ভাব-সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে দোষের বিষয় কোনটি ?

ক) একই কথার পুনরাবৃত্তি
খ) প্রাসঙ্গিক আলোচনা
গ) যুক্তিতর্কপূর্ণ বিষয়
ঘ) বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা
বিস্তারিত ব্যাখ্যা:

ভাব - সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে দোষের বিষয় - একই কথার পুনারাবৃত্তি না করা। ভাব - সম্প্রসারণ লেখার সময় অনেক গুলো দোষ পরিহার করতে হয়। তন্মধ্যে, একই কথার বা লাইনের পুনারাবৃত্তি না করা একটি। অনুচ্ছেদ থেকে লাইন ব্যবহার না করা, উক্তি বা উদ্ধৃতির ব্যবহার না করা ইত্যাদি।

Related Questions

ক) তামার বিষ
খ) অরণ্য রোদন
গ) ঢাকের বাঁয়া
ঘ) কাঠের পুতুল
Note :

তামার বিষ - অর্থের কুপ্রভাব

অরণ্যে রোদন - নিষ্ফল আবেদন

কাঠের পুতুল - নির্জীব /অসার

ঢাকের বায়া - যার কোন মূল্য নেই।

তাই সঠিক উত্তর: ঢাকের বায়া।

 

ক) পূর্বপদ
খ) পরপদ
গ) সমস্ত পদ
ঘ) সমস্যমান পদ
Note :

সমাসের পরিভাষা ৫ টি ।সমস্যমান পদ , ব্যাসবাক্য , সমস্তপদ , পূর্বপদ , পরপদ ।
- যে যে পদের সমাস হয় তাদের প্রত্যেককে বলে সমস্যমান পদ ।
- সমাস যুক্ত পদের প্রথম অংশকে পূর্বপদ বলে।
- সমাস যুক্ত পদের পরবর্তী অংশকে পরপদ বলে ।
- সমাসবদ্ধ বা সমাস নিষ্পন্ন পদটির নাম সমস্তপদ ।
- সমস্ত পদকে ভাঙলে যে বাক্যাংশ পাওয়া যায় তাকে বলা হয় ব্যাসবাক্য ।

ক) সারাংশ
খ) সারমর্ম
গ) রচনা
ঘ) ভাব-সম্প্রসারণ
Note :

ইঙ্গিতময়, অর্থপূর্ণ, ভাবঘন বাক্যকে সম্প্রসারিত করার নাম ভাবসম্প্রসারণ। ভাবসম্প্রসারণ বলতে কোন রচনার ভাববস্তুকে সম্প্রসারিত করা বোঝায়। অহেতুক বা প্রসঙ্গবিহীন বাক্যের ব্যবহার না করে রচনা সম্পর্কিত বাক্য দিয়ে ভাব ফুটিয়ে তুলতে হবে। মুলভাব, সম্প্রসারিত ভাব, মন্তব্য তিনটি অনুচ্ছেদে লিখতে হবে। মূলভাব সবসময় সহজ, সাবলীল ও ছোট হতে হবে।

ক) দারিদ্র
খ) দরিদ্র
গ) দারিদ্রতা
ঘ) দরিদ্রতা
Note :

দরিদ্রতা শুদ্ধ。দরিদ্রতা (দরিদ্র + তা) একটি শুদ্ধ বিশেষ্য পদ। তবে প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে এই শব্দের ক্ষেত্রে দারিদ্র্য (দরিদ্র + য) শব্দটি ব্যবহারের নিয়ম বেশি প্রচলিত।

ক) আপাদমস্তক
খ) কথাসর্বস্ব
গ) হতশ্রী
ঘ) অল্পবয়সী
Note :

অব্যয়ীভাব সমাস:পূর্বপদে অব্যয়যোগে নিষ্পন্ন সমাসে যদি অব্যয়েরই অর্থের প্রাধান্য থাকে, তবে তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। অব্যয়ীভাব সমাসে কেবল অব্যয়ের অর্থযোগে ব্যাসবাক্যটি রচিত হয়। সামীপ্য, অভাব, সাদৃশ্য, যোগ্যতা প্রভৃতি নানা অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস হয়। যেমন:

পর্যন্ত (আ) অর্থে - পা থেকে মাথা পর্যন্ত = আপাদমস্তক।

ক) আঞ্চলিক রীতি
খ) সাধু রীতি
গ) চলিত রীতি
ঘ) লেখ্য রীতি
Note :

উনিশ শতকে বাংলা ভাষার যে লিখিত রুপ গড়ে উঠে তার নাম দেওয়া হয় 'সাধু ভাষা'। সাধু ভাষার বৈশিস্ট্য-

সাধু রীতি সুনির্ধারিত ব্যাকরণরীতি অনুসরণ করে।

সাধু রীতির পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট।

এ রীতি গুরুগম্ভীর ও তৎসম শব্দবহুল।

সাধু রীতি নাটকের সংলাপ ও বক্তৃতায় অনুপযোগী অর্থাৎ বক্তৃতা ও নাটকের সংলাপের জন্য সাধু ভাষা উপযোগী নয়।

সাধু রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ এক বিশেষ গঠনপদ্ধতি অনুসরণ করে।

সাধু ভাষার একটি বৈশিষ্ট্য হলো এটি লেখ্য ভাষা।

জব সলুশন

বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন-জারিকারক 13-06-2026

পরিবেশ অধিদপ্তর-অফিস সহায়ক 12-06-2026

বাংলাদেশ রেলওয়ে — সহকারী স্টেশন মাস্টার 2026-05-16

বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন-বেঞ্চ সহকারী 2026-05-16

বাংলাদেশ রেলওয়ে — গার্ড গ্রেড-২ ( 2026-05-16)

সমন্বিত ১০টি ব্যাংক ও ১টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান — অফিসার 2026-05-16

Job Solution Live Exam Recent Job Solution 2026

আমাদের মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শিখুন