কোন সালে ভারতে বাবরী মসজিদ ভাঙ্গা হয়?
বাবরি মসজিদ ১৯৯২ সালে ভাঙ্গা হয় ।
বাবরি মসজিদ ভারতের উত্তর প্রদেশের, ফৈজাবাদ জেলার অযোধ্যা শহরের রামকোট হিলের উপর অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ ছিল। বিশ্বাস করা হয়, এ বাবরি মসজিদ যে স্থানে অবস্থিত ছিল সেটাই ছিল হিন্দু ধর্মের অবতার রামের জন্মস্থান। এই বিষয়টি নিয়ে আঠারো শতক থেকেই হিন্দু এবং মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে বিতর্ক চলে আসছে, যা অযোদ্ধা বিবাদ নামে পরিচিত। মসজিদের অভিলিখন থেকে জানা যায়, মুঘল সম্রাট বাবরের আদেশে সেনাপতি মীর বাকি ১৫২৮–২৯ সাল - এ মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন। ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর বিশ্ব হিন্দু পরিশদ এবং তাদের সহযোগী সংগঠনের কর্মীরা এই মসজিদ আক্রমণ করে এবং গুড়িয়ে দেয়। যার ফলে পুরো ভারত জুড়েই দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ে। এই দাঙ্গা পুরো ভারতজুড়ে প্রায় ২০০০ মানুষ মারা যায়, যাদের বেশিরভাগই ছিলেন মুসলিম।
Related Questions
১৯২৩ সারে প্রবর্তিত কল্লোল পত্রিকার কর্ণধার ছিলেন দীনেশরঞ্জন দাশ ও গোকুলচন্দ্র নাগ। কল্লোল পত্রিকার আবহে দ্রুত অনুপ্রাণিত হয় প্রগতি, উত্তরা, কালিকলম, পূর্বাশা ইত্যাদি পত্রপত্রিকা।
-বুদ্ধদেব বসু — «প্রগতি»
-সজনীকান্ত দাস — «শনিবারের চিঠি»
-প্রেমেন্দ্র মিত্র — «কালিকলম»
'দোষী - নির্দোষী' এটি অশুদ্ধ। শুদ্ধরুপ হবে দোষী - নির্দোষ ।
প্রশ্নে 'যুক্তাক্ষর' - এর স্থলে হবে 'মুক্তাক্ষর' । কবিতার নির্দিষ্ট একটি সুর বা গতি দেয়ার জন্য ছন্দব্যাকরণ তৈরি হয়েছে। ছন্দ পর্ব ও মাত্রানির্ভর, তাই ছন্দের নামকরণ করা হয়েছে। তিনভাগে - অক্ষরবৃত্ত , মাত্রাবৃত্ত, ও স্বরবৃত্ত। অক্ষরবৃত্ত ধীরগিতর - তাই এর মাত্রা হবে মুক্তাক্ষর এক মাত্রা , বদ্ধাক্ষর একক ভাবে দুই যাত্রা , শেষে দুই মাত্রা আর প্রথম ও বদ্ধক্ষর দুই মাত্রার হয়। আর স্বরবৃত্ত ছন্দে মুক্তাক্ষর ও বদ্ধাক্ষর সব সময় এক মাত্রা গণনা করা হয়।
অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন ,আব, ইতি, উন (ঊনা) , কদ, কু,নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু,হা এগুলো দেশি উপসর্গ। 'কদাকার' শব্দটি দেশি 'কদ' উপসর্গযোগে গঠিত।
- অধিকাংশ বিষধর সাপের দুটি বিষদাঁত থাকে।
- এই দাঁতগুলো লম্বা এবং মুখের সামনের দিকে অবস্থিত, যা বিষ গ্রন্থির সাথে যুক্ত থাকে।
- সাপ যখন কামড় দেয়, তখন এই দাঁতের মাধ্যমেই শিকারের শরীরে বিষ প্রবেশ করে।
∎মহাপ্রাণ ধ্বনি:
∎যে ধ্বনি উচ্চারণকালে বাতাসের চাপ অধিক থাকে তাকে মহাপ্রাণ ধ্বনি বলে।
∎যেমন খ, ঘ, ছ, ঝ ইত্যাদি।
∎সাধারণত বর্গের দ্বিতীয় ও চতুর্থ ধ্বনি মহাপ্রাণধ্বনি।
জব সলুশন