অর্থ অনুসারে 'হরিণ' কোন ধরণের শব্দ ?
-রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ: প্রত্যয় বা উপসর্গ যোগে গঠিত যে সব শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ আলাদা হয়, তাদেরকে রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ বলে।
-যেমনঃ হরিণ - হরণ করেছে কিন্তু বলতে আমরা হরিণ প্রাণীকেই বুঝি।
-আরো কয়েকটি রূঢ়ি শব্দ—হরিণ, হস্তী, বাঁশি, তৈল, প্রবীণ, সন্দেশ, পাঞ্জাবি।
Related Questions
উপাসক অর্থে: শিব + ষ্ণ = শৈব।
সম্পর্ক বােঝাতে: দেব + ষ্ণ = দৈব, চিত্র + ষ্ণ = চৈত্র।
কিন্তু বিশেষ নিয়মে: সূর্য + ষ্ণ (অ) = সৌর।
'পাহাড়ের ঢাল বেয়ে জল নামছে' - বাক্যে 'জল' কর্ম কারকে শূন্য বিভক্তি।
যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে কর্মকারক বলে।
কর্ম দুই প্রকার: মুখ্য কর্ম ও গৌণ কর্ম। যেমন: বাবা আমাকে (গৌণ কর্ম) একটি কলম (মুখ্য কর্ম) কিনে দিয়েছেন।
সাধারণত মুখ্য কর্ম বস্তুবাচক ও গৌণ কর্ম প্রাণিবাচক হয়ে থাকে। এছাড়াও সাধারণত কর্মকারকের গৌণ কর্মে বিভক্তি যুক্ত হয়, মুখ্য কর্মে হয় না।
মহকুমা, মুলেফ, মোক্তার, রায়, আদালত, এজলাস এগুলো আরবি শব্দ ।
যে বর্ণগুলো উচ্চারণ করতে ফুসফুস থেকে অপেক্ষাকৃত অধিক বাতাস প্রবাহিত হয় এবং উচ্চারণ নিনাদিত হয় তাদের ঘোষ বর্ণ বলে।
দীপ্ + শানচ্
শানচ - প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দ দীপ্যমান।
জব সলুশন