which of the flowing sentences is the correct one?
তৈরি জিনিসের উপাদান চোখে দেখা গেলে preposition ‘of’ বসে।যেমন: Table made of wood.
কিন্তু তৈরি জিনিসের উপাদান চোখে দেখা না গেলে preposition ‘from’ বসে । যেমন: paper made from wood.
Related Questions
Bring to pass- ঘটানো, অর্থাৎ Cause to happen ।
সাধারণত অতীতের কোনো action অথবা event যদি পরস্পর সম্পর্কিতভাবে ঘটে সেক্ষেত্রে model verb হিসেবে ' would have' ব্যবহৃত হয় এক্ষেত্রে would have..... if ...... structure নিম্নরুপে - sub + would have + past participle form of verb + .... যেমন - - - what would have hipped if the bridge had broken ' দ্বারা বোঝানো হয়েছে তারা ব্রিজটা সহজেই পেরিয়ে এসেছে। কিন্তু যদি ভেঙ্গে পড়ত তাহলে কি ঘটত? হয়তো তারা অনেকেই আহত হতো। কিন্তু কিছুই ঘটেনি। সুতরাং সঠিক উত্তর হবে (গ)।
”এ মাটি সোনার বাড়া” - এ উদ্ধৃতিতে “সোনা” বিশেষণের অতিশায়ন অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে ।
বিশেষণ পদ যখন দুই বা ততোধিক বিশেষ্য পদের মধ্যে গুণ, অবস্থা, পরিমাণ প্রভৃতি বিষয়ে তুলনায় একের উৎকর্ষ বা অপকর্ষ বুঝিয়ে থাকে, তাকে বিশেষণের অতিশায়ন বলে । এ ধরনের বিশেষণ প্রকাশে কখনো কখনো ষষ্ঠী বিভক্তিযুক্ত শব্দে ষষ্ঠী বিভক্তিই চেয়ে, থেকে প্রভৃতি শব্দের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয় । যেমন - এ মাটি সোনার বাড়া।
- ‘জ্যাঠামি’ শব্দের অর্থ বাচালতা, পাকামি, অকালপক্বতা ইত্যাদি আর ‘ন্যাকামি’ শব্দের অর্থ - সারল্য বা সাধুতার ভানকারী, অজ্ঞতার ভান ইত্যাদি।
- বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষার প্রবর্তক প্রমথ চৌধুরী ছিলেন মার্জিত নাগরিক রুচি, প্রখর বুদ্ধিদীপ্ত ও অপূর্ব বাক-চাতুর্যের অধিকারী।
- তিনি জীবনে জ্যাঠামি ও সাহিত্যে ন্যাকামি’ সহ্য করতে পারতেন না। সাহিত্যের উদ্দেশ্য সম্পর্কে তার মত হলো- ‘সাহিত্যের উদ্দেশ্য হচ্ছে সকলকে আনন্দ দান করা, কারও মনোরঞ্জন নয়। সাহিত্য ছেলের হাতের খেলনাও নয়, গুরুর হাতের বেতও নয়।
'আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি' - আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ রচিত কাব্যগ্রন্থ, প্রকাশিত হয় ১৯৮১ সালে। এ লেখকের অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ হচ্ছে 'সাতনরী হার' কখনও রং কখনও সুর' কমলের চোখ' সহিষ্ণু প্রতিক্ষা' 'প্রেমের কবিতা' নির্বাচিত কবিতা' ইত্যাদি।
- মদন মোহন তর্কালঙ্কার (জন্ম: ১৮১৭ – মৃত্যু: ৯ই মার্চ, ১৮৫৮) ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম পন্ডিত ব্যক্তিত্ব এবং বাংলার নবজাগরণের অন্যতম অগ্রদূত হাসেবে পরিচিত।
- তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের অধ্যাপক ছিলেন এবং শিশুদের জন্য একাধিক পাঠ্যপুস্তক রচনা করেন।
- তিনি ১৪টি সংস্কৃত বই সম্পাদনা করেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থসমূহের মধ্যে রয়েছে: রসতরঙ্গিণী (১৮৩৪) বাসবদত্তা (১৮৩৬) শিশু শিক্ষা - তিন খণ্ড (১৮৪৯ ও ১৮৫৩)।
- তাঁর বিখ্যাত কিছু পংক্তির মধ্যে রয়েছে:
‘পাখী সব করে রব, রাতি পোহাইল’;
‘সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি, সারা দিন আমি যেন ভালো হয়ে চলি’;
‘লেখাপড়া করে যে/ গাড়ি ঘোড়া চড়ে সে’।
জব সলুশন