মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য সমগ্র বাংলাদেশকে কয়টি অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছিল?

ক) ৯টি
খ) ১৪ টি
গ) ১২টি
ঘ) ১১টি
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি অঞ্চলে (সেক্টরে) ভাগ করা হয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধের ১১টি সেক্টর সংক্ষেপে:

১ নম্বর সেক্টর: চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং নোয়াখালী জেলার পূর্বাঞ্চল।

২ নম্বর সেক্টর: ঢাকা, কুমিল্লা, ফরিদপুর এবং নোয়াখালী জেলার একাংশ।

৩ নম্বর সেক্টর: আখাউড়া-ভৈরব রেললাইন থেকে সিলেট জেলার একাংশ, কিশোরগঞ্জময়মনসিংহ জেলার অংশবিশেষ।

৪ নম্বর সেক্টর: সিলেট জেলার পূর্বাঞ্চল (খোয়াই-শায়েস্তাগঞ্জ রেললাইন থেকে ডাউকি সড়ক পর্যন্ত)।

৫ নম্বর সেক্টর: সিলেট জেলার পশ্চিমাঞ্চল (ডাউকি সড়ক থেকে সুনামগঞ্জময়মনসিংহ জেলার সীমানা পর্যন্ত)।

৬ নম্বর সেক্টর: রংপুর এবং দিনাজপুর অঞ্চল।

৭ নম্বর সেক্টর: রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া এবং দিনাজপুর জেলার একাংশ।

৮ নম্বর সেক্টর: কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা এবং ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ।

৯ নম্বর সেক্টর: বরিশাল, পটুয়াখালী এবং খুলনাফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ।

১০ নম্বর সেক্টর: কোনো নির্দিষ্ট আঞ্চলিক সীমানা ছিল না; এটি নৌ-কমান্ডোদের নিয়ে গঠিত একটি বিশেষ সেক্টর ছিল।

১১ নম্বর সেক্টর: ময়মনসিংহ এবং টাঙ্গাইল অঞ্চল

Related Questions

ক) ২৬ মার্চ
খ) ১৬ ডিসেম্বর
গ) ১৪ ডিসেম্বর
ঘ) ২৪ এপ্রিল
Note :

বাংলাদেশে প্রতিবছর ১৪ই ডিসেম্বর যথাযোগ্য মর্যাদায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করা হয়.

ক) পুণ্ড্র নগর
খ) রামাবতী
গ) কর্ণ সুবর্ণ
ঘ) মহাস্থান
Note :

মহাস্থানগড় একসময় বাংলার রাজধানী ছিল। তখন তার নাম ছিল পুণ্ড্রনগর বা পুণ্ড্রবর্ধন। 

ক) দিল্লি
খ) কাঠমান্ডু
গ) ঢাকা
ঘ) কলম্বো
Note :

সার্কের (SAARC) সচিবালয় নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে অবস্থিত। ১৯৮৭ সালের ১৬ জানুয়ারি এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।

ক) ৭
খ) ৮
গ) ১০
ঘ) ১২
Note :

৭ জন বীরশ্রেষ্ঠ হলেন:

মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর (ক্যাপ্টেন)

হামিদুর রহমান (সিপাহী)

মোস্তফা কামাল (সিপাহী)

মোহাম্মদ রুহুল আমিন (ইঞ্জিন রুম আর্টিফিসিয়ার)

মতিউর রহমান (ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট)

মুন্সী আব্দুর রউফ (ল্যান্স নায়েক)

নূর মোহাম্মদ শেখ (ল্যান্স নায়েক) 

 

এছাড়া স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বের জন্য অন্যান্য খেতাবপ্রাপ্তদের সংখ্যা নিম্নরূপ:

বীর উত্তম: ৬৮ জন

বীর বিক্রম: ১৭৫ জন

বীর প্রতীক: ৪২৬ জন 

 

ক) বলেশ্বর
খ) হাড়িয়াভাঙ্গা
গ) ভৈরব
ঘ) রূপসা
Note :

দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনায় অবস্থিত। এটি বঙ্গোপসাগরের উপকূলীয় অঞ্চলে হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনার কাছে ছিল, যা ভারতের নিকট পূর্বাশা বা নিউমুর নামে পরিচিত ছিল। ২০১০ সালের দিকে দ্বীপটি পুরোপুরি সমুদ্রগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। 

ক) টেকের হাটে
খ) রাণীগঞ্জে
গ) বিয়ানীবাজারে
ঘ) বিজয়পুরে
Note :

বাংলাদেশের নেত্রকোণা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার বিজয়পুরে সবচেয়ে বড় চীনামাটির (সাদামাটি বা কেওলিন) খনি ও সন্ধান পাওয়া গেছে। ১৯৫৭ সালে পাকিস্তান ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর প্রথম এই সন্ধান পায়।

জব সলুশন

বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন- পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়- সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ১৪-০৭-২০২৬

সমন্বিত ব্যাংক — অফিসার (ক্যাশ) 03-07-2026

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর — অফিস সহায়ক ২৭-০৬-২০২৬

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড — সেকশন ইঞ্জিনিয়ার 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — কারিগরি কর্মকর্তা 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — প্রমোশন অফিসার 19-06-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন