ডেঙ্গু জ্বরের বাহক ----
ডেঙ্গু জ্বরের প্রধান বাহক হলো সংক্রামিত স্ত্রী এডিস ইজিপ্টি (Aedes aegypti) মশা [১, ২]। এই ভাইরাসটি এডিস প্রজাতির অন্য মশা, যেমন এডিস অ্যালবোপিক্টাস (Aedes albopictus) দ্বারাও ছড়াতে পারে [৭]। সাধারণত দিনের বেলা, বিশেষ করে সকালে ও বিকেলে এই মশা কামড়ায় এবং স্থির স্বচ্ছ পানিতে এদের বংশবৃদ্ধি হয় [১২]।
ডেঙ্গু বাহক এডিস মশার বৈশিষ্ট্য ও সংক্রমণ:
মশার বাহ্যিক রূপ: এডিস মশা আকারে ছোট এবং এদের শরীরে সাদা-কালো ডোরাকাটা দাগ থাকে, তাই এদের ‘টাইগার মশা’ও বলা হয় [৯, ১০]।
সংক্রমণ প্রক্রিয়া: যখন একটি মশা ডেঙ্গু আক্রান্ত ব্যক্তিকে কামড়ায়, তখন ভাইরাসটি মশার শরীরে প্রবেশ করে এবং ৮-১২ দিন পর মশাটি অন্য সুস্থ ব্যক্তিকে কামড়ালে তার শরীরে ভাইরাস ছড়ায় [২, ১১]।
দিনের বেলা সক্রিয়: এডিস মশা সাধারণত দিনের আলোতে, বিশেষ করে সূর্যোদয়ের পর কয়েক ঘণ্টা এবং সূর্যাস্তের আগে ও পরে কামড়ায় [১২]।
প্রজননস্থল: বাড়ির ভেতরে বা আশেপাশে জমে থাকা স্বচ্ছ পানিতে এরা ডিম পাড়ে। যেমন—টব, ফুলের টব, টায়ার, ডাবের খোসা, বাথরুমে জমে থাকা পানি [১০, ১১]।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা এবং দিনের বেলা মশার কামড় থেকে সতর্ক থাকা অত্যন্ত জরুরি [১২]।
Related Questions
স্কার্ভি রোগ মূলত ভিটামিন সি (অ্যাসকরবিক অ্যাসিড) এর অভাবে হয়,। এই রোগের ফলে মাড়ি থেকে রক্তপাত, দাঁত আলগা হয়ে যাওয়া, ক্লান্তি, দুর্বলতা, এবং ত্বকে ক্ষত শুকাতে দীর্ঘ সময় লাগার মতো সমস্যা দেখা দেয়. এটি মানবদেহে কোলাজেন তৈরির জন্য অপরিহার্য।
স্কার্ভি সম্পর্কিত মূল তথ্য:
ভিটামিন: ভিটামিন সি ।
প্রধান লক্ষণ: মাড়ির রোগ, দাঁত পড়ে যাওয়া, হাত-পায়ে ব্যথা, এবং ক্লান্তি ।
প্রতিরোধ: লেবু, কমলা, পেয়ারা, আমলকী ও শাকসবজির মতো ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করা ।
উৎস:
এটি কোনো প্রাণীর শরীরে তৈরি হয় না, তাই খাবারে ভিটামিন সি এর অভাব থাকলে এই রোগ হয় ।
ভিটামিন সি এর তীব্র ঘাটতি হলে এই রোগ দেখা দেয়, যা সঠিক খাবার গ্রহণের মাধ্যমে সহজেই প্রতিরোধ ও নিরাময় করা সম্ভব ।
১. মৌমাছি পালন বিদ্যা- এপিকালচার
২. রেশম চাষ বিদ্যা- সেরিকালচার
৩. ব্যাঙ চাষ বিদ্যা- ফ্রগকালচার
৪. চিংড়ি চাষ বিদ্যা- প্রনকালচার
৫. মুক্তা চাষ বিদ্যা- পার্লকালচার
৬. মৎস্য চাষ বিদ্যা- পিসিকালচার
৭. পাখি পালন বিদ্যা- এভিকালচার ।
- ২০১৪ সালে ড. মুনিরুজ্জামান এর নেতৃত্বে একদল গবেষক মহিষের জিনগত নকশা উন্মোচন করেন।
কম্পিউটারকে কমান্ড বা নির্দেশ দেওয়ার জন্য প্রধানত ইনপুট ডিভাইস (Input Device) ব্যবহার করা হয়, যার মধ্যে কিবোর্ড (Keyboard) এবং মাউস (Mouse) সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য । এই ডিভাইসগুলোর মাধ্যমে ব্যবহারকারী কমান্ড টাইপ করে বা ক্লিক করে কম্পিউটারকে কাজের নির্দেশ দিয়ে থাকেন।
জব সলুশন