ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দান করে কবে?
ভারত ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশকে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দান করে । মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ওই দিন সকালে তৎকালীন ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী লোকসভায় এই ঐতিহাসিক ঘোষণা দেন । ভুটানের কয়েক ঘণ্টা পর ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে ।
Related Questions
নেপালের সর্বশেষ বা শেষ রাজা ছিলেন জ্ঞানেন্দ্র বীর বিক্রম শাহ দেব। তিনি ২০০১ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত নেপালের রাজা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
সঠিক উত্তর: উপকূলীয় বন
⇒ ম্যানগ্রোভ (Mangrove) হলো এমন এক ধরণের বিশেষ বন যা উপকূলীয় এলাকার লবণাক্ত মাটি ও পানিতে জন্মে। তাই সাধারণভাবে একে ‘উপকূলীয় বন’ বলা হয়।
⇒ এই বনের উদ্ভিদগুলো জোয়ার-ভাটার পানিতে বেঁচে থাকার জন্য বিশেষ অভিযোজন ক্ষমতা সম্পন্ন (যেমন- শ্বাসমূল বা নিউমাটোফোর থাকে)।
⇒ পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন হলো বাংলাদেশের সুন্দরবন।
⇒ ম্যানগ্রোভ বন উপকূলীয় এলাকাকে সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাস, ঘূর্ণিঝড় এবং ভূমি ক্ষয় থেকে রক্ষা করতে প্রাকৃতিক দেয়াল হিসেবে কাজ করে।
১০ ডিসেম্বর ২০০২ তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া গাজীপুরের কোনাবাড়িতে কিশোরী সংশোধন কেন্দ্রের উদ্ধোধন করেন। বাংলাদেশে কিশোর ও কিশোরী উন্নয়ন কেন্দ্র রয়েছে ৩ টি । এর মধ্যে ২ টি কিশোর ও ১ টি কিশোরীদের জন্য। কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্র দুটি গাজীপুরের টঙ্গী ও যশোরের পুলেরহাটে অবস্থিত। গাজীপুর অবস্থিত উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে- বাংলাদেশ ধান গবেষণা কেন্দ্র (জয়দেবপুর), সিকিউরিটি প্রিন্টিং কর্পোরেশন (বাংলাদেশ ) লি. মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি, সমরাস্ত্র কারখানা ইত্যাদি।
ন্যাচারাল গ্যাস ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিঃ বাংলাদেশের সিলেট জেলার ফেঞ্চুগঞ্জে অবস্থিত একটি সার কারখানা।
- এই ফ্যাক্টরিতে প্রধানত ইউরিয়া এবং এএসপি (অ্যামোনিয়াম সালফেট প্ল্যান্ট) সার উৎপাদিত হয়।
- ইউরিয়া এবং এএসপি সার কৃষিতে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সারের ধরন যা এই কারখানায় উৎপাদিত হয়।
- Natural Gas Fertilizer Factory Ltd এ ১৯৬১ সালে ইউরিয়া সার উৎপাদন শুরু হয় এবং পরবর্তীতে ১৯৬৯ সালে এএসপি প্ল্যান্ট স্থাপন করা হয়।
বাংলাদেশ ২০০০ সালের ২৬ জুন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (ICC) দশম টেস্ট খেলুড়ে দেশ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে টেস্ট মর্যাদা লাভ করে। এই ঐতিহাসিক অর্জনের পর, একই বছরের ১০ নভেম্বর ভারতের বিপক্ষে নিজেদের ইতিহাসের প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলেছিল বাংলাদেশ।
শাহজালাল ও তার সফরসঙ্গী ৩৬০ জন আউলিয়ার সিলেট আগমন ইতিহাসের একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা। তাদের কারণেই সিলেটকে ৩৬০ আউলিয়ার দেশ বলা হয়। সিলেট বিজয়ের পরে শাহ জালালের সঙ্গী অনুসারী অনেক পীর দরবেশ সিলেটের আশ - পাশ শহর, জেলা সহ বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে ইসলাম প্রচার করেন।
জব সলুশন