‘ডমিনো’ তত্ত্বটি কোন অঞ্চলের জন্য প্রযোজ্য ছিল?
∎ডমিনো তত্ত্ব:
পঞ্চাশের দশকে ইন্দোচীনে যখন সমাজতন্ত্রীরা একের পর এক রাষ্ট্রে ক্ষমতাসীন হচ্ছিল, তখন যুক্তরাষ্ট্র এই ডমিনো তত্ত্ব'র কথা প্রচার করেছিল। উদ্দেশ্য ছিল একটাই, সমাজতন্ত্রীদের ঠেকাতে সামরিক হস্তক্ষেপ। ডমিনো তত্ত্বে বলা হয়েছে, কোনো একটি রাষ্ট্রে যদি সমাজতন্ত্রীরা ক্ষমতাসীন হয়, তাহলে পাশের রাষ্ট্রটিও সমাজতন্ত্রীদের দখলে চলে যাবে। ইন্দোচীনে দক্ষিণ- পূর্ব এশিয়ার অন্তর্গত।
Related Questions
১৯১৭ সালে ২ নভেম্বর ব্রিটেনের পররাষ্ট্র সচিব সার বেলফোর প্রখ্যাত ব্রিটিশ ইহুদি লর্ড রথচাইল্ডের কাছে ফিলিস্তিনে ইহুদীদের একটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে যে চিঠি লেখেন , সেটিই ইতিহাসে বেলফোর ঘোষণা নামে পরিচিত ।
- এই চিঠিতে ব্রিটিশ সরকারের পক্ষ থেকে সার বেলফোর রথচাইল্ডের জানান যে , ব্রিটিশ সরকার ইহুদেদের নিজ আবসভুমির আকাঙ্ক্ষাকে সমর্থন করেন ।
- তিনি আরও লেখেন যে , ফিলিস্তিনে ইহুদিদের আবাসভূমির ব্যাপারে ব্রিটেন পূর্ণ সমর্থন প্রদান করে ।
- তবে এই শর্তে যে , এই রাষ্ট্রে ইহুদিদের নাগরিক ও ধর্মীয় অধিকারকে খর্ব করা হবে না ।
- এই ঘোষণা বিশ্ব ইহুদী কংগ্রেসের কাছেও পোঁছে দেয়ার জন্য বেলফোর রথচাইল্ডের কাছে অনুরোধ জানান ।
- এই ঘোষণা প্রকাশিত হওয়ার পূর্বেই তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্টের অনুমোদন গ্রহণ করা হয় ।
- ফ্রান্স ও ইতালি যথাক্রমে ১৯১৮ সালের ফেব্রুয়ারি ও মে মাসে সরকারিভাবে এই ঘোষণার প্রতি অনুমোদন প্রদান করে ।
ভারত ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশকে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দান করে । মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ওই দিন সকালে তৎকালীন ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী লোকসভায় এই ঐতিহাসিক ঘোষণা দেন । ভুটানের কয়েক ঘণ্টা পর ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে ।
জব সলুশন