কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারের মধ্যে থাকে ---
কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার হলো এর দৃশ্যমান এবং স্পর্শযোগ্য সকল ভৌত যন্ত্রাংশ। কাজের ধরন অনুযায়ী এগুলোকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়:
ইনপুট অংশ: কিবোর্ড, মাউস, স্ক্যানার ইত্যাদি।
প্রসেসিং ও মেমরি অংশ: সিপিইউ (CPU), মাদারবোর্ড, র্যাম (RAM) ও হার্ডডিস্ক।
আউটপুট অংশ: মনিটর, প্রিন্টার ও স্পিকার।
Related Questions
সঠিক উত্তর সাদা,যে আলোটি নিজে শোষণ করে মানুষের চোখে ডিটেক্ট করে এবং সেটিকেই সেই বস্তু আলো রং ধরে নেয় । সাদা গোলাপ সবগুলো রং কে প্রতিফলিত করে কিন্তু সাদা রং শোষণ করে না এজন্য গোলাপ সাদা দেখা যায়, মানুষের চোখে । অন্যান্য প্রাণীর ক্ষেত্রে এগুলো আবার ভিন্ন রকম হয়ে থাকে ।
সাধারণ তাপমাত্রায় ৩ লিটার পানির ওজন ঠিক ৩ কিলোগ্রাম বা ৩ কেজি। পাউন্ডের হিসাবে ৩ লিটার পানির ওজন প্রায় ৬.৬১ পাউন্ড এবং গ্রামের হিসাবে ৩০০০ গ্রাম।
মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি অঞ্চলে (সেক্টরে) ভাগ করা হয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধের ১১টি সেক্টর সংক্ষেপে:
১ নম্বর সেক্টর: চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং নোয়াখালী জেলার পূর্বাঞ্চল।
২ নম্বর সেক্টর: ঢাকা, কুমিল্লা, ফরিদপুর এবং নোয়াখালী জেলার একাংশ।
৩ নম্বর সেক্টর: আখাউড়া-ভৈরব রেললাইন থেকে সিলেট জেলার একাংশ, কিশোরগঞ্জ ও ময়মনসিংহ জেলার অংশবিশেষ।
৪ নম্বর সেক্টর: সিলেট জেলার পূর্বাঞ্চল (খোয়াই-শায়েস্তাগঞ্জ রেললাইন থেকে ডাউকি সড়ক পর্যন্ত)।
৫ নম্বর সেক্টর: সিলেট জেলার পশ্চিমাঞ্চল (ডাউকি সড়ক থেকে সুনামগঞ্জ ও ময়মনসিংহ জেলার সীমানা পর্যন্ত)।
৬ নম্বর সেক্টর: রংপুর এবং দিনাজপুর অঞ্চল।
৭ নম্বর সেক্টর: রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া এবং দিনাজপুর জেলার একাংশ।
৮ নম্বর সেক্টর: কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা এবং ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ।
৯ নম্বর সেক্টর: বরিশাল, পটুয়াখালী এবং খুলনা ও ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ।
১০ নম্বর সেক্টর: কোনো নির্দিষ্ট আঞ্চলিক সীমানা ছিল না; এটি নৌ-কমান্ডোদের নিয়ে গঠিত একটি বিশেষ সেক্টর ছিল।
১১ নম্বর সেক্টর: ময়মনসিংহ এবং টাঙ্গাইল অঞ্চল
বাংলাদেশে প্রতিবছর ১৪ই ডিসেম্বর যথাযোগ্য মর্যাদায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করা হয়.
মহাস্থানগড় একসময় বাংলার রাজধানী ছিল। তখন তার নাম ছিল পুণ্ড্রনগর বা পুণ্ড্রবর্ধন।
সার্কের (SAARC) সচিবালয় নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে অবস্থিত। ১৯৮৭ সালের ১৬ জানুয়ারি এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
জব সলুশন