বিষধর সাপের কয়টি বিষদাঁত থাকে?

ক) চারটি
খ) তিনটি
গ) দুটি
ঘ) একটি
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

- অধিকাংশ বিষধর সাপের দুটি বিষদাঁত থাকে।
- এই দাঁতগুলো লম্বা এবং মুখের সামনের দিকে অবস্থিত, যা বিষ গ্রন্থির সাথে যুক্ত থাকে।
- সাপ যখন কামড় দেয়, তখন এই দাঁতের মাধ্যমেই শিকারের শরীরে বিষ প্রবেশ করে।

Related Questions

ক) তৃতীয় বর্ণ
খ) দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ
গ) প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণ
ঘ) দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ণ
Note :

 

∎মহাপ্রাণ ধ্বনি:

∎যে ধ্বনি উচ্চারণকালে বাতাসের চাপ অধিক থাকে তাকে মহাপ্রাণ ধ্বনি বলে।

∎যেমন খ, ঘ, ছ, ঝ ইত্যাদি।

∎সাধারণত বর্গের দ্বিতীয় ও চতুর্থ ধ্বনি মহাপ্রাণধ্বনি।

ক) পাঁচ
খ) সাত
গ) আট
ঘ) দশ
Note :

বীরশ্রেষ্ঠ পদকপ্রাপ্তদের সংখ্যা সাত।

বীর শ্রেষ্ঠ বীরত্বের জন্য প্রদত্ত বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক পুরস্কার । যুদ্ধক্ষেত্রে অতুলনীয় সাহস ও আত্মত্যাগের নিদর্শন স্থাপনকারী যোদ্ধার স্বীকৃতিস্বরূপ এই পদক দেয়া হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদ সাতজন মুক্তিযোদ্ধাকে এই পদক দেয়া হয়েছে ।

০১. মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর ক্যাপ্টেন বাংলাদেশ সেনা বাহিনী, ডিসেম্বর ১৪, ১৯৭১

০২. হামিদুর রহমান সিপাহী বাংলাদেশ সেনা বাহিনী, অক্টোবর ২৮, ১৯৭১

০৩. মোস্তফা কামাল সিপাহী বাংলাদেশ সেনা বাহিনী, এপ্রিল ১৮, ১৯৭১

০৪. মোহাম্মদ রুহুল আমিন ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার বাংলাদেশ নৌ বাহিনী, ডিসেম্বর ১০, ১৯৭১

০৫. মতিউর রহমান ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট বাংলাদেশ বিমান বাহিনী, আগস্ট ২০, ১৯৭১

০৬. মুন্সি আব্দুর রউফ ল্যান্স নায়েক বাংলাদেশ রাইফেলস, এপ্রিল ২০ , ১৯৭১

০৭. নূর মোহাম্মদ শেখ ল্যান্স নায়েক বাংলাদেশ রাইফেলস,

ক) মীর মশাররফ হোসেনের
খ) ইসমাইল হোসেন সিরাজীর
গ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের
ঘ) কাজী নজরুল ইসলামের
Note :

বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম ঔপন্যাসিক মীর মশাররফ হোসেন ধর্মীয় গোঁড়ামিকে প্রশ্রয় দেননি ।তিনি মাতৃভাষার মধ্যে কোন ধর্মীয় বিভেদ রেখা টানতে চাননি এবং ভাষার ব্যবহারের মাধ্যমে মুসলমানিত্ব এবং বাঙালিত্ব প্রভৃতি প্রভেদ তৈরি হোক তা অগ্রাহ্য করেছেন ।তাই তিনি নবাব আবদুল লতিফ কর্তৃক দেখানো 'মুসলমানি বাংলা' কে অস্বীকার করেছেন এবং 'আমাদের শিক্ষা' নামক প্রবন্ধে উল্লেখ করেছেন ,'বঙ্গবাসী মুসলমানদের দেশভাষা বা মাতৃভাষা 'বাঙ্গালা' ।মাতৃভাষায় যাহার আস্থা নাই ,সে মানুষ নহে । ''

ক) বঙ্কিমচন্দ্রের ‘বিষবৃক্ষ’
খ) রবীন্দ্রনাথের ‘চোখের বালি’
গ) বঙ্কিচন্দ্রের ‘কপালকুন্ডলা’
ঘ) রবীন্দ্রনাথের ‘যোগাযোগ’
Note :

“প্রদীপ নিবিয়া গেল” ! ’ - উক্তিটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় রচিত কপালকুণ্ডলা (১৮৬৬) উপন্যাসের।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় রচিত উপন্যাসগুলো হলো -
-দুর্গেশনন্দিনী (১৮৬৫),
-মৃণালিনী (১৮৬৯),
-বিষবৃক্ষ (১৮৭৩),
-যুগলাঙ্গুরীয় (১৮৭৪),
-রাজসিংহ (১৮৮২),
-চন্দ্রশেখর (১৮৭৫),
-দেবী চৌধুরাণী (১৮৮৪),
-আনন্দমঠ (১৮৮২),
-কৃষ্ণকান্তের উইল (১৮৭৮),
-সীতারাম (১৮৮৭),
-রাধারাণী (১৮৮৬)।
-বঙ্কিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়কে বাংলা উপন্যাসের জনক বা উপন্যাস সাহিত্যের স্থপতি। তার ছদ্মনাম কমলাকান্ত।

ক) ১৯৬৬ সালে
খ) ১৯৬৭ সালে
গ) ১৯৬৮ সালে
ঘ) ১৯৭৯ সালে
ক) ব্রাহ্মণ্যযুগে নব মুসলিম ছিলেন বলে
খ) ইসলামের গুণকীর্তন করেছিলেন বলে
গ) প্রাচীন বাংলার বিদ্রোহী ছিলেন বলে
ঘ) প্রচলিত ধর্ম ও সংস্কার-বিদ্বেষী ছিলেন বলে
Note :

'সাম্যবাদী' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত 'মানুষ' কবিতায় কবি কাজী নজরুল ইসলাম যারা পবিত্র উপাসনালয়ের দরজা বন্ধ করে, তাদের ধ্বংসের জন্য কালাপাহাড়কে স্মরণ করেছেন ।
- তাইতো কাজী নজরুল লিখেছেন, মোল্লা পুরুত লাগায়েছে তার সকল দুয়ারে চাবি!' কোথা চেঙ্গিস, গজনি মামুদ, কোথায় কালাপাহাড়? ভেঙে ফেল ঐ ভজনালয়ের যত তালা-দেওয়া দ্বার!,
- 'কালাপাহাড়' ছিলেন বাংলা ও বিহারের শাসনকর্তা সুলায়মান খান কররানির এক দুর্ধর্ষ সেনাপতি ।
- তার আসল নাম রাজীবলোচন রায় ।
- তিনি ব্রাক্ষণ পরিবারের সন্তান ছিলেন এবং নিয়মিত বিষ্ণু পূজা করতেন ।
- পরবর্তী সময়ে তিনি ইসলাম ধর্মগ্রহণ করেন এবং প্রবল হিন্দু বিদ্বেষী হয়ে ওঠেন ।
- ১৫৬৮ সালে পুরীর জগন্নাথ দেবের মন্দিরসহ বিভিন্ন মন্দির ও বিগ্রাহের ব্যাপক ক্ষতিসাধন করেন । আর তখন থেকেই তিনি 'কালাপাহাড়' নামে পরিচিত । 

জব সলুশন

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন - ল্যাবরেটরি অ্যাটেনডেন্ট (31-07-2026)

বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন- পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়- সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ১৪-০৭-২০২৬

সমন্বিত ব্যাংক — অফিসার (ক্যাশ) 03-07-2026

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর — অফিস সহায়ক ২৭-০৬-২০২৬

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড — সেকশন ইঞ্জিনিয়ার 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — কারিগরি কর্মকর্তা 19-06-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন