নিচের কোনটি অর্ধতৎসম শব্দ ?
কুচ্ছিত - অর্ধতৎসম শব্দ। কারণ, কুৎসিত(তৎসম) < কুচ্ছিত (অর্ধ তৎসম)।
সংস্কৃত ভাষা থেকে যে শব্দগুলি সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে কিন্তু শব্দগুলির যথাযথ রূপ রক্ষা পায়নি, বিকৃত হয়ে গেছে, তাদের অর্ধতৎসম শব্দ বলে। যেমন: নিমন্ত্রণ শব্দটি সংস্কৃত থেকে বাংলায় এসে 'নেমন্তন্ন' হয়ে গেছে। এটি অর্ধতৎসম শব্দ।
- তৎসম,অর্ধতৎসম ও তদ্ভব এই তিন ধরনের শব্দ মিলে বাংলা ভাষার শরীর গঠিত হয়েছে
- তৎসম ও তদ্ভব (তৎ+ভব) শব্দ গুলো ব্যবহার শুরু করে ছিলেন প্রাকৃত ভষার ব্যাকরন রচয়িতারা।
- বাংলা ভাষার শতকরা বায়ান্ন(৫২) টি শব্দ অর্ধতৎসম ও তদ্ভব শব্দ
- বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দ রয়েছে শতকরা চুয়াল্লিশটি(৪৪)
- বাংলা ভাষায় শতকরা ছিয়ানব্বইটি মৌলিক বাংলা শব্দ রয়েছে।।
Related Questions
রোগ অর্থে ব্যবহৃত শব্দটি হলো মাথা ধরা। বাংলা ব্যাকরণে ও ব্যবহারে 'মাথা ধরা' সরাসরি শারীরিক অসুস্থতা বা রোগ (যেমন হালকা মাথাব্যথা বা অস্বস্তি) বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
পর্তুগিজ শব্দ- আনারস, আলমারি, গুদাম । পাঞ্জাবি শব্দ- চাহিদা, শিখ
গুণহীনের ব্যর্থ আস্ফালন = অসারের তর্জন-গর্জন সার।
- 'আসলে মুষল নেই ও ঢেকি ঘরে চাদোয়া' অর্থ - গুরুত্বপূর্ন কাজে মন না দিয়ে কম গুরুত্বপূর্ন কাজে মন দেয়া।
- 'ঘুঘু দেখেছ ফাদ দেখনি' অর্থ - কোন কাজের কঠিন অংশ না দেখে শুধু সহজ অংশ দেখা।
- 'কানা ছেলের নাম পদ্মলোচন' অর্থ - অযোগ্যের বিপরীত নামকরণ।
‘ইঁদুর কপাল’ (মন্দভাগ্য) বাগধারাটির বিপরীতার্থক বাগধারা হলো ‘একাদশে বৃহস্পতি’ (সৌভাগ্য)।
চিঠিপত্র বা খামের শিরোনামের প্রধান অংশ হলো প্রাপকের ঠিকানা। এই অংশে চিঠির খাম বা পাতার নির্দিষ্ট স্থানে যার কাছে চিঠি পাঠানো হচ্ছে তার নাম, ঠিকানা এবং প্রয়োজনীয় তথ্য লেখা হয়।
যে যে পদে সমাস হয় তাদের প্রত্যেকটি পদকে সমস্যমান পদ বলে। সমাসের পরিভাষা ৫ টি ।সমস্যমান পদ , ব্যাসবাক্য , সমস্তপদ , পূর্বপদ , পরপদ ।
- যে যে পদের সমাস হয় তাদের প্রত্যেককে বলে সমস্যমান পদ ।
- সমাস যুক্ত পদের প্রথম অংশকে পূর্বপদ বলে।
- সমাস যুক্ত পদের পরবর্তী অংশকে পরপদ বলে ।
- সমাসবদ্ধ বা সমাস নিষ্পন্ন পদটির নাম সমস্তপদ ।
- সমস্ত পদকে ভাঙলে যে বাক্যাংশ পাওয়া যায় তাকে বলা হয় ব্যাসবাক্য ।
জব সলুশন