কোন বানানটি শুদ্ধ?
ক ও খ দুটিই উভয় বানানই শুদ্ধ |অহংকার: আধুনিক বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী, পদের মধ্যে ও-কারান্ত বা ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত না থাকলে 'ঙ' এর স্থানে অনুস্বার (ং) ব্যবহার করা শ্রেয়। তাই আধুনিক বানানে অহংকার বেশি \ অহঙ্কার: এটি প্রাচীন বা সংস্কৃত (তৎসম) সন্ধির নিয়ম মেনে তৈরি রূপ (অহম্ + কার = অহঙ্কার)। এটিও সম্পূর্ণ সঠিক এবং অভিধানসিদ্ধ।
Related Questions
সাধারণ গুণের উল্লেখ না করে উপমেয় পদের সাথে উপমান পদের যে সমাস হয়, তাকে উপমিত কর্মধারয় সমাস বলে। যেমন - চাঁদ মুখ = মুখ চাঁদের ন্যায়, পুরুষসিংহ = পুরুষ সিংহের ন্যায় ইত্যাদি।
'অধর্ম' শব্দের সমস্যমান পদ - নয় ধর্ম ।
যে কয়টি পদ মিলে সমাস হয় তাদের প্রত্যেকটিকে সমস্যমান পদ বলে। 'অধর্ম' সমস্তপদের ব্যাসবাক্য = নয় ধর্ম । এক্ষেত্রে 'নয়' এবং 'ধর্ম' সমস্যমান পদ এবং অধর্ম নঞ তৎপুরুষ সমাস। পূর্বপদে নঞর্থক বা নিষেধার্থক অব্যয় ব্যবহৃত হয়ে যে তৎপুরুষ সমাস হয় তা নঞ তৎপুরুষ সমাস। নঞর্থক অব্যয়গুলো হলো ন, না, নি, নয়, নেই, অ, আ, অন, অনা, গর, বি, বে ইত্যাদি।
পূর্বপদের বিভক্তির লোপে যে সমাস হয় এবং যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধানভাবে বোঝায় তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে ।যেমন - মধু দিয়ে মাখা = মধুমাখা , শ্রম দ্বারা লব্ধ = শ্রমলব্ধ।
ঘোড়া শব্দের প্রতিশব্দ :অশ্ব, ঘোটক, তুরঙ্গ, তুরঙ্গম, তুরগ, বাজী
অহিনকুল সম্বন্ধ এবং আদায় কাঁচকলায় – যুগল সর্বাধিক সমার্থক বাচক। কারণ উভয় বাগধারাই বিরোধ বা শত্রুতা বোঝায়।
'কুল কাঠের আগুন' - এর প্রকৃত অর্থ - তীব্র জ্বালা।
কাঠের পুতুল এর অর্থ - নির্জীব, অসার।
অল্পবিদ্যা ভয়ঙ্করী এর অর্থ - সামান্য বিদ্যার অহঙ্কার।
জব সলুশন