যুক্তাক্ষর এক মাত্রা এবং বদ্ধাক্ষরও এক মাত্রা গণনা করা হয় কোন ছন্দে?
প্রশ্নে 'যুক্তাক্ষর' - এর স্থলে হবে 'মুক্তাক্ষর' । কবিতার নির্দিষ্ট একটি সুর বা গতি দেয়ার জন্য ছন্দব্যাকরণ তৈরি হয়েছে। ছন্দ পর্ব ও মাত্রানির্ভর, তাই ছন্দের নামকরণ করা হয়েছে। তিনভাগে - অক্ষরবৃত্ত , মাত্রাবৃত্ত, ও স্বরবৃত্ত। অক্ষরবৃত্ত ধীরগিতর - তাই এর মাত্রা হবে মুক্তাক্ষর এক মাত্রা , বদ্ধাক্ষর একক ভাবে দুই যাত্রা , শেষে দুই মাত্রা আর প্রথম ও বদ্ধক্ষর দুই মাত্রার হয়। আর স্বরবৃত্ত ছন্দে মুক্তাক্ষর ও বদ্ধাক্ষর সব সময় এক মাত্রা গণনা করা হয়।
Related Questions
অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন ,আব, ইতি, উন (ঊনা) , কদ, কু,নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু,হা এগুলো দেশি উপসর্গ। 'কদাকার' শব্দটি দেশি 'কদ' উপসর্গযোগে গঠিত।
- অধিকাংশ বিষধর সাপের দুটি বিষদাঁত থাকে।
- এই দাঁতগুলো লম্বা এবং মুখের সামনের দিকে অবস্থিত, যা বিষ গ্রন্থির সাথে যুক্ত থাকে।
- সাপ যখন কামড় দেয়, তখন এই দাঁতের মাধ্যমেই শিকারের শরীরে বিষ প্রবেশ করে।
∎মহাপ্রাণ ধ্বনি:
∎যে ধ্বনি উচ্চারণকালে বাতাসের চাপ অধিক থাকে তাকে মহাপ্রাণ ধ্বনি বলে।
∎যেমন খ, ঘ, ছ, ঝ ইত্যাদি।
∎সাধারণত বর্গের দ্বিতীয় ও চতুর্থ ধ্বনি মহাপ্রাণধ্বনি।
বীরশ্রেষ্ঠ পদকপ্রাপ্তদের সংখ্যা সাত।
বীর শ্রেষ্ঠ বীরত্বের জন্য প্রদত্ত বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক পুরস্কার । যুদ্ধক্ষেত্রে অতুলনীয় সাহস ও আত্মত্যাগের নিদর্শন স্থাপনকারী যোদ্ধার স্বীকৃতিস্বরূপ এই পদক দেয়া হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদ সাতজন মুক্তিযোদ্ধাকে এই পদক দেয়া হয়েছে ।
০১. মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর ক্যাপ্টেন বাংলাদেশ সেনা বাহিনী, ডিসেম্বর ১৪, ১৯৭১
০২. হামিদুর রহমান সিপাহী বাংলাদেশ সেনা বাহিনী, অক্টোবর ২৮, ১৯৭১
০৩. মোস্তফা কামাল সিপাহী বাংলাদেশ সেনা বাহিনী, এপ্রিল ১৮, ১৯৭১
০৪. মোহাম্মদ রুহুল আমিন ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার বাংলাদেশ নৌ বাহিনী, ডিসেম্বর ১০, ১৯৭১
০৫. মতিউর রহমান ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট বাংলাদেশ বিমান বাহিনী, আগস্ট ২০, ১৯৭১
০৬. মুন্সি আব্দুর রউফ ল্যান্স নায়েক বাংলাদেশ রাইফেলস, এপ্রিল ২০ , ১৯৭১
০৭. নূর মোহাম্মদ শেখ ল্যান্স নায়েক বাংলাদেশ রাইফেলস,
বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম ঔপন্যাসিক মীর মশাররফ হোসেন ধর্মীয় গোঁড়ামিকে প্রশ্রয় দেননি ।তিনি মাতৃভাষার মধ্যে কোন ধর্মীয় বিভেদ রেখা টানতে চাননি এবং ভাষার ব্যবহারের মাধ্যমে মুসলমানিত্ব এবং বাঙালিত্ব প্রভৃতি প্রভেদ তৈরি হোক তা অগ্রাহ্য করেছেন ।তাই তিনি নবাব আবদুল লতিফ কর্তৃক দেখানো 'মুসলমানি বাংলা' কে অস্বীকার করেছেন এবং 'আমাদের শিক্ষা' নামক প্রবন্ধে উল্লেখ করেছেন ,'বঙ্গবাসী মুসলমানদের দেশভাষা বা মাতৃভাষা 'বাঙ্গালা' ।মাতৃভাষায় যাহার আস্থা নাই ,সে মানুষ নহে । ''
“প্রদীপ নিবিয়া গেল” ! ’ - উক্তিটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় রচিত কপালকুণ্ডলা (১৮৬৬) উপন্যাসের।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় রচিত উপন্যাসগুলো হলো -
-দুর্গেশনন্দিনী (১৮৬৫),
-মৃণালিনী (১৮৬৯),
-বিষবৃক্ষ (১৮৭৩),
-যুগলাঙ্গুরীয় (১৮৭৪),
-রাজসিংহ (১৮৮২),
-চন্দ্রশেখর (১৮৭৫),
-দেবী চৌধুরাণী (১৮৮৪),
-আনন্দমঠ (১৮৮২),
-কৃষ্ণকান্তের উইল (১৮৭৮),
-সীতারাম (১৮৮৭),
-রাধারাণী (১৮৮৬)।
-বঙ্কিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়কে বাংলা উপন্যাসের জনক বা উপন্যাস সাহিত্যের স্থপতি। তার ছদ্মনাম কমলাকান্ত।
জব সলুশন