খাতক'এর বিপরীত শব্দ -
খাতক এর বিপরীত শব্দ মহাজন। পুরোভাগ এর বিপরীতার্থক শব্দ পশ্চাদ্ভাগ।
Related Questions
উদ্ধরণ চিহ্নের পূর্বে (খন্ড বাক্যের শেষে) কমা বসাতে হবে। যেমন - অধ্যক্ষ বললেন , "ছুটি পাবেন না। "
সংস্কৃত ভাষা থেকে উৎপন্ন ভাষাকে সাধু ভাষা হিসেবে অভিহিত করা হয়।
যেমন: অতঃপর তাহারা চলিয়া গেল (সাধু)। তারপর তারা চলে গেল (চলিত)। জুতা (সাধু), জুতো (চলিত); বন্য (সাধু), বুনো (চলিত); শুষ্ক (সাধু), শুকনো (চলিত)।
ভাষার মূল উপাদান ধ্বনি আর এই ধ্বনি নির্দেশক চিহ্নকে বলা হয় বর্ণ।
বাংলা বর্ণমালায় মোট ৫০ টি বর্ণ রয়েছে। তার মধ্যে স্বরবর্ণ ১১ টি ও ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯ টি।
মাত্রার উপর ভিত্তি করে বর্ণ তিন প্রকারঃ
১. মাত্রাহীন বর্ণ ১০ টি (এ,ঐ,ও,ঔ - স্বরবর্ণ ৪ টি) এবং (ঙ,ঞ,ৎ,ং, ঃ, ঁঁ - ব্যঞ্জনবর্ণ ৬ টি)
২. অর্ধমাত্রার বর্ণ ৮ টি (ঋ - স্বরবর্ণ ১ টি) এবং (খ,গ,ণ,থ,ধ,প,শ - ব্যঞ্জনবর্ণ ৭ টি)
৩. পূর্ণমাত্রার বর্ণ ৩২ টি (স্বরবর্ণ ৬ টি + ব্যঞ্জনবর্ণ ২৬ টি)।
যৌগিক স্বরজ্ঞাপক দুটি বর্ণ — ঐ (অ + ই), ঔ (অ + উ)
-রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ: প্রত্যয় বা উপসর্গ যোগে গঠিত যে সব শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ আলাদা হয়, তাদেরকে রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ বলে।
-যেমনঃ হরিণ - হরণ করেছে কিন্তু বলতে আমরা হরিণ প্রাণীকেই বুঝি।
-আরো কয়েকটি রূঢ়ি শব্দ—হরিণ, হস্তী, বাঁশি, তৈল, প্রবীণ, সন্দেশ, পাঞ্জাবি।
উপাসক অর্থে: শিব + ষ্ণ = শৈব।
সম্পর্ক বােঝাতে: দেব + ষ্ণ = দৈব, চিত্র + ষ্ণ = চৈত্র।
কিন্তু বিশেষ নিয়মে: সূর্য + ষ্ণ (অ) = সৌর।
'পাহাড়ের ঢাল বেয়ে জল নামছে' - বাক্যে 'জল' কর্ম কারকে শূন্য বিভক্তি।
যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে কর্মকারক বলে।
কর্ম দুই প্রকার: মুখ্য কর্ম ও গৌণ কর্ম। যেমন: বাবা আমাকে (গৌণ কর্ম) একটি কলম (মুখ্য কর্ম) কিনে দিয়েছেন।
সাধারণত মুখ্য কর্ম বস্তুবাচক ও গৌণ কর্ম প্রাণিবাচক হয়ে থাকে। এছাড়াও সাধারণত কর্মকারকের গৌণ কর্মে বিভক্তি যুক্ত হয়, মুখ্য কর্মে হয় না।
জব সলুশন