর ওজনও বৃদ্ধি পায়।

Related Questions

ক) লক্ষণ সেন
খ) ইলিয়াস শাহ
গ) আকবর
ঘ) বিজয় সেন
Note :

বাংলা নববর্ষ বা পহেলা বৈশাখ চালু করেছিলেন মুঘল সম্রাট আকবর । কৃষকদের কাছ থেকে খাজনা আদায়ের সুবিধার্থে এবং হিজরি বর্ষপঞ্জির সাথে ফসলি সনের সমন্বয় করতে সম্রাট আকবর ১৫৮৪ খ্রিষ্টাব্দে (মতান্তরে ১৫৫৬ খ্রিষ্টাব্দে) এই নতুন বর্ষপঞ্জি প্রবর্তন করেন। এটি কার্যকর করা হয়েছিল আকবরের সিংহাসন আরোহণের বছর থেকে । 

ক) বিক্ষেপণ
খ) প্রতিফলন
গ) প্রতিসরণ
ঘ) পোষণ
Note :

সমুদ্রকে নীল দেখানোর সঠিক উত্তরটি হলো বিক্ষেপণ।

সূর্য থেকে আসা সাদা আলোর মধ্যে সাতটি রঙ থাকে। যখন এই আলো সমুদ্রের পানিতে পড়ে, তখন পানি লাল, কমলা ও হলুদের মতো দীর্ঘ তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো শোষণ করে নেয়। অপরদিকে, নীল রঙের তরঙ্গদৈর্ঘ্য ছোট হওয়ায় তা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে বা বিক্ষিপ্ত হয়, যার ফলে আমাদের চোখে সমুদ্রের পানি নীল রঙের দেখায়।

ক) ইবনে বতুতা
খ) ফা-হিয়েন
গ) মার্কো পোলো
ঘ) হিউয়েন সাং
Note :

মরক্কোর বিখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতা ১৩৪৫ সালে (স্বাধীন সুলতান ফখরুদ্দিন মোবারক শাহের আমলে) সোনারগাঁও এসেছিলেন। তাঁর ভ্রমণকাহিনীতে তিনি এই অঞ্চলকে একটি অত্যন্ত সমৃদ্ধ ও গুরুত্বপূর্ণ নগরী হিসেবে বর্ণনা করেছেন। 

ক) মার্কোপোলো
খ) ফা-হিয়েন
গ) হিউয়েন সাং
ঘ) ইবনে বতুতা
Note :

বিখ্যাত মরক্কোর পরিব্রাজক ইবনে বতুতা সোনারগাঁও ভ্রমণ করেছিলেন। তিনি ১৩৪৫-৪৬ খ্রিস্টাব্দে ফখরুদ্দিন মুবারক শাহের আমলে সোনারগাঁওয়ে আসেন এবং তার ভ্রমণ কাহিনীতে (রেহলা) এই স্থানটিকে একটি সমৃদ্ধ নগরী ও প্রধান বন্দর হিসেবে বর্ণনা করেছেন। 

ক) ইসলাম খান
খ) শাহ সুজা
গ) শাহ সুজা
ঘ) শায়েস্তা খান
Note :

- মুঘল সুবাদার শায়েস্তা খান ১৬৭৮ সালে লালবাগ কেল্লার নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
- তখন এর নাম ছিল 'কিলা আওরঙ্গবাদ' বা 'আওরঙ্গবাদ দুর্গ'।
- কেল্লার কাজ সম্পূর্ণ হবার আগেই শায়েস্তা খানের মেয়ে পরী বিবি মারা যান।
- কন্যা শোক এবং দুর্ভাগ্যের লক্ষণ মনে করে তিনি ১৬৮৪ সালে কেল্লার নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেন।
- পরবর্তীতে এই অসমাপ্ত কেল্লাটিই লালবাগ কেল্লা নামে পরিচিতি লাভ করে।

ক) টিপু সুলতান
খ) শাহ সুজা
গ) মুহাম্মদ আজম শাহ
ঘ) ইসলাম খান
Note :

লালবাগের কেল্লা (বা কেল্লা আওরঙ্গবাদ) ১৬৭৮ সালে মোঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের পুত্র শাহজাদা মুহাম্মদ আজম শাহ স্থাপন করেন । তিনি বাংলাদেশে তাঁর ১৫ মাসের সুবাদারি আমলে এই দুর্গের নির্মাণকাজ শুরু করলেও শেষ করতে পারেননি। পরে শায়েস্তা খাঁ এর নির্মাণকাজ অব্যাহত রাখেন । 

জব সলুশন

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর-উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা (16-10-2026)

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়-উপ-সহকারী প্রকৌশলী 15-10-2026

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়- ব্যক্তিগত কর্মকর্তা 14-10-2026

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর-উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা (স্থগিত) 10-10-2026

সামরিক ভূমি ও ক্যান্টনমেন্ট অধিদপ্তর-জুনিয়র শিক্ষক 03-10-2026

ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর- যাচ মোহরার 02-10-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন