প্রথম কোন শিশু ‘ইভ’ এর জন্ম-তারিখ কী?
২০০২ সালের ২৬ ডিসেম্বর ড. ব্রিজিত বোইসেলিয়ার পৃথিবীর প্রথম ক্লোন মানব শিশু ‘ইভ’-এর জন্ম ঘটান।
- ৭ পাউন্ড ওজনের এই কন্যাশিশুটি সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে পৃথিবীতে ভূমিষ্ঠ হয়।
Related Questions
মধ্য আমেরিকার হ্রদ ও আগ্নেয়গিরির দেশ নিকারাগুয়ার বিদ্রোহী গ্রুপ কন্ট্রা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনপুষ্ট।
- ১৯৯০ সালে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ এ অঞ্চলে শান্তি আনয়নে গঠন করে মধ্য আমেরিকায় জাতিসংঘ পর্যবেক্ষক দল (ONUCA) এবং পর্যবেক্ষক দলটি কন্ট্রা বিদ্রোহীদের স্বেচ্ছা তদারক করে।
- ফলশ্রুতিতে হন্ডুরাস ও নিকারাগুয়ায় প্রায় ২২ হাজার কন্ট্রা বিদ্রোহী জাতিসংঘ পর্যবেক্ষকদের কাছে অস্ত্র সমর্পণ করে।
বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা হলো মেসোপটেমিয়া সভ্যতা। এটি বর্তমান ইরাকের টাইগ্রিস (দজলা) ও ইউফ্রেটিস (ফোরাত) নদীর মধ্যবর্তী উর্বর অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল। খ্রিষ্টপূর্ব ৩৫০০ থেকে ৫০০০ অব্দের মধ্যে সুমেরীয়দের হাত ধরে এই সভ্যতার সূচনা হয়, যা মানব ইতিহাসের প্রথম সংগঠিত নগর ও রাষ্ট্র ব্যবস্থার ভিত্তি স্থাপন করে।
'হ্যারিপটার' হলো সর্বাধিক বিক্রীত ও আলোচিত একটি শিশুতোষ সিরিজ বই। এর লেখিকা ইংল্যান্ডের জোয়ান ক্যাথরিন রলিংস। ১২/১৩ বছরের বালক হ্যারিপটার একটি জাদুকর পরিবারের ছেলে। গোল ফ্রেমের চশমার অ্যাডভেঞ্চারপ্রেমী কৌতূহলী বড় বড় চোখের এই ছেলে এবং 'উইজার্ড' স্কুলের নানারকম রহস্য ঘেরা চরিত্রগুলো হ্যারিপটারের অন্যতম আকর্ষণ।
বিখ্যাত ল্যান্ডমার্ক টাওয়ার "টোকিও টাওয়ার" জাপানের রাজধানী টোকিওতে অবস্থিত।
- এটি মিনাটো ওয়ার্ডের শিনবাসিতে অবস্থিত।
- ল্যান্ডমার্ক টাওয়ার 333 মিটার (1,093 ফুট) উঁচু।
- এটি জাপানের দ্বিতীয় উচ্চতম কাঠামো। টাওয়ারটি টোকিও বে এবং শহরের দৃশ্য দেখার জন্য একটি জনপ্রিয় স্থান।
নেদারল্যান্ডসের হেগে স্থায়ী সালিশী আদালত (পার্মানেন্ট কোর্ট অব আর্বিট্রেশন-পিসিএ) অবস্থিত। হেগ’র ঐতিহ্যবাহী ‘পিস প্যালেস’ এ অবস্থিত ১১৭ সদস্যবিশিষ্ট একটি আন্তঃরাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান স্থায়ী সালিশী আদালত। ১৮৯৯ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিভিন্ন রাষ্ট্রের মধ্যে বিবদমান বিষয়সমূহের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং সালিশ পরিচালনা করে আসছে প্রতিষ্ঠানটি। ২০১৪ সালে এই আদালত থেকে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত বিরোধের নিষ্পত্তি হয়।
জেনেভা কনভেনশন চারটি চুক্তি ও তিনটি বাড়তি প্রটোকল নিয়ে গঠিত, যা যুদ্ধে মানবিক আচরণ নিশ্চিত করার জন্য প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- জেনেভা কনভেনশন ১৯৪৯ সালের একটি সন্ধিপত্রকে নির্দেশ করে, যেটি সম্পাদিত হয়েছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী প্রতিক্রিয়া ও এর ফলাফল হিসেবে।
- মূলত ১৮৬৪, ১৯০৬, ১৯২৯ ও ১৯৪৯ সালের কনভেনশনগুলোর সমষ্টিকেই বলা হয় "১৯৪৯ এর জেনেভা কনভেনশনসমূহ" বা সাধারণভাবে "জেনেভা কনভেনশন"।
- যুদ্ধ ও সশস্ত্র সংঘর্ষ সংক্রান্ত আইন প্রণয়ন বিষয়ে ১৯৪৯ সনের জেনেভা কনভেনশনসমূহ 'চারটি রেডক্রস কনভেনশন' নামে অভিহিত।
জব সলুশন