নিচের যে উপন্যাসে গ্রামীণ সমাজ জীবনের চিত্র প্রাধান্য লাভ করেনি–
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত প্রথম বাংলা উপন্যাস 'দুর্গেশনন্দিনী' ( ১৮৬৫ ) । এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস । কপালকুণ্ডলা, সীতারাম ও দেবী চৌধুরাণী তার রচিত উপন্যাস ।
Related Questions
'চার ইয়ারী কথা' (১৯১৬) প্রমথ চৌধুরী রচিত গল্পগ্রন্থ। এতে চারবন্ধুর প্রেম কাহিনী বর্ণিত হয়েছে, প্রত্যেকটি প্রেমই ছিল অভিশপ্ত।
তার রচিত গল্পগ্রন্থ গুলোর নামঃ
- আহুতি(১৯১৯),
- নীললোহিত ও
- গল্পসংগ্রহ(১৯৪১)
গ্রামবার্তা প্রকাশিকা উনিশ শতকের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাসিক পত্রিকা।
- ১৮৬৩ সালের এপ্রিল মাসে কাঙাল হরিনাথ মজুমদারের সম্পাদনায় এটি প্রথম প্রকাশিত হয়। পরের বছর (১২৭১ বঙ্গাব্দের আষাঢ়) থেকে এটি পাক্ষিক এবং ১৮৭১ সাল (১২৭৮ বঙ্গাব্দের বৈশাখ) থেকে সাপ্তাহিকে পরিণত হয়।
- প্রথমদিকে পত্রিকাটি মুদ্রিত হতো কলকাতার গিরিশ বিদ্যারত্ন প্রেস থেকে; পরে ১৮৬৪ সালে কুমারখালিতে মথুরানাথ যন্ত্র স্থাপিত হলে সেখান থেকে মুদ্রিত হতে থাকে।
- এ ছাপাখানাটি ১৮৭৩ সালে প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়র পিতা মথুরানাথ মৈত্রেয় হরিনাথকে দান করেন।
ইয়ং বেঙ্গল গোষ্ঠীর মুখপত্র ছিল 'জ্ঞানান্বেষণ' পত্রিকা। ১৮৩১ সালে দক্ষিণারঞ্জন মুখোপাধ্যায়ের সম্পাদনায় প্রথম প্রকাশিত হয়।
• 'তত্ত্ববোধিনী' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন অক্ষয়কুমার দত্ত। এটি ব্রাহ্ম সমাজের মুখপত্র ছিল।
• 'মাসিক সওগাত' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন।
রামরাম বসু (১৭৫৭ - ১৮১৩) বাংলা গদ্যসাহিত্যের আদি লেখকদের একজন। অষ্টাদশ শতাব্দীর ব্যক্তিত্ব। প্রথম দিকে তিনি ভারতে খ্রিস্টধর্ম প্রচারের জন্য আসা মিশনারি পাদ্রীদের বাংলা শেখাতেন। পরে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে তিনি মুন্সি ও সংস্কৃত ভাষার সহকারি শিক্ষকের চাকরি পান। তাঁর রচিত রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত বাঙালির লেখা প্রথম বাংলা মৌলিক গদ্যগ্রন্থ ও ছাপাখানায় মুদ্রিত প্রথম বই। বইটি ১৮০১ সালের জুলাই মাসে শ্রীরামপুর মিশন প্রেস থেকে প্রকাশিত হয়। এটি ১৮০১ খ্রিস্টাব্দের জুলাই মাসে প্রকাশিত হয়েছিল। এছাড়া তিনি বাঙালা ভাষায় কয়েকটি খ্রিস্টধর্ম বিষয়ক বই লেখেন, রামায়ণ ও মহাভারত সম্পাদনা করেন ও উইলিয়াম কেরিকে বাইবেল অনুবাদে সহায়তা করেন।
দুই পক্ষের মধ্যে বিতর্কের মাধ্যমে যে গান অনুষ্ঠিত হতো তাই কবিগান। যে কবিগান গাইতো তাকে কবিয়াল বলা হয়। এন্টনি ফিরিঙ্গি ছিলেন অন্যতম কবিয়াল এবং কবিগানের রচয়িতা হিসেবে খ্যাতি লাভ করেন। তিনি জ্যাতিতে ইউরোপীয় (পর্তুগিজ) ছিলেন বলে ‘ফিরিঙ্গি আখ্যা পান। তাঁর রচিত বিখ্যাত কবিগান:
- “আমি ভজন সাধন জানি নে মা / নিজে তো ফিরিঙ্গি, / যদি দয়া করে কৃপা কর / হে শিবে মাতঙ্গী।”
উল্লেখ্য, তাকে নিয়ে নির্মিত উত্তম কুমার অভিনীত চলচ্চিত্র ‘এন্টনি ফিরিঙ্গি (১৯৬৭) এবং প্রসেনজিৎ অভিনীত চলচ্চিত্র 'জাতিস্মর' (২০১৪)।
আলাওল: আলাওল মধ্যযুগের একজন বাঙালি কবি। বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে ধর্মীয় বিষয়বস্তুর গতানুগতিক পরিসীমায় রোমান্টিক প্রণয়কাব্যধারা প্রবর্তনকারী হিসাবে মুসলমান কবিগণের অবদান সর্বজনস্বীকৃত। আলাওল আরাকান রাজসভার অন্যতম কবি হিসাবে আবির্ভূত হলেও মধ্যযুগের সমগ্র বাঙালি কবির মধ্যে 'শিরোমণি আলাওল' রূপে শীর্ষস্থান অধিকারী। আরবি ফার্সি হিন্দি ও সংস্কৃত ভাষায় তিনি সুপণ্ডিত ছিলেন। ব্রজবুলি ও মঘী ভাষাও তার আয়ত্তে ছিল।
জব সলুশন