কোথায় ঐতিহাসিক ট্রয় নগর অবস্থিত?
প্রাচীন এশিয়া মাইনরে (বর্তমানে তুরস্কের আনাতোলিয়া রাজ্য) ঐতিহাসিক ট্রয় নগরী অবস্থিত।
-এ নগরীর রাজা-রাণী প্রিয়াম ও হেকবার পুত্র প্যারিসই ছিলেন ঐতিহাসিক ট্রয় যুদ্ধের মূল হোতা। রাজপুত্র প্যারিস গ্রিসের স্পার্টা রাজ্যের রাজা মেনেলেস এর স্ত্রী হেলেন এর প্রেমে পড়ে যান। তারপর হেলেনকে নিয়ে ট্রয়ে পালিয়ে আসলে শুরু হয় স্পার্টা আর ট্রয় নগরীর মধ্যে যুদ্ধ। আর এ যুদ্ধেই ধ্বংস হয়ে যায় ট্রয় নগরী।
-১৮৭০ সালে জার্মান প্রত্নতত্ত্ববিদ হেইনরিখ শ্লিম্যান ট্রয় নগরীর ধ্বংসাবেষ আবিষ্কার করেন।
-ইউনেস্কো ১৯৯৮ সালে ট্রয় নগরীকে বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে।
Related Questions
কোনো দেশে যদি কোনোরুপ জলসীমা না থাকে তাকে স্থলবেষ্টিত দেশ বলে।
- বিশ্বে স্থলবেষ্ঠিত দেশের সংখ্যা ৪৫ টি।
- বিশ্বে স্থলবেষ্টিত মোট স্বাধীন রাষ্ট্রের সংখ্যা ৪৫টি। এর মধ্যে বৃহত্তম দেশ কাজাখস্তান।
- এশিয়ায় স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র ১১ টি।
যথা -নেপাল, ভুটান, আফগানিস্তান, লাওস, মঙ্গোলিয়া, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, উজবেকিস্তান, তাজাকিস্তান, তুর্কমেনিস্তান, আজারবাইজান।
-১৯৩০ সালে প্রথম ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ উরুগুয়েতে অনুষ্ঠিত হয়।
-এতে ১৩টি দল অংশ গ্রহণ করে।
-প্রথম বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল উরুগুয়ে, রানার্স আপ হয়েছিল আর্জেন্টিনা।
-২০ নভেম্বর থেকে ১৮ ডিসেম্বর, ২০২২ সালে ২২তম ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ কাতারে অনুষ্ঠিত হয়। এ আসরে ৩য় বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয় আর্জেন্টিনা ও রানার্স আপ হয় ফ্রান্স।
-২০২৬ সালে অনুষ্ঠিত ফিফার ২৩ তম ফুটবল বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে মোট তিনটি দেশের সমন্বয়ে- কানাডা, মেক্সিকো এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
-তিন দেশের মোট ১৬টি শহরে হবে খেলা। তার মধ্যে আমেরিকার ১১, মেক্সিকোর তিন ও কানাডার দু'টি শহর রয়েছে।
-খেলায় অংশ গ্রহন করবে মোট ৪৮টি দল।
ন্যাটোর বর্তমান সদস্য-দেশের সংখ্যা ৩১। এদের মধ্যে ২৯ টি দেশ ইউরোপের, আর বাকি ২ টি দেশ উত্তর আমেরিকার৷ ২০০৯ সালের ১ এপ্রিল আলবেনিয়া এবং ক্রোয়েশিয়া ন্যাটোতে যোগ দেয়। উত্তর মেসিডোনিয়া ২৭ মার্চ ২০২০ তারিখে যোগ দেয়। সর্বশেষ ফিনল্যান্ড ৪ এপ্রিল ২০২৩ তারিখে ন্যাটোতে যোগ দেয়।
কূটনৈতিক ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ২০২০ সালে প্রবর্তিত পুরস্কারের নাম বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমেটিক অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সিলেন্স।
বাংলাদেশের জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ হচ্ছে বাংলাদেশের জনসংখ্যার বিস্তারিত গণনার লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত দেশের ষষ্ঠ জাতীয় আদমশুমারি। এটি বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল আদমশুমারি। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তত্ত্বাবধানে ২০২২ সালের ১৫ জুন থেকে ২১ জুন পর্যন্ত এক সপ্তাহব্যাপী অনুষ্ঠিত হয়।
মণিপুরী নৃগোষ্ঠী ভারত ও বাংলাদেশে বসবাসকারী একটি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী। এদের আদি নিবাস ভারতের উত্তর- পূর্বাঞ্চলীয় মণিপুর রাজ্যে। ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথম ভাগে রাজনৈতিক ও সংঘাতজনিত কারণে এরা মণিপুর রাজ্য থেকে বিতাড়িত হয়ে উপমহাদেশের বিভিন্ন জায়গায় আশ্রয় গ্রহণ করে। বাংলাদেশে আসা মণিপুরীরা মৌলভীবাজার, সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, ময়মনসিংহ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও ঢাকার মণিপুরী পাড়ায় বাস করে। ভাষাগত এবং ধর্মীয় ভিন্নতার কারণে বাংলাদেশের মণিপুরীরা তিনটি শাখায় বিভক্ত এবং স্থানীয়ভাবে তারা বিষ্ণুপ্রিয়া, মৈতৈ ও পাঙন নামে পরিচিত। বাংলাদেশের মণিপুরীদের মধ্যে বিষ্ণুপ্রিয়ারা সংখ্যাগরিষ্ঠ। জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২ অনুযায়ী, বাংলাদেশে মোট মণিপুরী জনসংখ্যা ২২৯৭৮ জন।
-মৌলভীবাজারে ৩১টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে। এর মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ হলো মণিপুরী নৃগোষ্ঠী। এখানে মণিপুরী নৃগোষ্ঠীর তিনটি শাখার (বিষ্ণুপ্রিয়া, মৈতৈ ও পাঙন) জনগণ বাস করে।
-পাঙন মনিপুরী সম্প্রদায়। ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসী।মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় এরা বসবাস করে। এদের মোট জনসংখ্যা প্রায় ১০ হাজার। আর সিলেট জেলায় ১৩টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বাস করে। এদের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ মণিপুরী নৃগোষ্ঠী।
-সিলেট জেলায় মূলত বিষ্ণুপ্রিয়া ও মৈতৈ মণিপুরীরা বাস করে।
জব সলুশন