স্থায়ী সালিসি আদালত কোথায় অবস্থিত?
নেদারল্যান্ডসের হেগে স্থায়ী সালিশী আদালত (পার্মানেন্ট কোর্ট অব আর্বিট্রেশন-পিসিএ) অবস্থিত। হেগ’র ঐতিহ্যবাহী ‘পিস প্যালেস’ এ অবস্থিত ১১৭ সদস্যবিশিষ্ট একটি আন্তঃরাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান স্থায়ী সালিশী আদালত। ১৮৯৯ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিভিন্ন রাষ্ট্রের মধ্যে বিবদমান বিষয়সমূহের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং সালিশ পরিচালনা করে আসছে প্রতিষ্ঠানটি। ২০১৪ সালে এই আদালত থেকে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত বিরোধের নিষ্পত্তি হয়।
Related Questions
জেনেভা কনভেনশন চারটি চুক্তি ও তিনটি বাড়তি প্রটোকল নিয়ে গঠিত, যা যুদ্ধে মানবিক আচরণ নিশ্চিত করার জন্য প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- জেনেভা কনভেনশন ১৯৪৯ সালের একটি সন্ধিপত্রকে নির্দেশ করে, যেটি সম্পাদিত হয়েছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী প্রতিক্রিয়া ও এর ফলাফল হিসেবে।
- মূলত ১৮৬৪, ১৯০৬, ১৯২৯ ও ১৯৪৯ সালের কনভেনশনগুলোর সমষ্টিকেই বলা হয় "১৯৪৯ এর জেনেভা কনভেনশনসমূহ" বা সাধারণভাবে "জেনেভা কনভেনশন"।
- যুদ্ধ ও সশস্ত্র সংঘর্ষ সংক্রান্ত আইন প্রণয়ন বিষয়ে ১৯৪৯ সনের জেনেভা কনভেনশনসমূহ 'চারটি রেডক্রস কনভেনশন' নামে অভিহিত।
যশোরের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান নিয়ামক বেনাপোল স্থলবন্দর যা শার্শা উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম বেনাপোলে অবস্থিত। ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্যের সিংহভাগ এর মাধ্যমে সংঘটিত হয়। সরকারি আমদানী শুল্ক আহরণে বেনাপোল স্থল বন্দরটির ভূমিকা তাৎপর্যপূর্ণ। এখানকার মানুষের জীবিকার অন্যতম সূত্র বেনাপোল স্থল বন্দরের কাস্টমস্ ক্লিয়ারিং এজেন্টের কাজ।বেনাপোল মূলত বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তবর্তী একটি গ্রাম যেখানে একটি সীমান্ত তল্লাশী ঘাঁটি ও আন্তর্জাতিক স্থল বন্দর অবস্থিত। এই স্থল বন্দরের শুল্ক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য রয়েছে বেনাপোল কাস্টমস হাউজ। স্থল বন্দরের কার্যক্রম পরিচালনা করে বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ। বেনাপোল রেলস্টেশানের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ-ভারত রেল চলাচল অনুষ্ঠিত হয়।
বেনাপোলের বিপরীতে ভারতের দিকের অংশটি পেট্রাপোল নামে পরিচিত। এটি পশ্চিম বাংলার বনগাও মহুকুমার অন্তর্ভুক্ত।
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার স্থল বাণিজ্যের প্রধান কেন্দ্র হিসাবে বেনাপোল স্থল বন্দর ব্যবহৃত হয়। বেনাপোল হতে কলকাতা মাত্র ৮০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। মোট স্থলবাণিজ্যের ৯০% এই বেনাপোলের মাধ্যমে সংঘটিত হয়।
বাংলাদেশের সর্বপ্রথম জাদুঘর বরেন্দ্র জাদুঘর। এটি এপ্রিল ১৯১০ সালে রাজশাহীতে প্রতিষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশের বর্তমান জাতীয় জাদুঘর ৭ আগস্ট ১৯১৩ সালে ঢাকায় শাহবাগে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠাকালীন এর নাম ছিল ঢাকা জাদুঘর যা ১৯৮৩ সালে জাতীয় জাদুঘর নামরকণ করা হয়।
১৯৭১ সালের ২৬ জুলাই মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন অবস্থায় বাংলাদেশের প্রথম ডাকটিকেট প্রকাশিত হয়।বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী ১৯৭১ সালের ২৬ জুলাই লন্ডনের হাউস অব কমনসে বিমান মল্লিকের নকশা করা আটটি ডাকটিকিট ও একটি উদ্বোধনী খাম প্রদর্শন করেন।
প্রথম আটটি ডাকটিকিটের মূল্য
১. বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান, মূল্য: ১০ পয়সা।
২. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হত্যাকান্ড, মূল্য: ২০ পয়সা।
৩. সাড়ে সাত কোটি মানুষ, মূল্য: ৫০ পয়সা।
৪. ১৯৭০ সালের নির্বাচনের ফল, মূল্য: ১ টাকা।
৫. ভোটের ব্যালট বাক্স, মূল্য: ২ টাকা।
৬. ১০ এপ্রিল ১৯৭১ এ স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার ঘোষণা, মূল্য: ৩ টাকা।
৭. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান, মূল্য: ৫ টাকা।
৮. বাংলাদেশকে সমর্থন করুন, মূল্য: ১০ টাকা।
বাংলাদেশে প্রথম মহিলা পুলিশ নিয়োগ করা হয় ১৯৭৪ সালে।
‘সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী’ কথাটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২৭ নম্বর অনুচ্ছেদে (আইনের দৃষ্টিতে সমতা) বর্ণিত আছে।
জব সলুশন