নিচের কোনটি নিত্য সমাস?

ক) পঞ্চনদ
খ) বেয়াদব
গ) দেশান্তর
ঘ) ভালমন্দ
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

- যে সমাসে সমস্যমান পদ দ্বারা সমাস-বাক্য হয় না, অন্য পদের দ্বারা সমস্ত পদের অর্থ প্রকাশ করতে হয়, তাকে নিত্য সমাস বলে। তদর্থবাচক ব্যাখ্যামূলক শব্দ বা বাক্যাংশ যোগে এগুলোর অর্থ বিশদ করতে হয়।
যেমন:
অন্য দেশে = দেশান্তর
- কেবল তা = তন্মাত্র,
- অন্য গ্রাম = গ্রামান্তর,
- কেবল দর্শন = দর্শনমাত্র,
- অন্য গৃহ = গৃহান্তর,
- (বিষাক্ত) কাল (যম) তুল্য (কাল বর্ণের নয়) সাপ = কালসাপ,
- তুমি আমি ও সে = আমরা,
- দুই এবং নব্বই = বিরানব্বই।

Related Questions

ক) কর্তৃ কারকে শূন্য বিভক্তি
খ) কর্ম কারকে শূন্য বিভক্তি
গ) করণ কারকে শূন্য বিভক্তি
ঘ) কোনোটিই নয়
Note :

যাকে অবলম্বন করে কর্তা ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাকে ক্রিয়ার কর্ম বা কর্মকারক বলে। ডাক্তার ডাক (কাকে ডাক?): কর্মকারকে শূণ্য বিভক্তি।

ক) কর্ম কারক
খ) অপাদান কারক
গ) সম্প্রদান কারক
ঘ) অধিকরণ কারক
Note :

ক্রিয়া সম্পাদনের কাল (সময়) এবং আধারকে (স্থান) অধিকরণ কারক বলে। ক্রিয়ার সাথে কোথায় / কখন / কিসে যোগ করে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাই অধিকরণ কারক।

যেমন:পুকুরে মাছ আছে। এখানে যদি প্রশ্ন করা হয়, কোথায় মাছ আছে? তাহলে উত্তর পাই- পুকুরে। সুতরাং, পুকুর অধিকরণ কারক এবং এর সাথে ৭মী বিভক্তি (পুকুর+এ) যুক্ত হওয়ায় এটি অধিকরণ কারকে ৭মী বিভক্তি।

ক) লেখার সুবিধা
খ) উচ্চারণের সুবিধা
গ) পড়ার সুবিধা
ঘ) শুনার সুবিধা
Note :

সন্ধি এর অর্থ মিলন। সন্নিহিত দুটি ধ্বনি মিলিয়ে একটি ধ্বনিতে পরিণত হওয়াকে বা পরস্পর সন্নিহিত দুই বর্ণের মিলনকে সন্ধি বলে। সন্ধি বাংলা ব্যাকরণের ধ্বনিতত্ব অংশে আলোচিত হয়। ধ্বনিগত মাধুর্য এবং স্বাভাবিক উচ্চারণে সহজপ্রবণতা সন্ধির উদ্দেশ্য।

ক) চলৎ + চিত্র
খ) চল + চিত্র
গ) চলচ + চিত্র
ঘ) চলিচ + চিত্র
Note :

'চলচ্চিত্র' শব্দের সন্ধি - বিচ্ছেদ চলৎ + চিত্র।

স্বরে আর ব্যঞ্জনে অথবা ব্যঞ্জনে‬ ও ব্যঞ্জনে অথবা ব্যঞ্জনে ও স্বরে যে সন্ধি হয় তাকে ব্যঞ্জন সন্ধি বলে। ব্যঞ্জনসন্ধি মূলত কথ্য রীতিতে সীমাবদ্ধ। প্রকৃত বাংলা ব্যঞ্জন সন্ধি মূলত সমীভবন এর নিয়মে হয়ে থাকে। ব্যঞ্জন সন্ধিকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।

যেমন, বিপজ্জনক = বিপদ + জনক, চলচ্চিত্র = চলৎ + চিত্র।

ক) ২ প্রকার
খ) ৩ প্রকার
গ) ৪ প্রকার
ঘ) ৫ প্রকার
Note :

অনুবাদ কাজকে দুই ভাগে ভাগকরা যায়। যেমন-

১. আক্ষরিক অনুবাদ: মূল ভাষার প্রতিটি শব্দের প্রতিশব্দ ব্যবহার করে যে অনুবাদ করা হয় তাকে আক্ষরিক অনুবাদ বলা হয়।

২. ভাবানুবাদ: মূল ভাষার ভাব ঠিক রেখে সুবিধামত নিজের ভাষায় বক্তব্য প্রকাশ করাকে ভাবানুবাদ বলা হয়।

ক) শ্রদ্ধাছলী
খ) দারিদ্রতা
গ) বৈশিষ্ট
ঘ) উপর্যুক্ত
Note :

'উপরোক্ত' শব্দটির শুদ্ধ বা প্রমিত রূপ হলো উপর্যুক্ত অথবা উপরিউক্ত

বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, খাঁটি বাংলা 'উপর' শব্দের সাথে তৎসম 'উক্ত' যুক্ত হয়ে 'উপরোক্ত' শব্দটি গঠিত হলেও আধুনিক প্রমিত বাংলা বানানে একে সাধু বা অশুদ্ধ হিসেবে গণ্য করা হয়। তাই দাপ্তরিক বা প্রমিত লেখায় সবসময় উপর্যুক্ত ব্যবহার করা উচিত l

জব সলুশন

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড — সেকশন ইঞ্জিনিয়ার 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — কারিগরি কর্মকর্তা 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — প্রমোশন অফিসার 19-06-2026

পরিবেশ অধিদপ্তর — নমুনা সংগ্রহকারী 19-06-2026

পোস্টমাস্টার জেনারেলের কার্যালয়, উত্তরাঞ্চল, রাজশাহী — পোস্টাল অপারেটর 19-06-2026

বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন-জারিকারক 13-06-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন