আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জেলা কোনটি?
পঞ্চম আদমশুমারি ২০১১ - এর চূড়ান্ত রিপোর্ট মতে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জেলা রাঙামাটির আয়তন ৬,১১৬.১১ বর্গ কিমি। আয়তনে ছোট জেলা নারায়ণগঞ্জ (৬৮৪.৩৭) বর্গ কিমি)।
Related Questions
নভেরা আহমেদ (মার্চ ২৯, ১৯৩৯–মে ৬, ২০১৫) ছিলেন একজন বাংলাদেশী ভাস্কর। তিনি বাংলাদেশের আধুনিক ভাস্কর্যশিল্পের অন্যতম অগ্রদূত এবং বিংশ শতাব্দীর প্রথম বাংলাদেশী আধুনিক ভাস্কর। ১৯৯৭ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশ সরকার তাকে একুশে পদক প্রদান করে
দক্ষিণের জেলাশহর খুলনায় গড়ে উঠেছে ’১৯৭১: গণহত্যা-নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘর’। এটি শুধু বাংলাদেশের নয়, বরং পুরো দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র গণহত্যা জাদুঘর ও আর্কাইভ। গণহত্যার স্মৃতি সংরক্ষণ এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বের কাছে আমাদের গণহত্যাকে ছড়িয়ে দিতে গণহত্যা জাদুঘর যেসব কার্যক্রম চালাচ্ছে।
পারিবারিক আদালত অর্ডিন্যান্স, ১৯৮৫ পরিবারের প্রতিটি সদস্যের আইনগত সমস্যার বিচার নিষ্পত্তি সম্পর্কিত অধ্যাদেশ। ১৯৮৫ সালে এ অধ্যাদেশ জারি করা হয়। ইসলামী আইন, হিন্দু আইন, দেওয়ানি কার্যবিধি, সাক্ষ্য আইন, অভিভাবক ও প্রতিপাল্য আইন, মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ প্রভৃতি সমন্বয়ে পারিবারিক আদালতের বিচার্য বিষয়ের আইন সংকলিত হয়েছে। এ আইন রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও পার্বত্য এলাকার জেলাসমূহ ছাড়া সারা দেশে প্রযোজ্য।
সংবিধান প্রণয়ন বিচার বিভাগের কাজ নয়।সংবিধান প্রণয়ন করা জাতীয় সংসদ এর কাজ।
ইউরিয়া সার তৈরির জন্য চার ধরনের পারমাণবিক কাঁচামাল [কার্বন (C), অক্সিজেন (O), নাইট্রোজেন (N) ও হাইড্রোজেন (H)] দরকার। কিন্তু প্রকৃতিতে এই পরমাণু গুলোকে সহজে পাওয়া যায় না, তাই যে সমস্ত অণুতে এই পরমাণুগুলি আছে তাদেরকে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করে ইউরিয়া সার তৈরি করা হয়। সার কারখানায় ইউরিয়া সার তৈরির কাঁচামাল [কার্বন (C), অক্সিজেন (O), নাইট্রোজেন (N) ও হাইড্রোজেন (H)] সংগ্রহ করা হয় প্রাকৃতিক গ্যাস [মূল উপাদান মিথেন (CH4)], পানি (H2O), বাতাস (N2) ও অক্সিজেন (O2) থেকে। এরপর প্রাকৃতিক গ্যাসকে পানির সাথে বিক্রিয়া (Steam Reforming) এবং শিফট বিক্রিয়া (Shift Reforming) করে CO2 এবং H2 -তে রূপান্তরিত করা হয়। স্টিম রিফর্মিং করে পাওয়া যায় সিনগ্যাস (Co এবং H2 এর মিশ্রণ)। আর সিনগ্যাস থেকে শিফট বিক্রিয়ার মাধ্যমে কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO2) এবং হাইড্রোজেন অণু (H2) পাওয়া যায়। এরপর CO, ও H, এর সাথে নাইট্রোজেন (N2) যোগ করতে হবে। তারপর N2 ও H2 কে বিক্রিয়া করে তৈরি করতে হবে অ্যামোনিয়া (NH3)। এই অ্যামোনিয়া (NH3) আর CO2 এক সাথে মিশে উৎপন্ন হয় ইউরিয়া সার।
বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ হলো প্রাকৃতিক গ্যাস।
-১৯৫৫ সালে সিলেটের হরিপুরে আবিষ্কৃত হয় এবং ১৯৫৭ প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়।
-বাংলাদেশে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রধান উৎস প্রাকৃতিক গ্যাস।
-বর্তমানে দেশে আবিষ্কৃত মোট গ্যাসক্ষেত্র ৩১টি।
- এর মধ্যে চালু আছে ২৯টি।
-অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২ অনুযায়ী, দেশে মোট গ্যাসের মজুদ ৩৯.৯ ট্রিলিয়ন ঘনফুট।
-অন্যদিকে, ১৯৬২ সালে জয়পুরহাটের জামালগঞ্জে প্রথম কয়লা খনি আবিষ্কৃত হয়।
-১৯৫৭ সালে নেত্রকোণা জেলায় চিনামাটির সন্ধান পাওয়া যায়।
-১৯৫৮ সালে সেন্টমার্টিন দ্বীপে চুনাপাথর পাওয়া যায়।
জব সলুশন