প্রাকৃতিক কোন উৎস হতে সবচেয়ে বেশী মৃদু পানি পাওয়া যায়?
∎বৃষ্টি:
বৃষ্টি একধরনের তরল, যা আকাশ থেকে মাধ্যাকর্ষণের টানে ভূপৃষ্ঠের দিকে পড়ে। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে জলীয় বাষ্প ঘনীভূত হয়ে মেঘের সৃষ্টি করে। এই ফোঁটাগুলি যথেষ্ট পরিমাণে ভারি হলে তা পৃথিবীর বুকে ঝরে পড়ে - একেই বলে বৃষ্টি। বিশ্বের অধিকাংশ অঞ্চলে বৃষ্টি সুপেয় জলের বড় উৎস। বিচিত্র জৈবব্যবস্থাকে বাঁচিয়ে রাখতে, জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলি সচল রাখতে ও কৃষি সেচব্যবস্থা সচল রাখতে বৃষ্টির প্রয়োজন হয়। যদিও সকল প্রকার বৃষ্টি ভূপৃষ্ঠ অবধি পৌঁছায় না। শুকনো বাতাসের মধ্য দিয়ে পড়ার সময় কিছু বৃষ্টির বিন্দু শুকিয়ে যায়। ভারগা নামে পরিচিত এই বৈশিষ্ট্যটি শুষ্ক মরুভূমি অঞ্চলে দেখা যায়। বৃষ্টির এমইটিএআর কোড হল আরএ।
Related Questions
কেনা-বেচার জন্য নয় google.com। এটি একটি প্রধান সার্চ ইঞ্জিন সাইট, যেখানে তথ্য খোঁজা হয়।
একটি প্রতিষ্ঠানে ডিভাইস ভাগাভাগি করে নেওয়ার বা রিসোর্স শেয়ারিংয়ের প্রধান সুবিধা হলো অর্থ সাশ্রয়, সময় বাঁচানো এবং সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার।
ব্যাকআপ প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যারের মাধ্যমে কম্পিউটারের কোনো ফাইল, ফোল্ডার বা কোনো প্রোগ্রাম কপি করে সংরক্ষণ করা হয়।
কম্পিউটারের মূল মেমোরি সিলিকন বা অর্ধপরিবাহী (সেমিকন্ডাক্টর) চিপ দিয়ে তৈরি হয়। এর ভেতরে লক্ষ লক্ষ ছোট ট্রানজিস্টর ও ক্যাপাসিটর থাকে
কম্পিউটার সিস্টেম এ Scanner একটি Input ধরনের যন্ত্র । কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত কিছু ইনপুট ডিভাইস হলো কী - বোর্ড, মাউস, স্ক্যানার, ওয়েবক্যাম, ওএমআর ইত্যাদি । কিছু আউটপুট ডিভাইস হলো মনিটর, প্রিন্টার, স্পিকার, প্রজেক্টর, প্লটার ইত্যাদি । আবার ইনপুট ও আউটপুট উভয় হিসেবে ব্যবহৃত কিছু ডিভাইস হলো টাচস্ক্রিন, ডিজিটাল ক্যামেরা, মডেম, হ্যান্ডসেট ইত্যাদি ।
হরিণ Artiodactyla বর্গের Cervidae গোত্রের রোমন্থক একদল স্তন্যপায়ী। গোত্রের সব সদস্যই স্বভাব ও গড়নের দিক থেকে প্রায় অভিন্ন। পুরুষ হরিণের মাথায় থাকে এক জোড়া শিং। এগুলি প্রথমে কোমল ভেলভেট-এর মতো রোমশ চামড়া দিয়ে ঢাকা থাকে এবং পরে পরিণত বয়সে চামড়া শুকিয়ে যায় ও এক সময় খসে পড়ে।
বাংলাদেশের কয়েক প্রজাতির হরিণের মধ্যে সাম্বার (Cervus unicolar) বৃহত্তম এবং চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেটের বনে বাস করে। সবচেয়ে সুন্দর ও পরিচিত প্রজাতি হলো চিত্রা হরিণ (C. axis)। এর হলুদ, হালকা বা গাঢ় বাদামি পিঠ জুড়ে থাকে সাদা রঙের গোল গোল ফোঁটা। এদের আবাস প্রধানত সুন্দরবন। এক সময় সিলেটের বনাঞ্চলে নাত্রিনি হরিণ (hog deer, C. porcinus) দেখা গেলেও বাংলাদেশে এটি এখন আর টিকে নেই। মায়াহরিণ (Muntiacus muntjac) আকারে সবচেয়ে ছোট। সুন্দরবনের চিত্রা হরিণ ছাড়া বাংলাদেশের অন্য সবগুলি হরিণের সংখ্যা মারাত্মকভাবে হ্রাস পেয়েছে। যদৃচ্ছা শিকার, মানুষের হস্তক্ষেপ ও আবাসভূমি ধ্বংসের জন্য বনের এসব সুদর্শন প্রাণী আজ বিপন্ন। বারশিঙা (C. duvanceli) এদেশে এখন আর নেই।
বাংলাদেশে মোট ৫ প্রজাতির হরিণের রেকর্ড আছে। এদের মধ্যে দুই প্রজাতির হরিণ (হগ ডিয়ার ও সোয়াম্প ডিয়ার) বিলুপ্ত হয়ে গেছে। বাকী তিন প্রজাতির মধ্যে প্রায় হারিয়ে যাওয়ার পথে বারকিং ডিয়ার ও সাম্বার ডিয়ার। এদের এখন সিলেটের গভীর বন ও কাপ্তাই, পার্বত্য চট্টগ্রাম, এবং বান্দারবন এলাকায় কালেভদ্রে পাওয়া যায়। স্পটেড ডিয়ার বা চিত্র হরিণ এদেশে অন্যান্য হরিণের চেয়ে এখনও বেশ ভাল আছে। শুধু সুন্দরবনেই বন বিভাগের তথ্যমতে চিত্রা হরিণের সংখ্যা ৫০-৮০ হাজার। চট্টগ্রাম পাহাড়ী এলাকা, মধুপুর বন ও সিলেটের গভীর বনে হাতে গোনা কিছু চিত্রা হরিণ থাকতে পারে। সর্বশেষ সরকার হরিণ সংকট মোকাবেলায় নিঝুম দ্বীপে হরিণ ছাড়ে। এ বনে হরিণের খাবার সংকট ও প্রিডেটর সমস্যা না থাকায় মাত্র এক যুগেই হরিণ বেড়ে প্রায় বিশ হাজার। যথাযথ গবেষণা ও পর্যাপ্ত খাবারের অভাবে বর্তমানে হরিণ এখানেও একধরণের সংকটে চলছে।
জব সলুশন