অনুবাদ কত প্রকার?

ক) ২ প্রকার
খ) ৩ প্রকার
গ) ৪ প্রকার
ঘ) ৫ প্রকার
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

অনুবাদ কাজকে দুই ভাগে ভাগকরা যায়। যেমন-

১. আক্ষরিক অনুবাদ: মূল ভাষার প্রতিটি শব্দের প্রতিশব্দ ব্যবহার করে যে অনুবাদ করা হয় তাকে আক্ষরিক অনুবাদ বলা হয়।

২. ভাবানুবাদ: মূল ভাষার ভাব ঠিক রেখে সুবিধামত নিজের ভাষায় বক্তব্য প্রকাশ করাকে ভাবানুবাদ বলা হয়।

Related Questions

ক) শ্রদ্ধাছলী
খ) দারিদ্রতা
গ) বৈশিষ্ট
ঘ) উপর্যুক্ত
Note :

'উপরোক্ত' শব্দটির শুদ্ধ বা প্রমিত রূপ হলো উপর্যুক্ত অথবা উপরিউক্ত

বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, খাঁটি বাংলা 'উপর' শব্দের সাথে তৎসম 'উক্ত' যুক্ত হয়ে 'উপরোক্ত' শব্দটি গঠিত হলেও আধুনিক প্রমিত বাংলা বানানে একে সাধু বা অশুদ্ধ হিসেবে গণ্য করা হয়। তাই দাপ্তরিক বা প্রমিত লেখায় সবসময় উপর্যুক্ত ব্যবহার করা উচিত l

ক) ডাকাবুকো
খ) তুলসী বনের বাঘ
গ) কাঠের পুতুল
ঘ) ঢাকের বায়া
Note :

রাহুর দশা - দুঃসময়

ঘোড়ার ডিম - অলীক বস্তু

কাঠের পুতুল - নির্বাক

যার কোন মূল্য নাই - ঢাকের বায়া

ক) `অতি আকাঙ্ক্ষিত বন্ধু
খ) অহমিকাপূর্ণ নির্গুণ ব্যক্তি
গ) অদৃষ্টের পরিহাস
ঘ) বিশেষ সম্মানিত ব্যক্তি
Note :

নদের চাঁদ' বাগধারাটির অর্থ - অহমিকাপূর্ণ নির্গুণ ব্যক্তি বা সুন্দর ব্যক্তি অথচ অপদার্থ। 
• আরও গুরুত্বপূর্ণ কিছু বাগধারাঃ 
 

» উটকো লোক – অচেনা লোক/হঠাৎ অবাঞ্ছিতভাবে এসে

 

» ঊনকোটি চোষট্টি – প্রায় সম্পূর্ণ।

» ঊনপাঁজুরে – অপদার্থ।

» ঊরুস্তম্ভ – ফোঁড়া জাতীয় রোগ

» ঊর্মিমালী – সমুদ্র

» এলেবেলে – নিকৃষ্ট।

» এক ছাঁচে ঢালা – সাদৃশ্য।

» একাদশ বৃহস্পতি – মহাসৌভাগ্য/ সৌভাগ্যের লক্ষণ।

» একা দোকা – নিঃসঙ্গ

ক) ৯টি
খ) ১০ টি
গ) ১১ টি
ঘ) ১২ টি
Note :

• নবম-দশম শ্রেণির নতুন ব্যাকরণ অনুযায়ী, যতি বা ছেদ চিহ্ন ১৫টি।
• পুরাতন নবম-দশম শ্রেণির ব্যাকরণ  অনুযায়ী, ১২টি ।
• অন্যান্য ব্যাকরণে দেয়া আছে ১১টি।

ক) হাত+ল = হাতল
খ) চল+অন্ত= চলন্ত
গ) রাধ+না = রান্না
ঘ) কোনোটিই নয়
Note :

শব্দে সঙ্গে যে সব প্রত্যয় যোগে নতুন শব্দ গঠিত হয় তাদের তদ্ধিত প্রত্যয় বলা হয়।
যেমনঃ
হাত + ল = হাতল 
ফুল + এল = ফুলেল
মুখ + র = মুখর 

ক) দ্বন্দ্ব
খ) দ্বিত
গ) তৎপুরুষ
ঘ) বহুব্রীহি
Note :

"দ্বন্দ্বসমাস" হল এমন একটি সমাস যেখানে প্রত্যেকটি সমস্যমান পদ (উল্লেখযোগ্য শব্দ) পরস্পর সমান গুরুত্ব পায় এবং তাদের অর্থের প্রাধান্য থাকে। এটি সাধারণত দুই বা ততোধিক পদের একত্রিতকরণের মাধ্যমে গঠিত হয় যাতে প্রতিটি পদ তার নিজস্ব অর্থ বজায় রাখে।

জব সলুশন

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড — সেকশন ইঞ্জিনিয়ার 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — কারিগরি কর্মকর্তা 19-06-2026

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন — প্রমোশন অফিসার 19-06-2026

পরিবেশ অধিদপ্তর — নমুনা সংগ্রহকারী 19-06-2026

পোস্টমাস্টার জেনারেলের কার্যালয়, উত্তরাঞ্চল, রাজশাহী — পোস্টাল অপারেটর 19-06-2026

বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন-জারিকারক 13-06-2026

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন