আকাশ নীল দেখায় কেন?
সূর্যের আলো সাতটি রঙের সমষ্টি। বায়ুমণ্ডলের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় যে আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত কম, তার বিক্ষেপণ বা ছড়িয়ে পড়ার হার তত বেশি। নীল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য ছোট হওয়ায় এটি বাতাসের কণা দ্বারা অন্যান্য রঙের চেয়ে চারগুণ বেশি ছড়িয়ে পড়ে। তাই পুরো আকাশে নীল আলোর বিচ্ছুরণ ঘটে এবং আকাশ নীল দেখায়।
Related Questions
গ্রীন হাউজ ইফেক্ট হলো এমন একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে থাকা কিছু গ্যাস (যেমন- কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন, জলীয় বাষ্প) সূর্যের তাপ আটকে রাখে। এটি ভূপৃষ্ঠকে উষ্ণ রাখে, তবে বর্তমানে দূষণের কারণে এই গ্যাসগুলোর মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় অতিরিক্ত তাপ আটকা পড়ে পৃথিবীর সার্বিক তাপমাত্রা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
হিমোগ্লোবিন একটি অক্সিজেনবাহী লৌহসমৃদ্ধ মেটালোপ্রোটিন যা মেরুদণ্ডী প্রাণিদের লোহিত কণিকা এবং কিছু অমেরুদণ্ডী প্রাণির কলায় পাওয়া যায়।
- স্তন্যপায়ী প্রাণিদের ক্ষেত্রে লোহিত কণিকার শুষ্ক ওজনের ৯৬-৯৭%ই হয় হিমোগ্লোবিনের প্রোটিন অংশ, এবং পানিসহ মোট ওজনের তা ৩৫%।
- হিমোগ্লোবিন ফুসফুস হতে অক্সিজেন দেহের বাকি অংশে নিয়ে যায় এবং কোষীয় ব্যবহারের জন্য অবমুক্ত করে।
- এটি অন্যান্য গ্যাস পরিবহনেও অবদান রাখে, যেমন এটি কোষকলা হতে CO2 পরিবহন করে ফুসফুসে নিয়ে যায়।
- প্রতি গ্রাম হিমোগ্লোবিন ১.৩৬ হতে ১.৩৭ মিলিলিটার অক্সিজেন ধারণ করতে পারে, যা রক্তের অক্সিজেন পরিবহন ক্ষমতা ৭০গুণ বাড়িয়ে দেয়।
কবি জসীমউদদীনের রচনায় কবর কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয় কল্লোল পত্রিকায় ।
- কবিতাটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত। কবিতাটিতে ১১৮টি পংক্তি আছে।
- ১৯২৩ সালে প্রথম কলকাতা থেকে মাসিক 'কল্লোল' পত্রিকা প্রকাশিত হয়।
- এ পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন দীনেশরঞ্জন দাশ।
- রবীন্দ্র-রোম্যান্টিক বিরুদ্ধধারা হিসেবে আধুনিক সাহিত্যের সূচনার ক্ষেত্রে এ পত্রিকার ভূমিকা অনস্বীকার্য।
'কল্লোল' পত্রিকায় নিয়মিত লিখতেনঃ
- অচিন্ত্যকমার সেনগুপ্ত,
- প্রেমেন্দ্র মিত্র,
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ,
- শৈলজানন্দ মুখােপাধ্যায়,
- বুদ্ধদেব বসু।
বাংলা সাহিত্যে 'সনেট' রচনার প্রবর্তক মাইকেল মধুসূদন দত্ত । সনেটের আদি নিবাস ইতালি । পেত্রার্ক হলেন সনেটের জনক । চৌদ্দ পঙক্তির চৌদ্দ অক্ষর বা মাত্রায় রচিত কবিতাকে সনেট বলে ।
‘মনীষা মঞ্জুষা’ বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও গবেষক মুহম্মদ এনামুল হক (১৯০৬-১৯৮২ খ্রি) রচিত এক সংকলন গ্রন্থ।
- দু খণ্ডের এ গ্রন্থের প্রথম খণ্ড ১৯৭৫ সালে এবং দ্বিতীয় খণ্ড ১৯৭৬ সালে প্রকাশিত হয়।
- ‘আধুনিক ভাষাতত্ত্ব’ গবেষণা গ্রন্থটি রচনা করেন আবুল কালাম মনজুর মোরশেদ।
- ‘বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভাষার অভিধান’ গ্রন্থটি সম্পাদনা করেন ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ।
- উল্লেখ্য ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ রচিত আরেকটি ভাষাতত্ত্ব হলো ‘বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত’।
ঔপন্যাসিক শামসুদ্দীন আবুল কালাম রচিত অন্যতম উপন্যাস 'কাশবনের কন্যা' । এটি জেলে সম্প্রদায়ের জীবনভিত্তিক উপন্যাস। ১৯৫৪ সালে প্রকাশিত (গ্রন্থাকারে) উপন্যাসটিতে বরিশাল অঞ্চলের মুখের ভাষা ও জীবনবোধ অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
জব সলুশন