ইঁদুর কপাল’ - এর বিপরীতার্থক বাগধারা কোনটি ?
‘ইঁদুর কপাল’ (মন্দভাগ্য) বাগধারাটির বিপরীতার্থক বাগধারা হলো ‘একাদশে বৃহস্পতি’ (সৌভাগ্য)।
Related Questions
চিঠিপত্র বা খামের শিরোনামের প্রধান অংশ হলো প্রাপকের ঠিকানা। এই অংশে চিঠির খাম বা পাতার নির্দিষ্ট স্থানে যার কাছে চিঠি পাঠানো হচ্ছে তার নাম, ঠিকানা এবং প্রয়োজনীয় তথ্য লেখা হয়।
যে যে পদে সমাস হয় তাদের প্রত্যেকটি পদকে সমস্যমান পদ বলে। সমাসের পরিভাষা ৫ টি ।সমস্যমান পদ , ব্যাসবাক্য , সমস্তপদ , পূর্বপদ , পরপদ ।
- যে যে পদের সমাস হয় তাদের প্রত্যেককে বলে সমস্যমান পদ ।
- সমাস যুক্ত পদের প্রথম অংশকে পূর্বপদ বলে।
- সমাস যুক্ত পদের পরবর্তী অংশকে পরপদ বলে ।
- সমাসবদ্ধ বা সমাস নিষ্পন্ন পদটির নাম সমস্তপদ ।
- সমস্ত পদকে ভাঙলে যে বাক্যাংশ পাওয়া যায় তাকে বলা হয় ব্যাসবাক্য ।
সাতসমুদ্র একটি দ্বিগু সমাসের সমস্ত পদ। এর ব্যাসবাক্য হলো— "সাত সমুদ্রের সমাহার"। সংখ্যাবাচক শব্দের সাথে বিশেষ্য পদের মিলনে এবং সমষ্টি বা সমাহার বোঝাতে দ্বিগু সমাস হয়।
মধুসূদন দত্ত বানানটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ।
নিরেট বোকা বাগধারাটিই ভিন্নার্থক। কারণ 'সুখের পায়রা', 'শরতের শিশির' এবং 'দুধের মাছি'—এই তিনটি বাগধারার একই অর্থ অর্থাৎ "সুসময়ের বন্ধু", পক্ষান্তরে 'নিরেট বোকা' বাগধারাটির অর্থ একদম নির্বোধ বা মূর্খ।
- প্রাপক পুরানো বড় হলে প্রেরক বর্ণের আগে স্নেহভাজন শব্দটি ব্যবহার করবে।
- এটি একটি শিষ্টাচার জ্ঞাপক শব্দ যা প্রকের শ্রদ্ধা ও স্নেহের প্রকাশ করে।
- প্রীতি অনুভূতি শব্দটি প্রেরকের অনুরাগের প্রকাশ করে, যা প্রাপক পুরানো বড় হলে ব্যবহার করা উচিত নয়।
- শুভকাঙ্ক্ষী শব্দটি প্রেরকের শুভকামনার প্রকাশ করে, যা প্রাপক পুরানো বড় দেখতে ব্যবহার করা যেতে পারে, তবে স্নেহভাজন শব্দটি ব্যবহার করা শ্রেয়। তাই, প্রাপক পুরানো বড় হলে প্রেরক বর্ণের আগে স্নেহভাজন শব্দটি ব্যবহার করবে।
জব সলুশন