কোনটি শুদ্ধ ?
নীরস বানানটি শুদ্ধ। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গ সন্ধি (নিঃ + রস = নীরস) ও রেফ-এর পর 'র' থাকলে 'র'-এর পূর্ববর্তী হ্রস্ব স্বর দীর্ঘ হয়। এই নিয়মের কারণে 'নি' এর স্থানে 'নী' এবং 'র' যুক্ত হয়ে শব্দটি নীরস (রসশূন্য বা শুষ্ক) হিসেবে গঠিত হয়।
Related Questions
কমা অপেক্ষা বেশি বিরতির প্রয়োজন হলে সেমিকোলন বসে।একটি অপূর্ন বাক্যের পরে অন্য একটি বাক্যের অবতারনা করতে হলে কোলন বসে।যৌগিক ও মিশ্র বাক্যে পৃথক ভাবাপন্ন দুই বা তার বেশি বাক্যের সমন্বয় বা সংযোগ বোঝাতে ড্যাস চিহ্ন বসে।
কেতা দুরস্ত - পরিপাটি
কূপ মণ্ডূক - ঘরকুনো, সীমাবদ্ধ জ্ঞানসম্পন্ন
কাঠের পুতুল - নির্জীব /অসার
কুল কাঠের আগুন - তীব্র জ্বালা
তাই সঠিক উত্তর: তীব্র জ্বালা।
সারাংশ লিখনে ভাষার বাহুল্য, উপমা, অলংকার - বর্জনীয়। সারাংশ বলতে সাধারণত মূলভাবকে বোঝায়। উপমা, অলংকার, প্রবাদ প্রবচন, বাগধারা, উক্তি - এগুলো মূলত সারাংশের বর্জনীয় বিষয়। শুধুমাত্র মূল বিষয়বস্তু তুলে ধরতে হবে।
ভাব - সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে দোষের বিষয় - একই কথার পুনারাবৃত্তি না করা। ভাব - সম্প্রসারণ লেখার সময় অনেক গুলো দোষ পরিহার করতে হয়। তন্মধ্যে, একই কথার বা লাইনের পুনারাবৃত্তি না করা একটি। অনুচ্ছেদ থেকে লাইন ব্যবহার না করা, উক্তি বা উদ্ধৃতির ব্যবহার না করা ইত্যাদি।
তামার বিষ - অর্থের কুপ্রভাব
অরণ্যে রোদন - নিষ্ফল আবেদন
কাঠের পুতুল - নির্জীব /অসার
ঢাকের বায়া - যার কোন মূল্য নেই।
তাই সঠিক উত্তর: ঢাকের বায়া।
সমাসের পরিভাষা ৫ টি ।সমস্যমান পদ , ব্যাসবাক্য , সমস্তপদ , পূর্বপদ , পরপদ ।
- যে যে পদের সমাস হয় তাদের প্রত্যেককে বলে সমস্যমান পদ ।
- সমাস যুক্ত পদের প্রথম অংশকে পূর্বপদ বলে।
- সমাস যুক্ত পদের পরবর্তী অংশকে পরপদ বলে ।
- সমাসবদ্ধ বা সমাস নিষ্পন্ন পদটির নাম সমস্তপদ ।
- সমস্ত পদকে ভাঙলে যে বাক্যাংশ পাওয়া যায় তাকে বলা হয় ব্যাসবাক্য ।
জব সলুশন