কোনটি জারক পদার্থ নয়?
জারক পদার্থগুলাে ইলেকট্রন গ্রহণ করে অন্যকে জারিত করে ও নিজে বিজারিত হয় ।
- অক্সিজেন , ক্লোরিন ও ব্রোমিন প্রত্যেকেই ইলেকট্রন গ্রহণ করে , তাই এরা জারক পদার্থ ।
- অন্যদিকে হাইড্রোজেন ইলেকট্রন ত্যাগ করে তাই এটা জারক নয় , বিজারক ।
Related Questions
গ্রিনহাউস হলো কাচ বা স্বচ্ছ প্লাস্টিকের তৈরি একটি বিশেষ ঘর, যা ভেতরে রোদ আটকে রেখে গাছপালা দ্রুত ও নিরাপদে বড় হতে সাহায্য করে। এই ঘরে তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণ করে ঠান্ডা প্রধান দেশে বা অসময়ে শাকসবজি ও ফুল চাষ করা হয়
কোনো কারণে থাইরয়েড গ্রস্থির হরমোন উৎপাদন কমে গেলে তাকে হাইপো-থাইরয়ডিজম বলে ।
- বাংলাদেশে প্রধানত খাদ্যে আয়োডিনের ঘাটতির কারণে এ হরমোন উৎপাদন ব্যাহত হয় ।
- দৈনন্দিন খাবারের সঙ্গে বেশি পরিমাণ আয়োডিনযুক্ত খাদ্য (শাকসবজি, ফলমূল, সামুদ্রিক মাছ ও শৈবাল) ও আয়োডিনযুক্ত লবণ খেয়ে এ রোগ থেকে আরোগ্য লাভ করা যায় ।
শব্দ নিদিষ্ট দিকে একক সময়ে যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে শব্দের বেগ বলে।
কঠিন মাধ্যমে শব্দের বেগ সবচেয়ে বেশি ও বায়বীয় মাধ্যমে সবচেয়ে কম।
শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ শূন্য।
তাপ ইঞ্জিন (Heat Engine) -এর কাজ হলো তাপশক্তিকে যান্ত্রিকশক্তিতে রূপান্তরিত করা । - অন্যদিকে বৈদ্যুতিক মোটর বিদ্যুৎশক্তিকে যান্ত্রিকশক্তিতে, হাতে হাত ঘষলে যান্ত্রিক শক্তি তাপশক্তিতে এবং দুটি ভিন্ন ধাতব পদার্থের সংযোস্থলে তাপ প্রয়োগ করলে তাপশক্তি বিদ্যুৎশক্তিতে রূপান্তরিত হয় ।
অকোষীয় অণুজীব ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য হলো- এতে DNA বা RNA আছে, জীবদেহের অভ্যন্তরে এরা সংখ্যাবৃদ্ধি করতে পারে, এদেরকে crystal বা স্ফটিক দানায় রূপান্তরিত করা যায় ।
- এদের সাইটোপ্লাজম, নিউক্লিয়াস, কোষীয় ক্ষুদ্রাঙ্গ এবং বিপাকীয় এনজাইম নেই । সুতরাং এখানে রাইবোজেমও থাকবে না ।
মানবদেহে রোগ প্রতিরোধে প্রাথমিক প্রতিরক্ষা স্তরের (First line of defence) অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলো হলো ত্বক, অশ্রু, শ্লোষ্মা, মুখের লালা, চোখের পাতা (Cilia), পাকস্থলি এসিড ইত্যাদি ।
- অশ্রু, শ্লেষ্মা ও লালায় বিদ্যামান একপ্রকার এনজাইম হলো লাইসোজাইম ।
- আর লিষ্ফোসাইট হলো একপ্রকার শ্বেত রক্তকণিকা, যা তৃতীয় প্রতিরক্ষা স্তরের অন্তর্ভুক্ত ।
জব সলুশন