প্রাকৃতিক গ্যাসে মিথেন কী পরিমাণ থাকে?

ক) ৪০-৫০ ভাগ
খ) ৬০-৭০ ভাগ
গ) ৮০-৯০ ভাগ
ঘ) ২৫-৩০ ভাগ
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

- প্রাকৃতিক গ্যাসের উপাদানগুলোর মধ্যে মিথেন ৮০-৯০%, ইথেন ১৩%, প্রোপেন ৩% । এছাড়া বিউটেন, ইথিলিন ও নাইট্রোজেন কিছু পরিমাণে থাকে ।

- এ উপাদানগুলোর মধ্যে প্রধান হলো মিথেন । আমাদের দেশে প্রাপ্ত প্রাকৃতিক গ্যাসে মিথেনের পরিমাণ ৯৫-৯৯% ।

Related Questions

ক) মেরু অঞ্চলে
খ) বিষুব অঞ্চলে
গ) পাহাড়ের ওপরে
ঘ) পৃথিবীর কেন্দ্রে
Note :

একটি বস্তু যে পরিমাণ বল দ্বারা পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে আকৃষ্ট হয় তাকে তার ওজন বলে। কোনো বস্তুর ওজন অভিকর্ষজ ত্বরণের ওপর নির্ভরশীল । যে স্থানে অভিকর্ষজ ত্বরণ বেশি সে স্থানে বস্তুর ওজন বেশি। মেরু অঞ্চলে g - এর মান বেশি হওয়ায় বস্তুর ওজনও বেশি।

ক) আফ্রিকার জোহানেসবার্গে
খ) ব্রাজিলের রিওডিজেনিরোতে
গ) ইতালির রোমে
ঘ) যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে
Note :

জাতিসংঘের উদ্যোগে ৩-১৪ জুন ১৯৯২ ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে পরিবেশ ও উন্নয়নবিষয়ক প্রথম ধরিত্রী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ।

- রিও ডি জেনিরোতে দীর্ঘ আলোচনার মাধ্যমে বিশ্ব পরিবেশ ও উন্নয়নের মধ্যে সমন্বয় সাধনের জন্য ২৭টি নীতিমালা অনুমোদিত হয় ।

- অন্যদিকে ২৬ আগষ্ট থেকে ৪ সেপ্টেম্বর ২০০২ দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত হয় বিশ্ব টেইসই উন্নয়ন শীর্ষ সম্মেলন বা দ্বিতীয় ধরিত্রী সম্মেলন ।

- দ্বিতীয় ধরিত্রী সম্মেলনে মোট ৩৭টি অঙ্গীকার গ্রহণ করা হয় ।

ক) ফিশন
খ) মেসন
গ) ফিউশন
ঘ) ফিউশন ও মেসন
Note :

যে নিউক্লীয় বিক্রিয়ায় একটি নিউক্লিয়াস বিভাজিত হয়ে দুটি নিউক্লিয়াসে পরিণত হয় তাকে ফিশন বিক্রিয়া বলে। অন্যদিকে দুটি নিউক্লিয়াসের সংযোগে একটি নিউক্লিয়াস তৈরি হওয়াকে ফিউশন বিক্রিয়া বলে। মেসন হলো মৌলের ক্ষুদ্রতম কণিকা।

ক) হাইড্রোজেন
খ) অক্সিজেন
গ) ক্লোরিন
ঘ) ব্রোমিন
Note :

জারক পদার্থগুলাে ইলেকট্রন গ্রহণ করে অন্যকে জারিত করে ও নিজে বিজারিত হয় ।

- অক্সিজেন , ক্লোরিন ও ব্রোমিন প্রত্যেকেই ইলেকট্রন গ্রহণ করে , তাই এরা জারক পদার্থ ।

- অন্যদিকে হাইড্রোজেন ইলেকট্রন ত্যাগ করে তাই এটা জারক নয় , বিজারক ।

ক) কাঁচের তৈরি ঘর
খ) সবুজ আলোর আলোকিত ঘর
গ) সবুজ ভবনের নাম
ঘ) সবুজ গাছপালা
Note :

গ্রিনহাউস হলো কাচ বা স্বচ্ছ প্লাস্টিকের তৈরি একটি বিশেষ ঘর, যা ভেতরে রোদ আটকে রেখে গাছপালা দ্রুত ও নিরাপদে বড় হতে সাহায্য করে। এই ঘরে তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণ করে ঠান্ডা প্রধান দেশে বা অসময়ে শাকসবজি ও ফুল চাষ করা হয়

ক) হাইপো-থাইরয়ডিজম (HYPOTHYROIDISM)
খ) রাতকানা
গ) এনিমিয়া
ঘ) কোয়াশিয়কর (KWASHIORKOR)
Note :

কোনো কারণে থাইরয়েড গ্রস্থির হরমোন উৎপাদন কমে গেলে তাকে হাইপো-থাইরয়ডিজম বলে ।
- বাংলাদেশে প্রধানত খাদ্যে আয়োডিনের ঘাটতির কারণে এ হরমোন উৎপাদন ব্যাহত হয় ।
- দৈনন্দিন খাবারের সঙ্গে বেশি পরিমাণ আয়োডিনযুক্ত খাদ্য (শাকসবজি, ফলমূল, সামুদ্রিক মাছ ও শৈবাল) ও আয়োডিনযুক্ত লবণ খেয়ে এ রোগ থেকে আরোগ্য লাভ করা যায় ।

জব সলুশন

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন - ল্যাবরেটরি অ্যাটেনডেন্ট (31-07-2026)

বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন- পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়- সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ১৪-০৭-২০২৬

সমন্বিত ব্যাংক — অফিসার (ক্যাশ) 03-07-2026

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর — অফিস সহায়ক ২৭-০৬-২০২৬

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড — সেকশন ইঞ্জিনিয়ার 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — কারিগরি কর্মকর্তা 19-06-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন