কোন এলাকাকে 'Marine Protected Area (MPA) ঘোষণা করা হয়েছে?

ক) সেন্টমার্টিন
খ) সেন্টমার্টিন এবং এর আশেপাশের এলাকা
গ) পটুয়াখালী ও বরগুনা
ঘ) হিরন পয়েন্ট
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

অনিয়ন্ত্রিত জাহাজ ও ইঞ্জিন চালিত নৌকার চলাচল, মাত্রাতিরিক্ত মৎস্য সম্পদ আহরণ, সমুদ্রে বর্জ্য ও ক্ষতিকারক রাসায়নিক পদার্থ নিক্ষেপ, প্রবাল ধ্বংস, জীববৈচিত্র্য হ্রাস ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধে পরিবেশ মন্ত্রণালয় বণ্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২ এর ধারা ১৩(১) ও (২) এর ক্ষমতাবলে ১২ জানুয়ারি- ২০২২ সালে সেন্টমার্টিন দ্বীপ ও এর আশেপাশের ১৭৪৩ বর্গ কি.মি. এলাকাকে Marine Protected Area (MPA) ঘোষণা করে।
-এর আগে ১৯৯৯ সালে সেন্টমার্টিন এলাকাকে Ecological Critical Area (ECA) ঘোষণা করা হয়েছিল।

Related Questions

ক) রাঙ্গামাটি
খ) চট্টগ্রাম
গ) বরিশাল
ঘ) ময়মনসিংহ
Note :

পঞ্চম আদমশুমারি ২০১১ - এর চূড়ান্ত রিপোর্ট মতে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জেলা রাঙামাটির আয়তন ৬,১১৬.১১ বর্গ কিমি। আয়তনে ছোট জেলা নারায়ণগঞ্জ (৬৮৪.৩৭) বর্গ কিমি)।

ক) কবি
খ) কণ্ঠশিল্পী
গ) নাট্যকার
ঘ) ভাস্কর
Note :

নভেরা আহমেদ (মার্চ ২৯, ১৯৩৯–মে ৬, ২০১৫) ছিলেন একজন বাংলাদেশী ভাস্কর। তিনি বাংলাদেশের আধুনিক ভাস্কর্যশিল্পের অন্যতম অগ্রদূত এবং বিংশ শতাব্দীর প্রথম বাংলাদেশী আধুনিক ভাস্কর। ১৯৯৭ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশ সরকার তাকে একুশে পদক প্রদান করে

ক) ঢাকা
খ) কুমিল্লা
গ) চট্টগ্রাম
ঘ) খুলনা
Note :

দক্ষিণের জেলাশহর খুলনায় গড়ে উঠেছে ’১৯৭১: গণহত্যা-নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘর’। এটি শুধু বাংলাদেশের নয়, বরং পুরো দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র গণহত্যা জাদুঘর ও আর্কাইভ। গণহত্যার স্মৃতি সংরক্ষণ এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বের কাছে আমাদের গণহত্যাকে ছড়িয়ে দিতে গণহত্যা জাদুঘর যেসব কার্যক্রম চালাচ্ছে।

ক) ১৯৮০ সালে
খ) ১৯৮৫ সালে
গ) ১৯৮১ সালে
ঘ) ১৯৯১ সালে
Note :

পারিবারিক আদালত অর্ডিন্যান্স, ১৯৮৫ পরিবারের প্রতিটি সদস্যের আইনগত সমস্যার বিচার নিষ্পত্তি সম্পর্কিত অধ্যাদেশ। ১৯৮৫ সালে এ অধ্যাদেশ জারি করা হয়। ইসলামী আইন, হিন্দু আইন, দেওয়ানি কার্যবিধি, সাক্ষ্য আইন, অভিভাবক ও প্রতিপাল্য আইন, মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ প্রভৃতি সমন্বয়ে পারিবারিক আদালতের বিচার্য বিষয়ের আইন সংকলিত হয়েছে। এ আইন রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও পার্বত্য এলাকার জেলাসমূহ ছাড়া সারা দেশে প্রযোজ্য। 

ক) আইনের প্রয়োগ
খ) আইনের ব্যাখ্যা
গ) সংবিধান প্রণয়ন
ঘ) সংবিধানের ব্যাখ্যা
Note :

সংবিধান প্রণয়ন বিচার বিভাগের কাজ নয়।সংবিধান প্রণয়ন করা জাতীয় সংসদ এর কাজ।

ক) প্রাকৃতিক গ্যাস
খ) চুনাপাথর
গ) মিথেন গ্যাস
ঘ) ইলমেনাইট
Note :

ইউরিয়া  সার তৈরির জন্য চার ধরনের পারমাণবিক কাঁচামাল [কার্বন (C), অক্সিজেন (O), নাইট্রোজেন (N) ও হাইড্রোজেন (H)] দরকার। কিন্তু প্রকৃতিতে এই পরমাণু গুলোকে সহজে পাওয়া যায় না, তাই যে সমস্ত অণুতে এই পরমাণুগুলি আছে তাদেরকে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করে ইউরিয়া সার তৈরি করা হয়। সার কারখানায় ইউরিয়া সার তৈরির কাঁচামাল [কার্বন (C), অক্সিজেন (O), নাইট্রোজেন (N) ও হাইড্রোজেন (H)] সংগ্রহ করা হয় প্রাকৃতিক গ্যাস [মূল উপাদান মিথেন (CH4)],  পানি (H2O), বাতাস (N2) ও অক্সিজেন (O2) থেকে। এরপর প্রাকৃতিক গ্যাসকে পানির সাথে বিক্রিয়া (Steam Reforming) এবং শিফট বিক্রিয়া (Shift Reforming) করে CO2 এবং H2 -তে রূপান্তরিত করা হয়। স্টিম রিফর্মিং করে পাওয়া যায় সিনগ্যাস (Co এবং H2 এর মিশ্রণ)। আর সিনগ্যাস থেকে শিফট বিক্রিয়ার মাধ্যমে কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO2) এবং হাইড্রোজেন অণু (H2) পাওয়া যায়। এরপর CO, ও H, এর সাথে নাইট্রোজেন (N2) যোগ করতে হবে। তারপর N2 ও H2 কে বিক্রিয়া করে তৈরি করতে হবে অ্যামোনিয়া (NH3)। এই অ্যামোনিয়া (NH3) আর CO2 এক সাথে মিশে উৎপন্ন হয় ইউরিয়া সার।

জব সলুশন

বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন- পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়- সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ১৪-০৭-২০২৬

সমন্বিত ব্যাংক — অফিসার (ক্যাশ) 03-07-2026

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর — অফিস সহায়ক ২৭-০৬-২০২৬

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড — সেকশন ইঞ্জিনিয়ার 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — কারিগরি কর্মকর্তা 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — প্রমোশন অফিসার 19-06-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন