রক্তে হিমোগ্লোবিনের কাজ –
হিমোগ্লোবিন একটি অক্সিজেনবাহী লৌহসমৃদ্ধ মেটালোপ্রোটিন যা মেরুদণ্ডী প্রাণিদের লোহিত কণিকা এবং কিছু অমেরুদণ্ডী প্রাণির কলায় পাওয়া যায়।
- স্তন্যপায়ী প্রাণিদের ক্ষেত্রে লোহিত কণিকার শুষ্ক ওজনের ৯৬-৯৭%ই হয় হিমোগ্লোবিনের প্রোটিন অংশ, এবং পানিসহ মোট ওজনের তা ৩৫%।
- হিমোগ্লোবিন ফুসফুস হতে অক্সিজেন দেহের বাকি অংশে নিয়ে যায় এবং কোষীয় ব্যবহারের জন্য অবমুক্ত করে।
- এটি অন্যান্য গ্যাস পরিবহনেও অবদান রাখে, যেমন এটি কোষকলা হতে CO2 পরিবহন করে ফুসফুসে নিয়ে যায়।
- প্রতি গ্রাম হিমোগ্লোবিন ১.৩৬ হতে ১.৩৭ মিলিলিটার অক্সিজেন ধারণ করতে পারে, যা রক্তের অক্সিজেন পরিবহন ক্ষমতা ৭০গুণ বাড়িয়ে দেয়।
Related Questions
কবি জসীমউদদীনের রচনায় কবর কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয় কল্লোল পত্রিকায় ।
- কবিতাটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত। কবিতাটিতে ১১৮টি পংক্তি আছে।
- ১৯২৩ সালে প্রথম কলকাতা থেকে মাসিক 'কল্লোল' পত্রিকা প্রকাশিত হয়।
- এ পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন দীনেশরঞ্জন দাশ।
- রবীন্দ্র-রোম্যান্টিক বিরুদ্ধধারা হিসেবে আধুনিক সাহিত্যের সূচনার ক্ষেত্রে এ পত্রিকার ভূমিকা অনস্বীকার্য।
'কল্লোল' পত্রিকায় নিয়মিত লিখতেনঃ
- অচিন্ত্যকমার সেনগুপ্ত,
- প্রেমেন্দ্র মিত্র,
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ,
- শৈলজানন্দ মুখােপাধ্যায়,
- বুদ্ধদেব বসু।
বাংলা সাহিত্যে 'সনেট' রচনার প্রবর্তক মাইকেল মধুসূদন দত্ত । সনেটের আদি নিবাস ইতালি । পেত্রার্ক হলেন সনেটের জনক । চৌদ্দ পঙক্তির চৌদ্দ অক্ষর বা মাত্রায় রচিত কবিতাকে সনেট বলে ।
‘মনীষা মঞ্জুষা’ বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও গবেষক মুহম্মদ এনামুল হক (১৯০৬-১৯৮২ খ্রি) রচিত এক সংকলন গ্রন্থ।
- দু খণ্ডের এ গ্রন্থের প্রথম খণ্ড ১৯৭৫ সালে এবং দ্বিতীয় খণ্ড ১৯৭৬ সালে প্রকাশিত হয়।
- ‘আধুনিক ভাষাতত্ত্ব’ গবেষণা গ্রন্থটি রচনা করেন আবুল কালাম মনজুর মোরশেদ।
- ‘বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভাষার অভিধান’ গ্রন্থটি সম্পাদনা করেন ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ।
- উল্লেখ্য ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ রচিত আরেকটি ভাষাতত্ত্ব হলো ‘বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত’।
ঔপন্যাসিক শামসুদ্দীন আবুল কালাম রচিত অন্যতম উপন্যাস 'কাশবনের কন্যা' । এটি জেলে সম্প্রদায়ের জীবনভিত্তিক উপন্যাস। ১৯৫৪ সালে প্রকাশিত (গ্রন্থাকারে) উপন্যাসটিতে বরিশাল অঞ্চলের মুখের ভাষা ও জীবনবোধ অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
উত্তম পুরুষ' বিখ্যাত উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক রশীদ করীম। ১৯৬১ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসটির জন্য তিনি আদমজী পুরস্কার লাভ করেন।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'সমাপ্তি' ছোটগল্পের নায়িকা 'মৃন্ময়ী' এবং নায়ক' অপূর্বকৃষ্ণ ' । অন্যদিকে তার 'দেনাপাওনা' ছোটগল্পের নায়িকা 'নিরু' পোস্টমাস্টার' গল্পের বালিকা চরিত্র 'রতন' এবং 'মধ্যবর্তিনী ' গল্পের নায়িকা 'হরসুন্দরী' ও 'শৈলবালা' এবং নায়ক 'নিবারণ'।
জব সলুশন