বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা কবি কে?

ক) সারদা দেবী
খ) চন্দ্রাবতী
গ) স্বর্ণকুমারী দেবী
ঘ) সুফিয়া কামাল
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা কবি হলেন চন্দ্রাবতী। আর আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা ঔপন্যাসিক স্বর্ণকুমারী দেবী।

Related Questions

ক) কথ্য ভাষায়
খ) আঞ্চলিক ভাষায়
গ) সাধু ভাষায়
ঘ) চলিত ভাষায়
Note :

⇒ সাধুভাষা ব্যাকরণের নিয়ম অনুসরণ করে চলে এবং এর পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুবির্দিষ্ট , তাই এ ভাষায় সাহিত্যের গাম্ভীর্য প্রকাশ পায়।

   সাধু ভাষার বৈশিষ্ট্য:

১: সাধু ভাষায় সমাপিকা ও অসমাপিকা, এই দুই প্রকার ক্রিয়াপদের‌ই পূর্ণ রূপ ব্যবহৃত হয়। এ ছাড়া অনেকগুলি সর্বনাম পদের‌ও পূর্ণ রূপ ব্যবহৃত হয়। যেমন: আসিতেছে, করিয়াছিলাম, দেখিয়াছি, বলিয়া থাকিব, শুনিতাম, ইহা,      উহা, তাহারা, যাহার ইত্যাদি।

২: সাধু ভাষায় তৎসম শব্দের আধিক্য দেখা যায়। যেমন: গৃহ, ভবন, গগন, বাটী, তৃণ, ঘৃত, মৃগয়া, বৎস, হস্ত, পদ, বৃক্ষ, কুজ্ঝটিকা, মৃত্তিকা ইত্যাদি।

৩: সাধু ভাষায় অনুসর্গগুলির পূর্ণ রূপ দেখা যায় এবং কিছু তৎসম অনুসর্গ ব্যবহৃত হয়। যেমন: হ‌ইতে, চাহিয়া, থাকিয়া, কর্তৃক ইত্যাদি।

৪: সাধু ভাষা অনেকটা সংস্কৃত ভাষার অনুসরণে গঠিত হ‌ওয়ার কারণে এই ভাষার ধ্বনিঝংকার অপেক্ষাকৃত বেশি। 

৫: সন্ধিবদ্ধ ও সমাসবদ্ধ শব্দের ব্যবহার সাধু ভাষায় তুলনামূলক ভাবে বেশি দেখা যায়।

৬: সাধু ভাষায় সংস্কৃত সংখ্যাবাচক শব্দের কিছু কিছু ব্যবহার দেখা যায়। যেমন: দ্বাদশ, চতুর্দশ, পঞ্চদশ ইত্যাদি।

৭: সাধু ভাষা মানুষের মুখে প্রচলিত ভাষার উপর নির্ভর করে গঠিত হয়নি, তাই এই ভাষা অপেক্ষাকৃত দুর্বোধ্য।

ক) দূষণীয়
খ) দোষণীয়
গ) দূষণিয়া
ঘ) দোষণিয়
Note :

শুদ্ধ বানান টি হল দূষণীয়

ক) অহংকার
খ) অহঙ্কার
গ) অহঞ্ঝার
ঘ) ক ও খ দুটিই
Note :

ক ও খ দুটিই উভয় বানানই শুদ্ধ  |অহংকার: আধুনিক বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী, পদের মধ্যে ও-কারান্ত বা ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত না থাকলে 'ঙ' এর স্থানে অনুস্বার (ং) ব্যবহার করা শ্রেয়। তাই আধুনিক বানানে অহংকার বেশি \  অহঙ্কার: এটি প্রাচীন বা সংস্কৃত (তৎসম) সন্ধির নিয়ম মেনে তৈরি রূপ (অহম্ + কার = অহঙ্কার)। এটিও সম্পূর্ণ সঠিক এবং অভিধানসিদ্ধ।

ক) অব্যয়ীভাব
খ) রূপক
গ) উপমিত
ঘ) উপমান
Note :

সাধারণ গুণের উল্লেখ না করে উপমেয় পদের সাথে উপমান পদের যে সমাস হয়, তাকে উপমিত কর্মধারয় সমাস বলে। যেমন - চাঁদ মুখ = মুখ চাঁদের ন্যায়, পুরুষসিংহ = পুরুষ সিংহের ন্যায় ইত্যাদি।

ক) নয় ধর্ম
খ) ধর্ম নেই যার
গ) ধর্মহীন যে
ঘ) ধর্মের অভাব
Note :

'অধর্ম' শব্দের সমস্যমান পদ - নয় ধর্ম ।

যে কয়টি পদ মিলে সমাস হয় তাদের প্রত্যেকটিকে সমস্যমান পদ বলে। 'অধর্ম' সমস্তপদের ব্যাসবাক্য = নয় ধর্ম । এক্ষেত্রে 'নয়' এবং 'ধর্ম' সমস্যমান পদ এবং অধর্ম নঞ তৎপুরুষ সমাস। পূর্বপদে নঞর্থক বা নিষেধার্থক অব্যয় ব্যবহৃত হয়ে যে তৎপুরুষ সমাস হয় তা নঞ তৎপুরুষ সমাস। নঞর্থক অব্যয়গুলো হলো ন, না, নি, নয়, নেই, অ, আ, অন, অনা, গর, বি, বে ইত্যাদি।

ক) অলুক সমাস
খ) রূপক সমাস
গ) নিত্য সমাস
ঘ) প্রাদি সমাস
Note :

পূর্বপদের বিভক্তির লোপে যে সমাস হয় এবং যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধানভাবে বোঝায় তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে ।যেমন - মধু দিয়ে মাখা = মধুমাখা , শ্রম দ্বারা লব্ধ = শ্রমলব্ধ।

জব সলুশন

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর-উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা (16-10-2026)

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়-উপ-সহকারী প্রকৌশলী 15-10-2026

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়- ব্যক্তিগত কর্মকর্তা 14-10-2026

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর-উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা (স্থগিত) 10-10-2026

সামরিক ভূমি ও ক্যান্টনমেন্ট অধিদপ্তর-জুনিয়র শিক্ষক 03-10-2026

ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর- যাচ মোহরার 02-10-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন