নিম্নের কোন পর্যটক সোনারগাঁও এসেছিলেন?
মরক্কোর বিখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতা ১৩৪৫ সালে (স্বাধীন সুলতান ফখরুদ্দিন মোবারক শাহের আমলে) সোনারগাঁও এসেছিলেন। তাঁর ভ্রমণকাহিনীতে তিনি এই অঞ্চলকে একটি অত্যন্ত সমৃদ্ধ ও গুরুত্বপূর্ণ নগরী হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
Related Questions
বিখ্যাত মরক্কোর পরিব্রাজক ইবনে বতুতা সোনারগাঁও ভ্রমণ করেছিলেন। তিনি ১৩৪৫-৪৬ খ্রিস্টাব্দে ফখরুদ্দিন মুবারক শাহের আমলে সোনারগাঁওয়ে আসেন এবং তার ভ্রমণ কাহিনীতে (রেহলা) এই স্থানটিকে একটি সমৃদ্ধ নগরী ও প্রধান বন্দর হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
- মুঘল সুবাদার শায়েস্তা খান ১৬৭৮ সালে লালবাগ কেল্লার নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
- তখন এর নাম ছিল 'কিলা আওরঙ্গবাদ' বা 'আওরঙ্গবাদ দুর্গ'।
- কেল্লার কাজ সম্পূর্ণ হবার আগেই শায়েস্তা খানের মেয়ে পরী বিবি মারা যান।
- কন্যা শোক এবং দুর্ভাগ্যের লক্ষণ মনে করে তিনি ১৬৮৪ সালে কেল্লার নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেন।
- পরবর্তীতে এই অসমাপ্ত কেল্লাটিই লালবাগ কেল্লা নামে পরিচিতি লাভ করে।
লালবাগের কেল্লা (বা কেল্লা আওরঙ্গবাদ) ১৬৭৮ সালে মোঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের পুত্র শাহজাদা মুহাম্মদ আজম শাহ স্থাপন করেন । তিনি বাংলাদেশে তাঁর ১৫ মাসের সুবাদারি আমলে এই দুর্গের নির্মাণকাজ শুরু করলেও শেষ করতে পারেননি। পরে শায়েস্তা খাঁ এর নির্মাণকাজ অব্যাহত রাখেন ।
নেপাল হলো হিমালয় পর্বতমালার কোলে অবস্থিত দক্ষিণ এশিয়ার একটি স্থলবেষ্টিত (landlocked) রাষ্ট্র। দেশটির উত্তরে চীনের তিব্বত স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল এবং পূর্ব, পশ্চিম ও দক্ষিণে ভারতের সীমানা রয়েছে।
ক্রিপস মিশন ১৯৪২ সালের ২৩ মার্চ ক্যাবিনেট মন্ত্রী স্যার স্ট্যাফোর্ড ক্রিপসের নেতৃত্বে ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক ভারতে প্রেরিত একটি মিশন। এই মিশনের উদ্দেশ্য ছিল ১৯৪২ সালে ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ভারতীয়দের পূর্ণ সহযোগিতা ও সমর্থন আদায় করা কিন্তু গান্ধীর বিরোধিতার ফলে কংগ্রেস কর্তৃক ক্রিপসের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করা এবং ক্রিপস কর্তৃক সংশোধিত প্রস্তাবে স্বাধীনতা বিষয়ে কোনোকিছু উল্লেখ না করায় এটি একটি ব্যর্থ প্রচেষ্টাইয় রূপান্তরিত হয়।
ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম সুসংগঠিত স্বাধীনতা সংগ্রাম বা সিপাহি বিদ্রোহ ১৮৫৭ সালে সংঘটিত হয় । এই বিদ্রোহ ১০ মে, ১৮৫৭ সালে মিরাটে শুরু হয়ে দ্রুত ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে, যা ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের বিরুদ্ধে প্রথম বৃহৎ সশস্ত্র প্রতিরোধ ছিল ।
জব সলুশন