‘আমি কিংবদান্তির কথা বলছি’-এর রচয়িতা কে?
'আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি' - আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ রচিত কাব্যগ্রন্থ, প্রকাশিত হয় ১৯৮১ সালে। এ লেখকের অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ হচ্ছে 'সাতনরী হার' কখনও রং কখনও সুর' কমলের চোখ' সহিষ্ণু প্রতিক্ষা' 'প্রেমের কবিতা' নির্বাচিত কবিতা' ইত্যাদি।
Related Questions
- মদন মোহন তর্কালঙ্কার (জন্ম: ১৮১৭ – মৃত্যু: ৯ই মার্চ, ১৮৫৮) ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম পন্ডিত ব্যক্তিত্ব এবং বাংলার নবজাগরণের অন্যতম অগ্রদূত হাসেবে পরিচিত।
- তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের অধ্যাপক ছিলেন এবং শিশুদের জন্য একাধিক পাঠ্যপুস্তক রচনা করেন।
- তিনি ১৪টি সংস্কৃত বই সম্পাদনা করেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থসমূহের মধ্যে রয়েছে: রসতরঙ্গিণী (১৮৩৪) বাসবদত্তা (১৮৩৬) শিশু শিক্ষা - তিন খণ্ড (১৮৪৯ ও ১৮৫৩)।
- তাঁর বিখ্যাত কিছু পংক্তির মধ্যে রয়েছে:
‘পাখী সব করে রব, রাতি পোহাইল’;
‘সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি, সারা দিন আমি যেন ভালো হয়ে চলি’;
‘লেখাপড়া করে যে/ গাড়ি ঘোড়া চড়ে সে’।
প্রত্যক্ষ কোন বস্তুর সাথে পরোক্ষ কোন বস্তুর তুলনা করলে প্রত্যক্ষ বস্তুটিকে বলা হয় উপমেয় । যেমন - ভ্রমরের ন্যায় কৃষ্ণ কেশ = ভ্রমরকৃষ্ণকেশ । এখানে 'কেশ' উপমেয় ।
বাংলা সাহিত্যে নাটকঃ
> ১ম নাটক = ভদ্রারজুন ( তারাপদ শিকদার)
> ১ম সার্থক/আধুনিক নাটক =শর্মিষ্ঠা (মাইকেল মধুসূদন দত্ত)
> ১ম সার্থক ট্রাজেডি নাটক =কৃষ্ণকুমারী (মাইকেল মধুসূদন দত্ত)
> ১ম প্রহসনধর্মী নাটক = একেই কি বলে সভ্যতা (মাইকেল মধুসূদন দত্ত)
> ১ম সামাজিক বা মৌলিক নাটক = কুলীনকুল সর্বস্ব( রামনারায়ন তর্করত্ন)
> মুসলমান রচিত ১ম নাটক =বসন্তকুমারী ( মীর মশাররফ হোসেন )
> ঢাকা থেকে প্রকাশিত ১ম গ্রন্থ/নাটক = নীলদর্পণ ( দ্বীনবন্ধু মিত্র)
> বাংলাদেশের নাটক বলা হয় =নীলদর্পণ ( দ্বীনবন্ধু মিত্র)
এখানে, পর + পর = পরস্পর সন্ধিটি নিপাতনে সিদ্ধ। ব্যাকরণের সাধারণ বা বিশেষ কোনো নিয়মানুসারে যখন কোনো কর্ম ব্যাখ্যা করা যায় না, অথচ তা সংঘটিত হয়, তখন সেই ব্যতিক্রমকে বৈধতা দেয়ার নাম নিপাতনে সিদ্ধ।
- 'মেছো’ শব্দের প্রকৃতি ও প্রত্যয়--মাছ+উয়া(ও)।
• মাছ+উয়া>ও = মেছো
- এখানে 'উয়া>ও' বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয়ের উদাহরণ যা উপজীবিকা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
- ভাষায় ব্যবহৃত সংস্কৃত ও বিদেশি প্রত্যয় ছাড়া বাকি সব প্রত্যয়কে বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয় বলে। যেমন : বাঘ+আ=বাঘা; ঘর+আমি=ঘরামি ইত্যাদি।
- রাজা রামমোহন রায় প্রথম বাঙালি হিসেবে 'গৌড়ীয় ব্যাকরণ' (১৮৩৩) রচনা করেন।
- তার অন্যান্য রচনা হচ্ছে 'বেদান্তসার' (১৮১৫), 'ভট্টাচার্যের সহিত বিচার' (১৮১৭), 'সহমরণ বিষয়ক প্রবর্তক ও নিবর্তকের সম্বাদ' (১৮১৮) ইত্যাদি।
জব সলুশন