শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ কত?
শব্দ নিদিষ্ট দিকে একক সময়ে যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে শব্দের বেগ বলে।
কঠিন মাধ্যমে শব্দের বেগ সবচেয়ে বেশি ও বায়বীয় মাধ্যমে সবচেয়ে কম।
শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ শূন্য।
Related Questions
তাপ ইঞ্জিন (Heat Engine) -এর কাজ হলো তাপশক্তিকে যান্ত্রিকশক্তিতে রূপান্তরিত করা । - অন্যদিকে বৈদ্যুতিক মোটর বিদ্যুৎশক্তিকে যান্ত্রিকশক্তিতে, হাতে হাত ঘষলে যান্ত্রিক শক্তি তাপশক্তিতে এবং দুটি ভিন্ন ধাতব পদার্থের সংযোস্থলে তাপ প্রয়োগ করলে তাপশক্তি বিদ্যুৎশক্তিতে রূপান্তরিত হয় ।
অকোষীয় অণুজীব ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য হলো- এতে DNA বা RNA আছে, জীবদেহের অভ্যন্তরে এরা সংখ্যাবৃদ্ধি করতে পারে, এদেরকে crystal বা স্ফটিক দানায় রূপান্তরিত করা যায় ।
- এদের সাইটোপ্লাজম, নিউক্লিয়াস, কোষীয় ক্ষুদ্রাঙ্গ এবং বিপাকীয় এনজাইম নেই । সুতরাং এখানে রাইবোজেমও থাকবে না ।
মানবদেহে রোগ প্রতিরোধে প্রাথমিক প্রতিরক্ষা স্তরের (First line of defence) অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলো হলো ত্বক, অশ্রু, শ্লোষ্মা, মুখের লালা, চোখের পাতা (Cilia), পাকস্থলি এসিড ইত্যাদি ।
- অশ্রু, শ্লেষ্মা ও লালায় বিদ্যামান একপ্রকার এনজাইম হলো লাইসোজাইম ।
- আর লিষ্ফোসাইট হলো একপ্রকার শ্বেত রক্তকণিকা, যা তৃতীয় প্রতিরক্ষা স্তরের অন্তর্ভুক্ত ।
ভূ- পৃষ্ঠের কোন উঁচু স্থান থেকে একটি বস্তুকে ছেড়ে দিলে দেখা যায় যে , এটি যতই নিকটবর্তী হয় ততই এর বেগ বৃদ্ধি পায় ।অর্থাৎ অভিকর্ষ বলের ক্রিয়ার ফলে পড়ন্ত বস্তুর বেগের পরিবর্তন হয়।
- অভিকর্ষ বলের ক্রিয়ার ফলে পড়ন্ত বস্তুর বেগ বৃদ্ধির হারকে অভিকর্ষীয় ত্বরণ বলে।
- একে g দ্বারা প্রকাশ করা হয় ।
ভূপৃষ্ঠে g এর মান শূন্য ।
- চন্দ্রপৃষ্ঠে g এর মান ভূ- পৃষ্ঠে এর মানের ছয় ভাগের এক ভাগ
স্টের সংশ্লিষ্টতা নেই সাইট্রিক এসিড উৎপাদনে ।
- ইস্ট সাধারণত ফার্মেন্টেশন প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত হয়, যা বিভিন্ন খাদ্য ও পানীয় উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ।
- এটি বিশেষ করে মধ্য শিল্পে এবং কুটি শিল্পে ব্যবহৃত হয়, যেখানে এটি অ্যালকোহল এবং অন্যান্য পণ্য উৎপাদনে সহায়তা করে।
- এককোষীয় প্রোটিন ভাঙতে ইস্টের ব্যবহার হতে পারে, কারণ এটি প্রোটিনের ভাঙনে সহায়তা করে।
- তবে সাইট্রিক এসিড উৎপাদনে সাধারণত ব্যাকটেরিয়া বা অন্যান্য মাইক্রোঅর্গানিজম ব্যবহৃত হয়, যা সাইট্রিক এসিডের প্রাকৃতিক উৎপাদন প্রক্রিয়ায় বেশি কার্যকর।
- তাই সঠিক উত্তর হলো সাইট্রিক এসিড উৎপাদনে।
আকাশে রংধনু সৃষ্টির প্রধান কারণ হলো প্রতিসরণ, অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ও বিচ্ছুরণ। সূর্যের আলো যখন বাতাসে ভেসে থাকা ক্ষুদ্র বৃষ্টির কণার ভেতর দিয়ে যায়, তখন এই তিনটি ঘটনা ঘটে।
জব সলুশন