অনুবাদ কত প্রকার?
অনুবাদ কাজকে দুই ভাগে ভাগকরা যায়। যেমন-
১. আক্ষরিক অনুবাদ: মূল ভাষার প্রতিটি শব্দের প্রতিশব্দ ব্যবহার করে যে অনুবাদ করা হয় তাকে আক্ষরিক অনুবাদ বলা হয়।
২. ভাবানুবাদ: মূল ভাষার ভাব ঠিক রেখে সুবিধামত নিজের ভাষায় বক্তব্য প্রকাশ করাকে ভাবানুবাদ বলা হয়।
Related Questions
'উপরোক্ত' শব্দটির শুদ্ধ বা প্রমিত রূপ হলো উপর্যুক্ত অথবা উপরিউক্ত।
বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, খাঁটি বাংলা 'উপর' শব্দের সাথে তৎসম 'উক্ত' যুক্ত হয়ে 'উপরোক্ত' শব্দটি গঠিত হলেও আধুনিক প্রমিত বাংলা বানানে একে সাধু বা অশুদ্ধ হিসেবে গণ্য করা হয়। তাই দাপ্তরিক বা প্রমিত লেখায় সবসময় উপর্যুক্ত ব্যবহার করা উচিত l
রাহুর দশা - দুঃসময়
ঘোড়ার ডিম - অলীক বস্তু
কাঠের পুতুল - নির্বাক
যার কোন মূল্য নাই - ঢাকের বায়া
নদের চাঁদ' বাগধারাটির অর্থ - অহমিকাপূর্ণ নির্গুণ ব্যক্তি বা সুন্দর ব্যক্তি অথচ অপদার্থ।
• আরও গুরুত্বপূর্ণ কিছু বাগধারাঃ
» উটকো লোক – অচেনা লোক/হঠাৎ অবাঞ্ছিতভাবে এসে
» ঊনকোটি চোষট্টি – প্রায় সম্পূর্ণ।
» ঊনপাঁজুরে – অপদার্থ।
» ঊরুস্তম্ভ – ফোঁড়া জাতীয় রোগ
» ঊর্মিমালী – সমুদ্র
» এলেবেলে – নিকৃষ্ট।
» এক ছাঁচে ঢালা – সাদৃশ্য।
» একাদশ বৃহস্পতি – মহাসৌভাগ্য/ সৌভাগ্যের লক্ষণ।
» একা দোকা – নিঃসঙ্গ
• নবম-দশম শ্রেণির নতুন ব্যাকরণ অনুযায়ী, যতি বা ছেদ চিহ্ন ১৫টি।
• পুরাতন নবম-দশম শ্রেণির ব্যাকরণ অনুযায়ী, ১২টি ।
• অন্যান্য ব্যাকরণে দেয়া আছে ১১টি।
শব্দে সঙ্গে যে সব প্রত্যয় যোগে নতুন শব্দ গঠিত হয় তাদের তদ্ধিত প্রত্যয় বলা হয়।
যেমনঃ
হাত + ল = হাতল
ফুল + এল = ফুলেল
মুখ + র = মুখর
"দ্বন্দ্বসমাস" হল এমন একটি সমাস যেখানে প্রত্যেকটি সমস্যমান পদ (উল্লেখযোগ্য শব্দ) পরস্পর সমান গুরুত্ব পায় এবং তাদের অর্থের প্রাধান্য থাকে। এটি সাধারণত দুই বা ততোধিক পদের একত্রিতকরণের মাধ্যমে গঠিত হয় যাতে প্রতিটি পদ তার নিজস্ব অর্থ বজায় রাখে।
জব সলুশন