ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী 'মণিপুরী' বাংলাদেশের কোন জেলায় বেশি বসবাস করে?
মণিপুরী নৃগোষ্ঠী ভারত ও বাংলাদেশে বসবাসকারী একটি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী। এদের আদি নিবাস ভারতের উত্তর- পূর্বাঞ্চলীয় মণিপুর রাজ্যে। ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথম ভাগে রাজনৈতিক ও সংঘাতজনিত কারণে এরা মণিপুর রাজ্য থেকে বিতাড়িত হয়ে উপমহাদেশের বিভিন্ন জায়গায় আশ্রয় গ্রহণ করে। বাংলাদেশে আসা মণিপুরীরা মৌলভীবাজার, সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, ময়মনসিংহ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও ঢাকার মণিপুরী পাড়ায় বাস করে। ভাষাগত এবং ধর্মীয় ভিন্নতার কারণে বাংলাদেশের মণিপুরীরা তিনটি শাখায় বিভক্ত এবং স্থানীয়ভাবে তারা বিষ্ণুপ্রিয়া, মৈতৈ ও পাঙন নামে পরিচিত। বাংলাদেশের মণিপুরীদের মধ্যে বিষ্ণুপ্রিয়ারা সংখ্যাগরিষ্ঠ। জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২ অনুযায়ী, বাংলাদেশে মোট মণিপুরী জনসংখ্যা ২২৯৭৮ জন।
-মৌলভীবাজারে ৩১টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে। এর মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ হলো মণিপুরী নৃগোষ্ঠী। এখানে মণিপুরী নৃগোষ্ঠীর তিনটি শাখার (বিষ্ণুপ্রিয়া, মৈতৈ ও পাঙন) জনগণ বাস করে।
-পাঙন মনিপুরী সম্প্রদায়। ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসী।মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় এরা বসবাস করে। এদের মোট জনসংখ্যা প্রায় ১০ হাজার। আর সিলেট জেলায় ১৩টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বাস করে। এদের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ মণিপুরী নৃগোষ্ঠী।
-সিলেট জেলায় মূলত বিষ্ণুপ্রিয়া ও মৈতৈ মণিপুরীরা বাস করে।
Related Questions
অনিয়ন্ত্রিত জাহাজ ও ইঞ্জিন চালিত নৌকার চলাচল, মাত্রাতিরিক্ত মৎস্য সম্পদ আহরণ, সমুদ্রে বর্জ্য ও ক্ষতিকারক রাসায়নিক পদার্থ নিক্ষেপ, প্রবাল ধ্বংস, জীববৈচিত্র্য হ্রাস ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধে পরিবেশ মন্ত্রণালয় বণ্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২ এর ধারা ১৩(১) ও (২) এর ক্ষমতাবলে ১২ জানুয়ারি- ২০২২ সালে সেন্টমার্টিন দ্বীপ ও এর আশেপাশের ১৭৪৩ বর্গ কি.মি. এলাকাকে Marine Protected Area (MPA) ঘোষণা করে।
-এর আগে ১৯৯৯ সালে সেন্টমার্টিন এলাকাকে Ecological Critical Area (ECA) ঘোষণা করা হয়েছিল।
পঞ্চম আদমশুমারি ২০১১ - এর চূড়ান্ত রিপোর্ট মতে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জেলা রাঙামাটির আয়তন ৬,১১৬.১১ বর্গ কিমি। আয়তনে ছোট জেলা নারায়ণগঞ্জ (৬৮৪.৩৭) বর্গ কিমি)।
নভেরা আহমেদ (মার্চ ২৯, ১৯৩৯–মে ৬, ২০১৫) ছিলেন একজন বাংলাদেশী ভাস্কর। তিনি বাংলাদেশের আধুনিক ভাস্কর্যশিল্পের অন্যতম অগ্রদূত এবং বিংশ শতাব্দীর প্রথম বাংলাদেশী আধুনিক ভাস্কর। ১৯৯৭ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশ সরকার তাকে একুশে পদক প্রদান করে
দক্ষিণের জেলাশহর খুলনায় গড়ে উঠেছে ’১৯৭১: গণহত্যা-নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘর’। এটি শুধু বাংলাদেশের নয়, বরং পুরো দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র গণহত্যা জাদুঘর ও আর্কাইভ। গণহত্যার স্মৃতি সংরক্ষণ এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বের কাছে আমাদের গণহত্যাকে ছড়িয়ে দিতে গণহত্যা জাদুঘর যেসব কার্যক্রম চালাচ্ছে।
পারিবারিক আদালত অর্ডিন্যান্স, ১৯৮৫ পরিবারের প্রতিটি সদস্যের আইনগত সমস্যার বিচার নিষ্পত্তি সম্পর্কিত অধ্যাদেশ। ১৯৮৫ সালে এ অধ্যাদেশ জারি করা হয়। ইসলামী আইন, হিন্দু আইন, দেওয়ানি কার্যবিধি, সাক্ষ্য আইন, অভিভাবক ও প্রতিপাল্য আইন, মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ প্রভৃতি সমন্বয়ে পারিবারিক আদালতের বিচার্য বিষয়ের আইন সংকলিত হয়েছে। এ আইন রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও পার্বত্য এলাকার জেলাসমূহ ছাড়া সারা দেশে প্রযোজ্য।
জব সলুশন